ঢাকা , সোমবার, ২৭ মার্চ ২০২৩, ১৩ চৈত্র ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সালথায় পাট সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় সভা দারিদ্র্য-ক্ষুধামুক্ত স্মার্ট ও সোনার বাংলা গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর দ্রুতই আঞ্চলিক নেতা হয়ে উঠছে বাংলাদেশঃ মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকে দেওয়া হলো বিশেষ সাহিত্য পুরস্কার সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার দৃপ্ত শপথ বাঘায় উপজেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন সংগঠনের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন খোকসায় যথাযোগ্য মর্যাদায় নানা আয়োজনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত র‍্যাব আটকের পর নারীর মৃত্যু বাংলাদেশ ছাত্রলীগের উদ্যোগে ‌ সেহরি ও ইফতার বিতরণ কর্মসূচি অব্যাহত ফরিদপুরে মহান “জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক নেতৃত্ব এবং দেশের উন্নয়ন'” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

বীর মুক্তিযোদ্ধার সহযোগীদের তালিকা করার কথা ভাবছে সরকার

১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা দেয়া ব্যক্তিদের তালিকা করার কথা ভাবছে সরকার। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার পর মুক্তিযোদ্ধার সহযোগীদের তালিকা করা যায় কিনা সেই বিষয়টি ভেবে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

সোমবার (১৮ জানুয়ারি) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ‘সেবা সপ্তাহ-২০২১’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা জানান। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সামনের সড়কে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আগামী ২৬ মার্চ বীর মুক্তিযোদ্ধার সহযোগীদের তালিকা করার কথা ভাবছে সরকার মার্চ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘ইতোমধ্যে বহু লোক (মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেতে আবেদন করা) যাচাই-বাছাইয়ে টেকেনি, হয়তো তারা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করেছিলেন। সংজ্ঞা অনুযায়ী তারা প্রকৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃত নন। আমাদের একটা পরিকল্পনা আছে- এগুলো (মুক্তিযোদ্ধাদের চূড়ান্ত তালিকা) শেষ হলে আমরা সহযোগী মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা করা যায় কিনা সেই বিষয়টি ভেবে দেখব।’

তিনি বলেন, ‘একই সঙ্গে ৩০ লাখ লোক শহীদ হয়েছেন, এর মধ্যে অনেকে আছেন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ বা অন্যান্যভাবে সেইসব তালিকা পূর্ণতা দেয়া যায় কিনা। একইভাবে আমরা সংসদে রাজাকারের তালিকা করার জন্য আইন করার চেষ্টা করছি। সব রকমের মানুষের দাবি, মানুষের জিজ্ঞাসা ও প্রশ্ন আছে বীর মুক্তিযোদ্ধার তালিকা চূড়ান্ত করার পর আমরা সেইসব ব্যাপারে আত্মনিয়োগ করব।’

‘সেই ব্যাপারেও কাজ চলছে, কিন্তু আইনানুগভাবে ও নীতিমালা তৈরি করে সেটার পূর্ণাঙ্গতা দেয়া হবে।’

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সকল সেবা ডিজিটাল পদ্ধতিতে দেয়া হচ্ছে। এ মন্ত্রণালয়ের সেবা সংক্রান্ত সকল তথ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে সন্নিবেশিত করা হয়েছে। পৃথিবীর যেকোনো প্রান্ত হতে এ মন্ত্রণালয়ের সেবার জন্য আবেদন করা যাবে।’

তিনি বলেন, ‘বীর মুক্তিযোদ্ধার সম্মানি ভাতা গভর্নমেন্ট-টু-পারসন (জি-টু-পি) পদ্ধতিতে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে মোবাইলে মেসেজের মাধ্যমে সরাসরি বীর মুক্তিযোদ্ধার অ্যাকাউন্টে দেয়া শুরু হয়েছে। এ পদ্ধতিতে সকল আনুষাঙ্গিক সারচার্জ সরকার বহন করবে। এজন্য বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রয়োজনীয় তথ্য ডাটাবেজ সফটওয়্যার ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমে (এমআইএস) অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ১৪ হাজার বাড়ি নির্মাণ করে দেয়া হবে বলেও জানান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী।

এ সময় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব তপন কান্তি ঘোষসহ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল এবং মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বীর মুক্তিযোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।

ভিডিওঃ https://youtu.be/R9bm7euo1x8

Tag :

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

সালথায় পাট সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় সভা

error: Content is protected !!

বীর মুক্তিযোদ্ধার সহযোগীদের তালিকা করার কথা ভাবছে সরকার

আপডেট টাইম : ০২:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২১

১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা দেয়া ব্যক্তিদের তালিকা করার কথা ভাবছে সরকার। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার পর মুক্তিযোদ্ধার সহযোগীদের তালিকা করা যায় কিনা সেই বিষয়টি ভেবে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

সোমবার (১৮ জানুয়ারি) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ‘সেবা সপ্তাহ-২০২১’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা জানান। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সামনের সড়কে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আগামী ২৬ মার্চ বীর মুক্তিযোদ্ধার সহযোগীদের তালিকা করার কথা ভাবছে সরকার মার্চ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘ইতোমধ্যে বহু লোক (মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেতে আবেদন করা) যাচাই-বাছাইয়ে টেকেনি, হয়তো তারা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করেছিলেন। সংজ্ঞা অনুযায়ী তারা প্রকৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃত নন। আমাদের একটা পরিকল্পনা আছে- এগুলো (মুক্তিযোদ্ধাদের চূড়ান্ত তালিকা) শেষ হলে আমরা সহযোগী মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা করা যায় কিনা সেই বিষয়টি ভেবে দেখব।’

তিনি বলেন, ‘একই সঙ্গে ৩০ লাখ লোক শহীদ হয়েছেন, এর মধ্যে অনেকে আছেন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ বা অন্যান্যভাবে সেইসব তালিকা পূর্ণতা দেয়া যায় কিনা। একইভাবে আমরা সংসদে রাজাকারের তালিকা করার জন্য আইন করার চেষ্টা করছি। সব রকমের মানুষের দাবি, মানুষের জিজ্ঞাসা ও প্রশ্ন আছে বীর মুক্তিযোদ্ধার তালিকা চূড়ান্ত করার পর আমরা সেইসব ব্যাপারে আত্মনিয়োগ করব।’

‘সেই ব্যাপারেও কাজ চলছে, কিন্তু আইনানুগভাবে ও নীতিমালা তৈরি করে সেটার পূর্ণাঙ্গতা দেয়া হবে।’

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সকল সেবা ডিজিটাল পদ্ধতিতে দেয়া হচ্ছে। এ মন্ত্রণালয়ের সেবা সংক্রান্ত সকল তথ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে সন্নিবেশিত করা হয়েছে। পৃথিবীর যেকোনো প্রান্ত হতে এ মন্ত্রণালয়ের সেবার জন্য আবেদন করা যাবে।’

তিনি বলেন, ‘বীর মুক্তিযোদ্ধার সম্মানি ভাতা গভর্নমেন্ট-টু-পারসন (জি-টু-পি) পদ্ধতিতে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে মোবাইলে মেসেজের মাধ্যমে সরাসরি বীর মুক্তিযোদ্ধার অ্যাকাউন্টে দেয়া শুরু হয়েছে। এ পদ্ধতিতে সকল আনুষাঙ্গিক সারচার্জ সরকার বহন করবে। এজন্য বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রয়োজনীয় তথ্য ডাটাবেজ সফটওয়্যার ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমে (এমআইএস) অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ১৪ হাজার বাড়ি নির্মাণ করে দেয়া হবে বলেও জানান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী।

এ সময় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব তপন কান্তি ঘোষসহ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল এবং মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বীর মুক্তিযোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।

ভিডিওঃ https://youtu.be/R9bm7euo1x8