ঢাকা , রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন।

কুষ্টিয়া ১ ও ২ আসনে ঋণ খেলাপি বাবা-ছেলের মনোনয়নপত্র বাতিল

কুষ্টিয়ার দুটি আসন থেকে ন্যাশনাল পিপলস পার্টির প্রার্থী হিসেবে বাবা-ছেলের দাখিল করা মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

 

সোমবার (৪ ডিসেম্বর) কুষ্টিয়া জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক এহেতেশাম রেজা এতথ্য জানান।

 

মনোনয়নপত্র বাতিল হাওয়ারা হলেন- কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনের মো. ফজলুল হক ও কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনে এজেএম শাহিদুজ্জামান। ফজলুল হক ও শাহিদুজ্জামান সম্পর্কে বাবা-ছেলে।

 

কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক এহেতেশাম রেজা জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে পাঠানো তথ্যে বাবা-ছেলেকে ঋণ খেলাপি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

জেলা নির্বাচন অফিসে করা কুষ্টিয়া-১ আসনের মনোনয়নপত্র দাখিলকারীদের তালিকায় ২ নং সিরিয়ালে আছেন মো. ফজলুল হকের নাম। তার বাবার নাম আজাহার আলী, মায়ের নাম আবেজান। জন্ম তারিখ দেওয়া আছে ১৯৫৭ সালের ৫ জুন। ঠিকানা গির্জানাথ মজুমদার সড়ক, কমলাপুর, কুষ্টিয়া।

 

কুষ্টিয়া-২ আসনের দাখিলকারীদের তালিকায় ৩ নং সিরিয়ালে আছেন এজেএম শাহিদুজ্জামানের নাম। তার বাবার নাম মো. ফজলুল হক ও মার নাম হামিদা আক্তার। জন্ম তারিখ দেওয়া হয়েছে ১৯৯৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি। তার ক্ষেত্রে ঠিকানা লেখা আছে গ্রাম জিএনএম রোড, কুষ্টিয়া সদর। বাবার ঠিকানা গির্জানাথ মজুমদার সড়ককে সংক্ষিপ্ত করে ছেলের ক্ষেত্রে জিএনএম রোড লেখা হয়েছে।

 

বাবা-ছেলের ঠিকানায় খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, শহরের কমলাপুরে নবীন প্রামানিক স্কুলের সামনে তিন তলা একটি বাড়ি রয়েছে মো. ফজলুল হকের। বাড়ির নিচে একটি দোকান পরিচালনা করেন ফজলুল। আর ছেলে এজেএম শাহিদুজ্জামানও এই বাড়িতেই থাকেন। তার ইলেক্ট্রনিক পণ্যের ব্যবসা আছে। দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত বাবা-ছেলের মোবাইল বন্ধ ছিল। তাদের বাসায় ও দোকানে গিয়ে পাওয়া যায়নি।

 

 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, বাবা-ছেলের রাজনৈতিক কোনো তৎপরতা দেখা যায়নি আগে। হঠাৎ শুনলাম বাবা-ছেলে দুই জনই দুই আসনে ভোটে দাঁড়িয়েছেন। সম্ভবত পার্টি থেকে প্রার্থী দিতে বলাই বাইরের লোক না খুঁজে তারা নিজেরাই প্রার্থী হয়েছিলেন।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

খেলাধুলা মানসিক বিকাশ ও শরীর গঠনে সহায়তা করেঃ -লিয়াকত সিকদার

error: Content is protected !!

কুষ্টিয়া ১ ও ২ আসনে ঋণ খেলাপি বাবা-ছেলের মনোনয়নপত্র বাতিল

আপডেট টাইম : ০১:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৩

কুষ্টিয়ার দুটি আসন থেকে ন্যাশনাল পিপলস পার্টির প্রার্থী হিসেবে বাবা-ছেলের দাখিল করা মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

 

সোমবার (৪ ডিসেম্বর) কুষ্টিয়া জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক এহেতেশাম রেজা এতথ্য জানান।

 

মনোনয়নপত্র বাতিল হাওয়ারা হলেন- কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনের মো. ফজলুল হক ও কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনে এজেএম শাহিদুজ্জামান। ফজলুল হক ও শাহিদুজ্জামান সম্পর্কে বাবা-ছেলে।

 

কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক এহেতেশাম রেজা জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে পাঠানো তথ্যে বাবা-ছেলেকে ঋণ খেলাপি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

জেলা নির্বাচন অফিসে করা কুষ্টিয়া-১ আসনের মনোনয়নপত্র দাখিলকারীদের তালিকায় ২ নং সিরিয়ালে আছেন মো. ফজলুল হকের নাম। তার বাবার নাম আজাহার আলী, মায়ের নাম আবেজান। জন্ম তারিখ দেওয়া আছে ১৯৫৭ সালের ৫ জুন। ঠিকানা গির্জানাথ মজুমদার সড়ক, কমলাপুর, কুষ্টিয়া।

 

কুষ্টিয়া-২ আসনের দাখিলকারীদের তালিকায় ৩ নং সিরিয়ালে আছেন এজেএম শাহিদুজ্জামানের নাম। তার বাবার নাম মো. ফজলুল হক ও মার নাম হামিদা আক্তার। জন্ম তারিখ দেওয়া হয়েছে ১৯৯৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি। তার ক্ষেত্রে ঠিকানা লেখা আছে গ্রাম জিএনএম রোড, কুষ্টিয়া সদর। বাবার ঠিকানা গির্জানাথ মজুমদার সড়ককে সংক্ষিপ্ত করে ছেলের ক্ষেত্রে জিএনএম রোড লেখা হয়েছে।

 

বাবা-ছেলের ঠিকানায় খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, শহরের কমলাপুরে নবীন প্রামানিক স্কুলের সামনে তিন তলা একটি বাড়ি রয়েছে মো. ফজলুল হকের। বাড়ির নিচে একটি দোকান পরিচালনা করেন ফজলুল। আর ছেলে এজেএম শাহিদুজ্জামানও এই বাড়িতেই থাকেন। তার ইলেক্ট্রনিক পণ্যের ব্যবসা আছে। দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত বাবা-ছেলের মোবাইল বন্ধ ছিল। তাদের বাসায় ও দোকানে গিয়ে পাওয়া যায়নি।

 

 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, বাবা-ছেলের রাজনৈতিক কোনো তৎপরতা দেখা যায়নি আগে। হঠাৎ শুনলাম বাবা-ছেলে দুই জনই দুই আসনে ভোটে দাঁড়িয়েছেন। সম্ভবত পার্টি থেকে প্রার্থী দিতে বলাই বাইরের লোক না খুঁজে তারা নিজেরাই প্রার্থী হয়েছিলেন।