ঢাকা , রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ৩০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ইতালিতে ইদ্রিস ফরাজিকে নাগরিক সংবর্ধনা প্রদান Logo রেললাইনে ছবি তুলতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় মা ও মেয়ে নিহত Logo দুই বঙ্গকন্যা ব্রিটিশ মন্ত্রীসভায় স্থান পাওয়াতে বঙ্গবন্ধু লেখক সাংবাদিক ফোরামের আনন্দ সভা ও মিষ্টি বিতরন Logo স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে বাংলাদেশ স্কাউটস হবে আলোকবর্তিকাঃ -এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী Logo বাঘায় ৬০০ (ছয়শত) পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট সহ রাজিব গ্রেফতার Logo গোয়ালন্দে চরমপন্থী দলের সদস্যকে পিটিয়ে হত্যা Logo মাছের উপজেলায় মাছ নেই Logo কুষ্টিয়ায় ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা Logo নড়াইলের স্মার্ট লোহাগড়া গড়ার লক্ষ্যে সৌন্দর্যবর্ধন কর্মসুচির উদ্বোধন Logo স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডির উদ্যোগে চেক ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন।

ছয় গ্রামবাসীর পারাপারের একমাত্র ভরসা ২ বাঁশের সাঁকো!

আমতলীর আরপাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের ছয় গ্রামবাসীর ভরসা দুটি বাঁশের সাঁকো। প্রায় পাঁচ বছর আগে চরকগাছিয়া খালের ওপর ছাত্তার মাস্টারের বাড়ির সামনে স্থানীয়রা ১০০ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি বাঁশের সাঁকো তৈরি করে। চরকগাছিয়া, বালিয়াতলী, সোমবাড়িয়া বাজারসহ তিন গ্রামের প্রায় চার হাজার মানুষ চলাচল করে সাঁকো দিয়ে। খালের দক্ষিণপাড়ে রয়েছে চরকগাছিয়া ছালেহিয়া দ্বীনিয়া মাদরাসা।
মাদরাসায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ঝুঁকি নিয়ে যেতে হয়। এই ২ স্থানে সেতু নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর।
চরকগাছিয়া গ্রামের বাসিন্দা মাওলানা শরিফ মুহিবুল্লাহ বলেন, চরকগাছিয়া খালে সেতু না থাকায় প্রায় তিন হাজার গ্রামবাসীকে একটি বাঁশের সাঁকোর ওপর ভরসা করে আমতলী শহর সহ আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়ন পরিষদে চলাচল করতে হয়। এতে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়।
আমরা এখানে একটি সেতু নির্মাণের জোর দাবি জানাই। আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের আড়পাঙ্গাশিয়া খালের সাতধারা নামক স্থানে একটি লোহার সেতু ছিল। সেতুটি ২ বছর পূর্বে ধসে পড়ে। তখন সেতুটির মালামাল নিলামে বিক্রি করে দেওয়া হয়।
এরপর ঐ স্থানে আর কোনো সেতু নির্মাণ করা হয়নি। বর্তমানে স্থানীয়রা তাদের চলাচলে ভোগান্তির কথা চিন্তা করে গ্রামবাসী মিলে ২০০ মিটার দৈর্ঘ্যরে একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে। ওই সেতু পার হয়ে সাতধারা, আড়পাঙ্গাশিয়া, পাতাকাটা গ্রামের প্রায় ২ হাজার মানুষ এক পাড় থেকে অন্যপাড়ে চলাচল করে। এই সেতু পার হয়ে পাতাকাটা এবং আড়পাঙ্গাশিয়া গ্রামের মানুষ আমতলী শহরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় চলাচল করে। এই সেতু পার হয়ে পাতাকাটা গ্রামের কোমলমতি শিশুরা প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে দক্ষিণ আমতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আসা যাওয়া করে।
শিশু সুমাইয়া জানায়, এই বাাঁশের সেতু পার হইয়া স্কুলে আসতে আমাগো অনেক কষ্ট হয়। বর্ষার দিনে পাড়াপারে অনেক সমস্যা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা পাপড়ী বেগম বলেন, মোগো ওই হাক্কা পারাইতে ব্যামালা ভয় হরে। ওইহানে একটা ব্রিজ বানাইয়া দেলে মোগো আটতে অনেক সুবিধা অয়।
আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেলী পারভীন মালা বলেন, আমতলী উপজেলা সদরসহ ইউনিয়নের অভ্যন্তরীণ যোযোগের জন্য চরকগাছিয়া ও আরপাঙ্গাশিয়া খালের ওপর স্থানীয়দের চলাচলের সুবিধার জন্য বাঁশের সাকোর স্থানে জরুরিভাবে দুটি সেতু নির্মাণ করা প্রয়োজন।
আমতলী সদর ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোতাহার উদ্দিন মৃধা বলেন, মানুষের চলাচলের সুবিধার জন্য আড়পাঙ্গামিয়া খালে দ্রুত একটি সেতু নির্মাণের দাবি জানাই।
আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, চরকগাছিয়া এবং আড়পাঙ্গাশিয়া খালের ওপর সেতু নির্মাণের জন্য প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। টাকা বরাদ্ধ পাওয়া গেলে কাজ শুরু করা হবে।
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিতে ইদ্রিস ফরাজিকে নাগরিক সংবর্ধনা প্রদান

error: Content is protected !!

ছয় গ্রামবাসীর পারাপারের একমাত্র ভরসা ২ বাঁশের সাঁকো!

আপডেট টাইম : ০৯:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০২৩
আমতলীর আরপাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের ছয় গ্রামবাসীর ভরসা দুটি বাঁশের সাঁকো। প্রায় পাঁচ বছর আগে চরকগাছিয়া খালের ওপর ছাত্তার মাস্টারের বাড়ির সামনে স্থানীয়রা ১০০ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি বাঁশের সাঁকো তৈরি করে। চরকগাছিয়া, বালিয়াতলী, সোমবাড়িয়া বাজারসহ তিন গ্রামের প্রায় চার হাজার মানুষ চলাচল করে সাঁকো দিয়ে। খালের দক্ষিণপাড়ে রয়েছে চরকগাছিয়া ছালেহিয়া দ্বীনিয়া মাদরাসা।
মাদরাসায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ঝুঁকি নিয়ে যেতে হয়। এই ২ স্থানে সেতু নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর।
চরকগাছিয়া গ্রামের বাসিন্দা মাওলানা শরিফ মুহিবুল্লাহ বলেন, চরকগাছিয়া খালে সেতু না থাকায় প্রায় তিন হাজার গ্রামবাসীকে একটি বাঁশের সাঁকোর ওপর ভরসা করে আমতলী শহর সহ আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়ন পরিষদে চলাচল করতে হয়। এতে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়।
আমরা এখানে একটি সেতু নির্মাণের জোর দাবি জানাই। আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের আড়পাঙ্গাশিয়া খালের সাতধারা নামক স্থানে একটি লোহার সেতু ছিল। সেতুটি ২ বছর পূর্বে ধসে পড়ে। তখন সেতুটির মালামাল নিলামে বিক্রি করে দেওয়া হয়।
এরপর ঐ স্থানে আর কোনো সেতু নির্মাণ করা হয়নি। বর্তমানে স্থানীয়রা তাদের চলাচলে ভোগান্তির কথা চিন্তা করে গ্রামবাসী মিলে ২০০ মিটার দৈর্ঘ্যরে একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে। ওই সেতু পার হয়ে সাতধারা, আড়পাঙ্গাশিয়া, পাতাকাটা গ্রামের প্রায় ২ হাজার মানুষ এক পাড় থেকে অন্যপাড়ে চলাচল করে। এই সেতু পার হয়ে পাতাকাটা এবং আড়পাঙ্গাশিয়া গ্রামের মানুষ আমতলী শহরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় চলাচল করে। এই সেতু পার হয়ে পাতাকাটা গ্রামের কোমলমতি শিশুরা প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে দক্ষিণ আমতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আসা যাওয়া করে।
শিশু সুমাইয়া জানায়, এই বাাঁশের সেতু পার হইয়া স্কুলে আসতে আমাগো অনেক কষ্ট হয়। বর্ষার দিনে পাড়াপারে অনেক সমস্যা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা পাপড়ী বেগম বলেন, মোগো ওই হাক্কা পারাইতে ব্যামালা ভয় হরে। ওইহানে একটা ব্রিজ বানাইয়া দেলে মোগো আটতে অনেক সুবিধা অয়।
আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেলী পারভীন মালা বলেন, আমতলী উপজেলা সদরসহ ইউনিয়নের অভ্যন্তরীণ যোযোগের জন্য চরকগাছিয়া ও আরপাঙ্গাশিয়া খালের ওপর স্থানীয়দের চলাচলের সুবিধার জন্য বাঁশের সাকোর স্থানে জরুরিভাবে দুটি সেতু নির্মাণ করা প্রয়োজন।
আমতলী সদর ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোতাহার উদ্দিন মৃধা বলেন, মানুষের চলাচলের সুবিধার জন্য আড়পাঙ্গামিয়া খালে দ্রুত একটি সেতু নির্মাণের দাবি জানাই।
আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, চরকগাছিয়া এবং আড়পাঙ্গাশিয়া খালের ওপর সেতু নির্মাণের জন্য প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। টাকা বরাদ্ধ পাওয়া গেলে কাজ শুরু করা হবে।