ঢাকা , শুক্রবার, ০১ মার্চ ২০২৪, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন।

ইনুর আসনে লড়তে চেয়ারম্যান পদ ছাড়লেন আওয়ামী লীগ নেতা কামারুল

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুর আসন কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) থেকে এবারের নির্বাচনে লড়বেন কামারুল আরেফিন নামের এক আওয়ামী লীগ নেতা। তাই উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন তিনি।

 

মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) দুপুরে কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মো. এহেতেশাম রেজার কাছে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন। কামারুল আরেফিন পর পর দুবার বিপুল ভোটে নির্বাচিত মিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

 

তিনি বলেন, আমি জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে মনোনয়নপত্র নিয়েছি। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কুষ্টিয়ার-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনে নির্বাচন করবো। নির্বাচনে জয়লাভও করবো ইনশাল্লাহ।

 

এ আওয়ামী লীগ নেতা আরও বলেন, কুষ্টিয়া-২ আসনটি ফাঁকা রাখা হয়েছে। যদি আমাকে নৌকা দিলে দলের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবো। আর না পেলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করবো। এজন্য উপজেলা চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করলাম।

 

ওই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য হাসানুল হক ইনুকে উদ্দেশ্য করে কামারুল আরেফিন বলেন, এ আসনে জাসদ নেতা ইনু আওয়ামী লীগের ৮০ শতাংশ ভোটের ওপর ভর করে বিগত তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এবার তার ২০ শাতংশ ভোট নিয়ে নির্বাচন করতে হবে। দুই উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মুখিয়ে আছে আমাকে ভোট দেওয়ার জন্য।

 

আওয়ামী লীগের অন্যতম শরীক ১৪ দলীয় জোট (মহাজোটের) প্রার্থী হিসেবে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসন থেকে পর পর তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু। এর মধ্যে ২০১৪ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে তথ্যমন্ত্রী হন তিনি।

 

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে ৩০০ আসনের মধ্যে দুটি আসনে কোনো প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি আওয়ামী লীগ। এর মধ্যে কুষ্টিয়া-২ আসনে আওয়ামী লীগ কোনো প্রার্থী দেয়নি। আসনটি এখনো ফাঁকা রাখা আছে। ১৪ দলীয় জোটের অন্যতম রূপকার জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে ছাড় দেওয়ার জন্য আসনটি ফাঁকা রাখা হয়েছে বলে মনে করছেন দলটির নেতারা।

 

এদিকে বিএনপি-জামায়াত নির্বাচন থেকে বিরত থাকায় এবার স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ইনুকে কোনো প্রকার ছাড় না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ কারণে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও বিপুল জনপ্রিয় মিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কামারুল আরেফিন স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

 

দলটির নেতাকর্মীরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরেই কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনে জাসদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সাপে নেউলে অবস্থা বিরাজ করছে। একাধিকবার এখানে আওয়ামী লীগ এবং জাসদ নেতাকর্মীদের সঙ্গে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটেছে। এসব ঘটনায় একাধিক নেতাকর্মী আহতসহ উভয়পক্ষের অন্তত হাফ ডজন নেতাকর্মী রাজনৈতিক সংঘর্ষের বলি হয়েছেন। দুদলের মধ্যে বিরোধ এখানে এতটাই প্রকট যে কোনো নির্বাচন এলেই এখানে দুদলের মধ্যে সংঘাত-সংঘর্ষ অনিবার্য হয়ে দাঁড়ায়। আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এবারো মিরপুর-ভেড়ামারা উপজেলায় দুই দলের মধ্যে রক্তপাত-সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন নেতাকর্মীরা।

 

কুষ্টিয়া জেলা জাসদের সভাপতি গোলাম মহসীন বলেন, নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রত্যেকের গণতান্ত্রিক অধিকার। যে কেউ নির্বাচনে অংশ নিতেই পারেন। তবে আওয়ামী লীগ যদি ১৪ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে হাসানুল হক ইনুকে এ আসনে আবারও দলীয় মনোনয়ন (নৌকা) দেয় তাহলে নৌকার বিপক্ষে কে মনোনয়ন তুললো বা নির্বাচনে অংশ নিলো তাতে কিছু যায় আসে না। কেন না আওয়ামী লীগ যারা করেন, যারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করেন, শেখ হাসিনার রাজনীতি করেন তারা কখনো নৌকার বাইরে ভোট দেবেন না। অতীতেও দেখা গেছে অনেক জনপ্রিয় আওয়ামী লীগ নেতা নৌকার বাইরে গিয়ে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছেন। এ আসনে হাসানুল হক ইনুর বাইরে বা নৌকার বাইরে যে বা যারা নির্বাচনে অংশ নিক না কেন তাতে কোনো প্রভাব পড়বে না।

 

এদিকে শুধু কুষ্টিয়া-২ আসনই নয়, বাকি তিনটি আসনেই আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সাবেক দুই সংসদ সদস্য ও পৌরসভার এক মেয়রপুত্র।

 

এর মধ্যে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফের কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র নিয়েছেন কুষ্টিয়া পৌরসভার পাঁচবারের নির্বাচিত মেয়র আনোয়ার আলীর ছেলে ক্রীড়া সংগঠক পারভেজ আনোয়ার তনু।

 

 

সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কর্মী-সমর্থক নিয়ে সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শহিদুর রহমানের কাছ থেকে তিনি মনোনয়নপত্র নেন।

 

অপরদিকে মনোনয়ন না পাওয়ায় কুষ্টিয়ার আরও দুটি আসনে আওয়ামী লীগের সাবেক দুই সংসদ সদস্য স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন। তারা হলেন কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য রেজাউল হক চৌধুরী ও কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনে সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুর রউফ।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ
error: Content is protected !!

ইনুর আসনে লড়তে চেয়ারম্যান পদ ছাড়লেন আওয়ামী লীগ নেতা কামারুল

আপডেট টাইম : ১২:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৩

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুর আসন কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) থেকে এবারের নির্বাচনে লড়বেন কামারুল আরেফিন নামের এক আওয়ামী লীগ নেতা। তাই উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন তিনি।

 

মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) দুপুরে কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মো. এহেতেশাম রেজার কাছে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন। কামারুল আরেফিন পর পর দুবার বিপুল ভোটে নির্বাচিত মিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

 

তিনি বলেন, আমি জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে মনোনয়নপত্র নিয়েছি। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কুষ্টিয়ার-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনে নির্বাচন করবো। নির্বাচনে জয়লাভও করবো ইনশাল্লাহ।

 

এ আওয়ামী লীগ নেতা আরও বলেন, কুষ্টিয়া-২ আসনটি ফাঁকা রাখা হয়েছে। যদি আমাকে নৌকা দিলে দলের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবো। আর না পেলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করবো। এজন্য উপজেলা চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করলাম।

 

ওই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য হাসানুল হক ইনুকে উদ্দেশ্য করে কামারুল আরেফিন বলেন, এ আসনে জাসদ নেতা ইনু আওয়ামী লীগের ৮০ শতাংশ ভোটের ওপর ভর করে বিগত তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এবার তার ২০ শাতংশ ভোট নিয়ে নির্বাচন করতে হবে। দুই উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মুখিয়ে আছে আমাকে ভোট দেওয়ার জন্য।

 

আওয়ামী লীগের অন্যতম শরীক ১৪ দলীয় জোট (মহাজোটের) প্রার্থী হিসেবে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসন থেকে পর পর তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু। এর মধ্যে ২০১৪ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে তথ্যমন্ত্রী হন তিনি।

 

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে ৩০০ আসনের মধ্যে দুটি আসনে কোনো প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি আওয়ামী লীগ। এর মধ্যে কুষ্টিয়া-২ আসনে আওয়ামী লীগ কোনো প্রার্থী দেয়নি। আসনটি এখনো ফাঁকা রাখা আছে। ১৪ দলীয় জোটের অন্যতম রূপকার জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে ছাড় দেওয়ার জন্য আসনটি ফাঁকা রাখা হয়েছে বলে মনে করছেন দলটির নেতারা।

 

এদিকে বিএনপি-জামায়াত নির্বাচন থেকে বিরত থাকায় এবার স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ইনুকে কোনো প্রকার ছাড় না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ কারণে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও বিপুল জনপ্রিয় মিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কামারুল আরেফিন স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

 

দলটির নেতাকর্মীরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরেই কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনে জাসদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সাপে নেউলে অবস্থা বিরাজ করছে। একাধিকবার এখানে আওয়ামী লীগ এবং জাসদ নেতাকর্মীদের সঙ্গে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটেছে। এসব ঘটনায় একাধিক নেতাকর্মী আহতসহ উভয়পক্ষের অন্তত হাফ ডজন নেতাকর্মী রাজনৈতিক সংঘর্ষের বলি হয়েছেন। দুদলের মধ্যে বিরোধ এখানে এতটাই প্রকট যে কোনো নির্বাচন এলেই এখানে দুদলের মধ্যে সংঘাত-সংঘর্ষ অনিবার্য হয়ে দাঁড়ায়। আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এবারো মিরপুর-ভেড়ামারা উপজেলায় দুই দলের মধ্যে রক্তপাত-সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন নেতাকর্মীরা।

 

কুষ্টিয়া জেলা জাসদের সভাপতি গোলাম মহসীন বলেন, নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রত্যেকের গণতান্ত্রিক অধিকার। যে কেউ নির্বাচনে অংশ নিতেই পারেন। তবে আওয়ামী লীগ যদি ১৪ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে হাসানুল হক ইনুকে এ আসনে আবারও দলীয় মনোনয়ন (নৌকা) দেয় তাহলে নৌকার বিপক্ষে কে মনোনয়ন তুললো বা নির্বাচনে অংশ নিলো তাতে কিছু যায় আসে না। কেন না আওয়ামী লীগ যারা করেন, যারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করেন, শেখ হাসিনার রাজনীতি করেন তারা কখনো নৌকার বাইরে ভোট দেবেন না। অতীতেও দেখা গেছে অনেক জনপ্রিয় আওয়ামী লীগ নেতা নৌকার বাইরে গিয়ে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছেন। এ আসনে হাসানুল হক ইনুর বাইরে বা নৌকার বাইরে যে বা যারা নির্বাচনে অংশ নিক না কেন তাতে কোনো প্রভাব পড়বে না।

 

এদিকে শুধু কুষ্টিয়া-২ আসনই নয়, বাকি তিনটি আসনেই আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সাবেক দুই সংসদ সদস্য ও পৌরসভার এক মেয়রপুত্র।

 

এর মধ্যে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফের কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র নিয়েছেন কুষ্টিয়া পৌরসভার পাঁচবারের নির্বাচিত মেয়র আনোয়ার আলীর ছেলে ক্রীড়া সংগঠক পারভেজ আনোয়ার তনু।

 

 

সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কর্মী-সমর্থক নিয়ে সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শহিদুর রহমানের কাছ থেকে তিনি মনোনয়নপত্র নেন।

 

অপরদিকে মনোনয়ন না পাওয়ায় কুষ্টিয়ার আরও দুটি আসনে আওয়ামী লীগের সাবেক দুই সংসদ সদস্য স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন। তারা হলেন কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য রেজাউল হক চৌধুরী ও কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনে সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুর রউফ।