নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ মাছ ধরার অপরাধে কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে চারজনকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ছাড়া তাঁদের কাছ থেকে এক হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল ও প্রায় পাঁচ কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়।
আজ রোববার রাত ৮টার দিকে উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নের পদ্মানদীর খেয়াঘাট এলাকায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিতান কুমার মণ্ডল। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান ও থানা-পুলিশের বিভিন্ন সদস্য।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন পাবনা সদর থানার চর সাদিরাতপুর গ্রামের শামীম হোসেন, শাহিন আলী, জুয়েল হোসেন ও গনি মণ্ডল। পরে জব্দ করা জাল জনসম্মুখে আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয় এবং মাছ স্থানীয় এতিমখানায় সরবরাহ করা হয়েছে।
এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান। তিনি জানান, ১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম। এ সময় ইলিশ মাছ ধরা, কেনা, বেচা, পরিবহন ইত্যাদি নিষিদ্ধ। সেই লক্ষ্যে আজ বিকেল ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত কয়া, শিলাইদহ ও জগন্নাথপুর ইউনিয়নের পদ্মানদীতে অভিযান চালানো হয়।’
- আরও পড়ুনঃ কুষ্টিয়ায় ৩ দিন লালন মেলা
অভিযানে প্রায় পাঁচ কেজি ইলিশ মাছ ও প্রায় এক হাজার মিটার কারেন্ট জালসহ চারজনকে আটক করা হয় বলে জানান মাহমুদুল হাসান। তিনি বলেন, ‘এই ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে চারজনকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, জব্দ করা জাল আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট ও মাছগুলো স্থানীয় এতিমখানায় সরবরাহ করা হয়েছে।’
প্রিন্ট

ফরিদপুরে ট্রিপল মার্ডারঃ ১০ ঘণ্টায় গ্রেফতার প্রধান আসামি, উদ্ধার কোদাল 
ইসমাইল হোসেন বাবু, কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি 





















