ঢাকা , শুক্রবার, ০১ মার্চ ২০২৪, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন।

কামরুজ্জামান হত্যাকাণ্ডে জড়িত মূল আসামী গ্রেফতার

-নরসিংদী সদর থানার সাটির পাড়া এলাকার কামরুজ্জামানকে হত্যাকারী ঘাতক রবিন।

নরসিংদী সদর থানার ব্রাহ্মণপাড়ায়  গুরুদাসের তিনতলা বাড়ির ছাদে সাটির পাড়া এলাকার কামরুজ্জামান (৪৫) কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলাকেটে হত্যা করার মূল আসামি রবিন (২৬) কে গ্রেফতার করেছে নরসিংদী সদর মডেল থানা পুলিশ। এই বিষয়টি (১০ নভেম্বর) এক প্রেস বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছেন নরসিংদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কাশেম ভূইয়া।
উল্লেখ্য যে, গত ৮/১১/২৩ ইং রাত আনুমানিক ৯:১৫ মিনিটে দিকে নরসিংদী সদর থানার ব্রাহ্মণপাড়ায় গুরুদাসের তিনতলা বাড়ির ছাদে অজ্ঞাতনামা হত্যাকারী ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলাকেটে হত্যা করে। সাটির পাড়া এলাকার কামরুজ্জামান (৪৫) কে হত্যার পরই পার্শ্ববর্তী বাড়ীর ছাদের ওপর দিয়ে পালিয়ে যায় অজ্ঞাত ঘাতক। এই বিষয়ে নিহতের ছোট ভাই শামসুজ্জান সোহেল বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে নরসিংদী সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন ।
নরসিংদী থানা পুলিশ মামলার ঘটনার সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথেই নরসিংদী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান পিপিএম, এর দিক নির্দেশনায় নরসিংদী সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহীদুল ইসলাম সোহাগ এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে নরসিংদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), আবুল কাশেম ভূঁইয়ার নেতৃত্বে এস আই অভিজিৎ চৌধুরী, এস আই আব্দুল গাফফার পি পি এম, এস আই নাসিম, এস আই কামরুজ্জামান, এস আই কামরুল ইসলাম, এ এস আই দীপক চক্রবর্তী, এ এস আই শাহ আলম সহ নরসিংদী মডেল থানার একদল চৌকস অফিসার তাৎক্ষণিক একটানা অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে মামলার ঘটনা সংশ্লিষ্ট আলামত, ভিকটিম ও সন্দেহ ভাজন হত্যাকারীর মোবাইল ফোন, সন্দেহ ভাজন আসামির বাড়ির পাশ থেকে তার গায়ের রক্তমাখা কাপড় উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
প্রাপ্ত আলামত ও মোবাইলে ফোনের সূত্র ধরে মামলার ঘটনায় জড়িত নরসিংদী সদর থানার ব্রাম্মনপাড়া এলাকার মোঃ আলি হোসেনের ছেলে রবিন (২৬) আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় মাধবদী থানাধীন মহিষাসুরা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেপ্তার এর পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদে রবিন মামলার ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং পূর্ব শত্রুতার কারণে পরিকল্পিত ভাবে ব্রাহ্মণপাড়া নিবাসী গুরুদাস এর বাড়ীর ছাদে নিয়ে সে একাই ধারালো ছুরি দিয়ে কামরুজ্জামানকে হত্যা করে পালিয়ে যায়।
চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের ১০/১২ ঘণ্টার মধ্যেই নরসিংদী থানা পুলিশ দ্রুত মামলার ঘটনার রহস্য উদঘাটনসহ একমাত্র ঘাতক রবিনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
আসামী রবিনের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে ঘটনাস্থলের বাড়ির পাশ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করা হয়। অদ্য আসামী রবিনকে বিজ্ঞ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে উপস্থাপন করলে আসামি রবিন মামলার ঘটনা তথা ভিকটিম কামরুজ্জামানকে সে নিজেই হত্যা করার বিষয়ে দোষ স্বীকারোক্তি মুলক জবানবন্দি প্রদান করে। বিজ্ঞ আদালত আসামীকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ
error: Content is protected !!

কামরুজ্জামান হত্যাকাণ্ডে জড়িত মূল আসামী গ্রেফতার

আপডেট টাইম : ০৯:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ নভেম্বর ২০২৩
নরসিংদী সদর থানার ব্রাহ্মণপাড়ায়  গুরুদাসের তিনতলা বাড়ির ছাদে সাটির পাড়া এলাকার কামরুজ্জামান (৪৫) কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলাকেটে হত্যা করার মূল আসামি রবিন (২৬) কে গ্রেফতার করেছে নরসিংদী সদর মডেল থানা পুলিশ। এই বিষয়টি (১০ নভেম্বর) এক প্রেস বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছেন নরসিংদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কাশেম ভূইয়া।
উল্লেখ্য যে, গত ৮/১১/২৩ ইং রাত আনুমানিক ৯:১৫ মিনিটে দিকে নরসিংদী সদর থানার ব্রাহ্মণপাড়ায় গুরুদাসের তিনতলা বাড়ির ছাদে অজ্ঞাতনামা হত্যাকারী ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলাকেটে হত্যা করে। সাটির পাড়া এলাকার কামরুজ্জামান (৪৫) কে হত্যার পরই পার্শ্ববর্তী বাড়ীর ছাদের ওপর দিয়ে পালিয়ে যায় অজ্ঞাত ঘাতক। এই বিষয়ে নিহতের ছোট ভাই শামসুজ্জান সোহেল বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে নরসিংদী সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন ।
নরসিংদী থানা পুলিশ মামলার ঘটনার সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথেই নরসিংদী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান পিপিএম, এর দিক নির্দেশনায় নরসিংদী সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহীদুল ইসলাম সোহাগ এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে নরসিংদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), আবুল কাশেম ভূঁইয়ার নেতৃত্বে এস আই অভিজিৎ চৌধুরী, এস আই আব্দুল গাফফার পি পি এম, এস আই নাসিম, এস আই কামরুজ্জামান, এস আই কামরুল ইসলাম, এ এস আই দীপক চক্রবর্তী, এ এস আই শাহ আলম সহ নরসিংদী মডেল থানার একদল চৌকস অফিসার তাৎক্ষণিক একটানা অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে মামলার ঘটনা সংশ্লিষ্ট আলামত, ভিকটিম ও সন্দেহ ভাজন হত্যাকারীর মোবাইল ফোন, সন্দেহ ভাজন আসামির বাড়ির পাশ থেকে তার গায়ের রক্তমাখা কাপড় উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
প্রাপ্ত আলামত ও মোবাইলে ফোনের সূত্র ধরে মামলার ঘটনায় জড়িত নরসিংদী সদর থানার ব্রাম্মনপাড়া এলাকার মোঃ আলি হোসেনের ছেলে রবিন (২৬) আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় মাধবদী থানাধীন মহিষাসুরা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেপ্তার এর পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদে রবিন মামলার ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং পূর্ব শত্রুতার কারণে পরিকল্পিত ভাবে ব্রাহ্মণপাড়া নিবাসী গুরুদাস এর বাড়ীর ছাদে নিয়ে সে একাই ধারালো ছুরি দিয়ে কামরুজ্জামানকে হত্যা করে পালিয়ে যায়।
চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের ১০/১২ ঘণ্টার মধ্যেই নরসিংদী থানা পুলিশ দ্রুত মামলার ঘটনার রহস্য উদঘাটনসহ একমাত্র ঘাতক রবিনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
আসামী রবিনের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে ঘটনাস্থলের বাড়ির পাশ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করা হয়। অদ্য আসামী রবিনকে বিজ্ঞ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে উপস্থাপন করলে আসামি রবিন মামলার ঘটনা তথা ভিকটিম কামরুজ্জামানকে সে নিজেই হত্যা করার বিষয়ে দোষ স্বীকারোক্তি মুলক জবানবন্দি প্রদান করে। বিজ্ঞ আদালত আসামীকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।