ঢাকা , শুক্রবার, ০১ মার্চ ২০২৪, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন।

ফরিদপুরের বিভিন্ন ফুটপাতে সবশ্রেণীর মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে শীতের গরম কাপড়

ফরিদপুরের বিভিন্ন ফুটপাতে সব শ্রেণীর মানুষদের জন্য বিক্রি হচ্ছে শীতের গরম কাপড়। আর দাম কম থাকায় অধিকাংশ লোকের পছন্দ ফুটপাতের গরম কাপড়ের দিকে।  এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে যারা গেছে শহরের মহাখালী পাঠশালার মোড়, বলাকা সুপার মার্কেটের সামনে, জনতা ব্যাংকের মোড়, ফরিদপুর জজ কোর্টের সামনে সবচাইতে বেশি বেচাকানো হচ্ছে।
এসব জিনিসপত্রের দাম একদিকে যেমন কম । তেমনি সাধারণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে বলে বেচাকানো হচ্ছে দেদারসে।
এ ব্যাপারে মজিবর নামে একজন দোকানী জানান তার কাছে সর্বনিম্ন ৩০ টাকা থেকে শুরু করে । ২০০০ টাকা দামের শীতের পোশাক  রয়েছে।
তিনি আরো জানেন অভিজাত দোকানগুলিতে শুধুমাত্র সমাজের বিত্তবানরা কিনতে পারেন। কিন্তু ফুটপাতে সকল ধরনের লোকজন শীতের পোশাক কিনছেন। একই সাথে দিনশেষে আমরা মোটামুটি ভালো বেচাকেনা করতে পারছি।
এ ব্যাপারে বেশ কয়েকজন  শিক্ষার্থী জানান তুলনামূলকভাবে দাম কমের কারণে আমরা ফুটপাতেই বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ি। এখানে মাত্র ২০০ টাকার মধ্যে যেই পোশাক টা পাওয়া যায় অভিজাত ও দোকান গুলিতে তা কেনার কথা  কল্পনাও করা যায় না।  যদিও শীতবস্ত্রের  দাম একটু কম  তা সত্ত্বেও  মালামাল গুলো মোটামুটি মানসম্মত।
এক্ষেত্রে বেচাকেনার শীর্ষ রয়েছে শিশুদের পোশাক এরপর মহিলাদের এবং বয়স্ক লোকদের। আর অল্প টাকা তে একটা মানসম্মত পোশাক পেয়ে অনেককে খুশি করে দেখা যাচ্ছে।
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ
error: Content is protected !!

ফরিদপুরের বিভিন্ন ফুটপাতে সবশ্রেণীর মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে শীতের গরম কাপড়

আপডেট টাইম : ০২:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৩
ফরিদপুরের বিভিন্ন ফুটপাতে সব শ্রেণীর মানুষদের জন্য বিক্রি হচ্ছে শীতের গরম কাপড়। আর দাম কম থাকায় অধিকাংশ লোকের পছন্দ ফুটপাতের গরম কাপড়ের দিকে।  এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে যারা গেছে শহরের মহাখালী পাঠশালার মোড়, বলাকা সুপার মার্কেটের সামনে, জনতা ব্যাংকের মোড়, ফরিদপুর জজ কোর্টের সামনে সবচাইতে বেশি বেচাকানো হচ্ছে।
এসব জিনিসপত্রের দাম একদিকে যেমন কম । তেমনি সাধারণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে বলে বেচাকানো হচ্ছে দেদারসে।
এ ব্যাপারে মজিবর নামে একজন দোকানী জানান তার কাছে সর্বনিম্ন ৩০ টাকা থেকে শুরু করে । ২০০০ টাকা দামের শীতের পোশাক  রয়েছে।
তিনি আরো জানেন অভিজাত দোকানগুলিতে শুধুমাত্র সমাজের বিত্তবানরা কিনতে পারেন। কিন্তু ফুটপাতে সকল ধরনের লোকজন শীতের পোশাক কিনছেন। একই সাথে দিনশেষে আমরা মোটামুটি ভালো বেচাকেনা করতে পারছি।
এ ব্যাপারে বেশ কয়েকজন  শিক্ষার্থী জানান তুলনামূলকভাবে দাম কমের কারণে আমরা ফুটপাতেই বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ি। এখানে মাত্র ২০০ টাকার মধ্যে যেই পোশাক টা পাওয়া যায় অভিজাত ও দোকান গুলিতে তা কেনার কথা  কল্পনাও করা যায় না।  যদিও শীতবস্ত্রের  দাম একটু কম  তা সত্ত্বেও  মালামাল গুলো মোটামুটি মানসম্মত।
এক্ষেত্রে বেচাকেনার শীর্ষ রয়েছে শিশুদের পোশাক এরপর মহিলাদের এবং বয়স্ক লোকদের। আর অল্প টাকা তে একটা মানসম্মত পোশাক পেয়ে অনেককে খুশি করে দেখা যাচ্ছে।