ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ফরিদপুরে ট্রিপল মার্ডারঃ ১০ ঘণ্টায় গ্রেফতার প্রধান আসামি, উদ্ধার কোদাল Logo ফরিদপুরে ‘শ্মশান বন্ধু’ কানু সেন অনেকটাই সুস্থ Logo বাঘায় সুষ্ঠ সুন্দর পরিবেশে প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিতঃ উপস্থিতির হারে বালিকা এগিয়ে Logo নরসিংদীর শিবপুরে ২৬ মামলার আসামিসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার Logo খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ইস্টার সানডে পালিত হবে আগামীকাল Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদক উদ্ধার Logo সকল রাজনৈক দল, ধর্ম, বর্ণ ও শ্রেণী পেশার মানুষের সেবা করতে বিএনপি সরকার ওয়াদাবদ্ধ Logo সেনবাগে কাওমী ও হাফেজিয়া মাদ্রাসায় ঈদ উপহার বিতরণ করলেন লায়ন শাহাদাত হোসেন Logo সিংড়ায় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ১০ Logo কুষ্টিয়ায় মাদক সেবনের টাকা না পেয়ে বসতঘরে আগুন
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

১৪ নভেম্বর চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের শুভ উদ্বোধন

কর্ণফুলীর তলদেশ দিয়ে টানেল উদ্বোধনের পর ১১ নভেম্বর উদ্বোধন হতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথ। যাতায়াত ব্যবস্থায় দুই মেগা প্রকল্পের উদ্বোধনের পর এবার চট্টগ্রাম শহরের ভেতরে ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে (লালখান বাজার থেকে টানেল পর্যন্ত) প্রকল্পের উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী ১৪ নভেম্বর প্রকল্পটি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তিনি উদ্বোধন করতে পারেন। গতকাল গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সমন্বয় সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়।

 

এবিষয়ে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ( উন্নয়ন অনুবিভাগ-১) সৈয়দ মাসুনুল আলম গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমকে বলেন,‘গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ১২টি প্রকল্প আগামী ১৪ নভেম্বর ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করবেন। এরমধ্যে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চট্টগ্রামের এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েসহ আরও দুটি প্রকল্প (বাকলিয়া এক্সেস রোড ও ডিটি-বায়েজীদ সংযোগ সড়ক), রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কিছু প্রকল্প, গণপূর্ত অধিদপ্তরের কিছু প্রকল্প রয়েছে।’

 

এদিকে চট্টগ্রামে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি। তারপরও ১৪ নভেম্বর উদ্বোধন করা যাবে কি না জানতে চাইলে প্রকল্পের পরিচালক মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘পতেঙ্গা টানেলের মুখ থেকে টাইগারপাস পর্যন্ত গাড়ি চলাচলের জন্য প্রস্তুত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। আর টাইগারপাস থেকে লালখান বাজার পর্যন্ত একটু সময় লাগবে। হয়তো এক থেকে দুই মাসের মধ্যে বাকি সব কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে।’ অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,‘পুরোদমে গাড়ি চলাচলের জন্য কবে নাগাদ খুলে দেয়া হবে তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।’

 

চট্টগ্রামের এই এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নিয়ে আলোচনা সমালোচনা কম হয়নি। ৪ হাজার ২৯৮ কোটি টাকায় লালখান বাজার থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত ১৬ দশমিক ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৮ সালের নভেম্বরে। তবে একনেকে অনুমোদন পেয়েছিল ২০১৭ সালের ১১ জুলাই। কিন্তু বন্দর অংশে বন্দর কর্তৃপক্ষের আপত্তি ও আগ্রাবাদ বক্স কালভার্ট এবং টাইগারপাসে রেলওয়ের মালিকানাধীন ভূমি জটিলতা ছিল, এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল নগরীর টাইগারপাস থেকে লালখান বাজার পর্যন্ত পাহাড়ের সৌন্দর্য রক্ষার আন্দোলন। এই অংশে ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হলে পাহাড়ের সৌন্দর্য বিনষ্ট হবে। পরবর্তীতে ৮ জুন ২০২১ সালে সিটি কর্পোরেশন, মেট্রোপলিটন পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগের সাথে সমন্বয় করে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে বাস্তবায়নকারী সংস্থা চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) নতুন এই নকশা নির্ধারণ করে। চার লেনের পরিবর্তে দুই লেনে নামিয়ে আনা হয়। তবে তারপরও একটি অংশ কিছু পাহাড় কাটা হয়েছে। এজন্য পাহাড়কে আবার ট্রিটমেন্টও করে দেয়া হয়েছে।

 

 

উল্লেখ্য, লালখান বাজার থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করা হলে মূলত; শাহ আমানত সেতু থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত এলিভেটেডের আওতায় চলে আসবে। শাহ আমানত সেতু থেকে বহদ্দারহাট পর্যন্ত সড়ক ও জনপথ ছয় লেনের একটি রোড নির্মাণ করেছে। এতে সড়কে বিরতিহীনভাবে গাড়ি চলাচল করতে পারে। আর সেই রোড দিয়ে বহদ্দারহাট ফ্লাইওভার দিয়ে আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারে যুক্ত রয়েছে। আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভার দিয়ে সরাসরি চলে যাওয়া যাবে পতেঙ্গা সৈকত হয়ে টানেল দিয়ে নদীর ওপারে কিংবা ঢাকামুখী আউটার রিং রোডে যুক্ত হওয়া যাবে।


প্রিন্ট
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রংপুরে ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে ৫ জন গ্রেফতার, গাঁজা উদ্ধার

error: Content is protected !!

১৪ নভেম্বর চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের শুভ উদ্বোধন

আপডেট টাইম : ০৯:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ নভেম্বর ২০২৩
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক :

কর্ণফুলীর তলদেশ দিয়ে টানেল উদ্বোধনের পর ১১ নভেম্বর উদ্বোধন হতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথ। যাতায়াত ব্যবস্থায় দুই মেগা প্রকল্পের উদ্বোধনের পর এবার চট্টগ্রাম শহরের ভেতরে ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে (লালখান বাজার থেকে টানেল পর্যন্ত) প্রকল্পের উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী ১৪ নভেম্বর প্রকল্পটি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তিনি উদ্বোধন করতে পারেন। গতকাল গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সমন্বয় সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়।

 

এবিষয়ে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ( উন্নয়ন অনুবিভাগ-১) সৈয়দ মাসুনুল আলম গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমকে বলেন,‘গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ১২টি প্রকল্প আগামী ১৪ নভেম্বর ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করবেন। এরমধ্যে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চট্টগ্রামের এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েসহ আরও দুটি প্রকল্প (বাকলিয়া এক্সেস রোড ও ডিটি-বায়েজীদ সংযোগ সড়ক), রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কিছু প্রকল্প, গণপূর্ত অধিদপ্তরের কিছু প্রকল্প রয়েছে।’

 

এদিকে চট্টগ্রামে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি। তারপরও ১৪ নভেম্বর উদ্বোধন করা যাবে কি না জানতে চাইলে প্রকল্পের পরিচালক মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘পতেঙ্গা টানেলের মুখ থেকে টাইগারপাস পর্যন্ত গাড়ি চলাচলের জন্য প্রস্তুত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। আর টাইগারপাস থেকে লালখান বাজার পর্যন্ত একটু সময় লাগবে। হয়তো এক থেকে দুই মাসের মধ্যে বাকি সব কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে।’ অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,‘পুরোদমে গাড়ি চলাচলের জন্য কবে নাগাদ খুলে দেয়া হবে তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।’

 

চট্টগ্রামের এই এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নিয়ে আলোচনা সমালোচনা কম হয়নি। ৪ হাজার ২৯৮ কোটি টাকায় লালখান বাজার থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত ১৬ দশমিক ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৮ সালের নভেম্বরে। তবে একনেকে অনুমোদন পেয়েছিল ২০১৭ সালের ১১ জুলাই। কিন্তু বন্দর অংশে বন্দর কর্তৃপক্ষের আপত্তি ও আগ্রাবাদ বক্স কালভার্ট এবং টাইগারপাসে রেলওয়ের মালিকানাধীন ভূমি জটিলতা ছিল, এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল নগরীর টাইগারপাস থেকে লালখান বাজার পর্যন্ত পাহাড়ের সৌন্দর্য রক্ষার আন্দোলন। এই অংশে ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হলে পাহাড়ের সৌন্দর্য বিনষ্ট হবে। পরবর্তীতে ৮ জুন ২০২১ সালে সিটি কর্পোরেশন, মেট্রোপলিটন পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগের সাথে সমন্বয় করে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে বাস্তবায়নকারী সংস্থা চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) নতুন এই নকশা নির্ধারণ করে। চার লেনের পরিবর্তে দুই লেনে নামিয়ে আনা হয়। তবে তারপরও একটি অংশ কিছু পাহাড় কাটা হয়েছে। এজন্য পাহাড়কে আবার ট্রিটমেন্টও করে দেয়া হয়েছে।

 

 

উল্লেখ্য, লালখান বাজার থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করা হলে মূলত; শাহ আমানত সেতু থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত এলিভেটেডের আওতায় চলে আসবে। শাহ আমানত সেতু থেকে বহদ্দারহাট পর্যন্ত সড়ক ও জনপথ ছয় লেনের একটি রোড নির্মাণ করেছে। এতে সড়কে বিরতিহীনভাবে গাড়ি চলাচল করতে পারে। আর সেই রোড দিয়ে বহদ্দারহাট ফ্লাইওভার দিয়ে আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারে যুক্ত রয়েছে। আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভার দিয়ে সরাসরি চলে যাওয়া যাবে পতেঙ্গা সৈকত হয়ে টানেল দিয়ে নদীর ওপারে কিংবা ঢাকামুখী আউটার রিং রোডে যুক্ত হওয়া যাবে।


প্রিন্ট