ঢাকা , রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ফরিদপুরে ট্রিপল মার্ডারঃ ১০ ঘণ্টায় গ্রেফতার প্রধান আসামি, উদ্ধার কোদাল Logo ফরিদপুরে ‘শ্মশান বন্ধু’ কানু সেন অনেকটাই সুস্থ Logo বাঘায় সুষ্ঠ সুন্দর পরিবেশে প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিতঃ উপস্থিতির হারে বালিকা এগিয়ে Logo নরসিংদীর শিবপুরে ২৬ মামলার আসামিসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার Logo খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ইস্টার সানডে পালিত হবে আগামীকাল Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদক উদ্ধার Logo সকল রাজনৈক দল, ধর্ম, বর্ণ ও শ্রেণী পেশার মানুষের সেবা করতে বিএনপি সরকার ওয়াদাবদ্ধ Logo সেনবাগে কাওমী ও হাফেজিয়া মাদ্রাসায় ঈদ উপহার বিতরণ করলেন লায়ন শাহাদাত হোসেন Logo সিংড়ায় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ১০ Logo কুষ্টিয়ায় মাদক সেবনের টাকা না পেয়ে বসতঘরে আগুন
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

নারায়নপুর ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মর্তার খারিজের মূল্য বিশ হাজার টাকা!

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে ইউনিয়ন ভুমি উপ-সহকারী কর্মকর্মতার জমির নামজারীর রেট ২০ হাজার টাকা। টাকা না দিলে আবেদন বাতিল। শতশত অভিযোগ রয়েছে উপ-সহকারী ভুমি কর্মকর্মতার বিরুদ্ধে। উপজেলার নারায়নপুর ইউনিয়নের উপ-সহকারী ভূমি কর্মর্তা সাইদুল ইসলাম (তহশিলদার) নামজারী  বিশ হাজার টাকার নিচে হলে আবেদন জমা নেননা। শুধু তাই নয়, উক্ত তহশিলদারের স্বেচছাচারিতা ও ঘুষ বানিজ্যে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে ইউনিয়ন বাসী। সরকারী আইনের তোয়াক্কা না করে জমির খাজনা খারিজে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।
গ্রাহকগণ অফিসে এসে হয়রানির স্বীকার হচ্ছে। চাহিদা অনুযায়ী টাকা না পেলে কৃষককে অফিসে সারাদিন বসিয়ে রেখে শেষ বেলায় বলেন আগামী কাল আসেন। এ ভাবেই দিনের পর দিন ঘুরাইতে থাকে। ফলে বাধ্য হয়েই অনেকে দালালের মাধ্যমে কাজ করছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, সন্ধা ছয়টার পরে অফিস সহায়ক আব্দুর রাজ্জাককে বাসায় পাঠিয়ে দিয়ে দড়জা জানালা বন্ধকরে দিয়ে শুরু হয় দেন দরবার। চুক্তি মোতাবেক টাকা না দিলে ফাইলের কাগজের স্বল্পতা ও ভুল ধরে মাসের পর মাস তালবাহানা করেন।
নারায়নপুরের আব্দুল মজিদ বলেন, একটা খারিজের জন্য আমার কাছে বিশ হাজার টাকা চেয়েছে, টাকা কম হলে কাজ হবে না। টাকা জোগার করতে না পাড়ায় জমি খারিজ করতে পারি নাই। নুর ইসলাম বলেন, আমাদের তহশিদারের কাছে খারিজের জন্য গেলে টাকার বস্তা নিয়া যাওয়া লাগে, অল্প টাকায় কাজ হয় না। ওমর আলী বলেন, এক একর ৮৫শতাংশ জমির জন্য খাজনা দিতে আসছি, তহশিলদার পনের হাজার টাকা চেয়েছে, এত টাকা না থাকায় ঘুরে যাচ্ছি।
অপর একজন বলেন, দুই একর দশ শতাংশ জমির খাজনার টাকা আট হাজার টাকা চেয়েছে। আজকে এতগুলো টাকা না থাকায় ফেরত যাচ্ছি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন, আমার নিকট থেকে খাজনার মোট ১৫হাজার টাকা নিয়ে ৪হাজার একশত ৪১টাকার রশিদ দেয় তহশিলদার সাইফুল ইসলাম।
এ ব্যাপারে উক্ত ইউনিয়ন ভুমি উপ-সহকারী কর্মকর্মতার সাথে মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগ করেও পাওয়া যায়নি।
উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি (এসিল্যান্ড) এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন অভিযোগ থাকলে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

প্রিন্ট
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভোলাহাটে ২১শে পদকপ্রাপ্ত জিয়াউল হকের জীবন কাহিনী

error: Content is protected !!

নারায়নপুর ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মর্তার খারিজের মূল্য বিশ হাজার টাকা!

আপডেট টাইম : ০৯:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ জুলাই ২০২৩
জেলাল আহম্মদ রানা, নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি :
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে ইউনিয়ন ভুমি উপ-সহকারী কর্মকর্মতার জমির নামজারীর রেট ২০ হাজার টাকা। টাকা না দিলে আবেদন বাতিল। শতশত অভিযোগ রয়েছে উপ-সহকারী ভুমি কর্মকর্মতার বিরুদ্ধে। উপজেলার নারায়নপুর ইউনিয়নের উপ-সহকারী ভূমি কর্মর্তা সাইদুল ইসলাম (তহশিলদার) নামজারী  বিশ হাজার টাকার নিচে হলে আবেদন জমা নেননা। শুধু তাই নয়, উক্ত তহশিলদারের স্বেচছাচারিতা ও ঘুষ বানিজ্যে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে ইউনিয়ন বাসী। সরকারী আইনের তোয়াক্কা না করে জমির খাজনা খারিজে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।
গ্রাহকগণ অফিসে এসে হয়রানির স্বীকার হচ্ছে। চাহিদা অনুযায়ী টাকা না পেলে কৃষককে অফিসে সারাদিন বসিয়ে রেখে শেষ বেলায় বলেন আগামী কাল আসেন। এ ভাবেই দিনের পর দিন ঘুরাইতে থাকে। ফলে বাধ্য হয়েই অনেকে দালালের মাধ্যমে কাজ করছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, সন্ধা ছয়টার পরে অফিস সহায়ক আব্দুর রাজ্জাককে বাসায় পাঠিয়ে দিয়ে দড়জা জানালা বন্ধকরে দিয়ে শুরু হয় দেন দরবার। চুক্তি মোতাবেক টাকা না দিলে ফাইলের কাগজের স্বল্পতা ও ভুল ধরে মাসের পর মাস তালবাহানা করেন।
নারায়নপুরের আব্দুল মজিদ বলেন, একটা খারিজের জন্য আমার কাছে বিশ হাজার টাকা চেয়েছে, টাকা কম হলে কাজ হবে না। টাকা জোগার করতে না পাড়ায় জমি খারিজ করতে পারি নাই। নুর ইসলাম বলেন, আমাদের তহশিদারের কাছে খারিজের জন্য গেলে টাকার বস্তা নিয়া যাওয়া লাগে, অল্প টাকায় কাজ হয় না। ওমর আলী বলেন, এক একর ৮৫শতাংশ জমির জন্য খাজনা দিতে আসছি, তহশিলদার পনের হাজার টাকা চেয়েছে, এত টাকা না থাকায় ঘুরে যাচ্ছি।
অপর একজন বলেন, দুই একর দশ শতাংশ জমির খাজনার টাকা আট হাজার টাকা চেয়েছে। আজকে এতগুলো টাকা না থাকায় ফেরত যাচ্ছি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন, আমার নিকট থেকে খাজনার মোট ১৫হাজার টাকা নিয়ে ৪হাজার একশত ৪১টাকার রশিদ দেয় তহশিলদার সাইফুল ইসলাম।
এ ব্যাপারে উক্ত ইউনিয়ন ভুমি উপ-সহকারী কর্মকর্মতার সাথে মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগ করেও পাওয়া যায়নি।
উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি (এসিল্যান্ড) এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন অভিযোগ থাকলে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

প্রিন্ট