আরমান হোসেনঃ
কাশিমপুর মেট্রো থানা এলাকায় পুলিশের তথাকথিত সোর্স হিসেবে পরিচিত লাল মিয়া পুলিশের ব্যবহৃত হাতকড়া হাতে নিয়ে প্রকাশ্যে বিচরণ করছেন এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার হাতকড়া নিয়ে একটি ছবি ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। লাল মিয়া কাশিমপুর থানাধীন কাজী মার্কেট একটি মাদক স্পট থেকে সাপ্তাহিক ১,০০০ টাকা করে চাঁদা আদায় করেন।
.
শুধু তাই নয় তিনি নিজেকে অনেক সময় পুলিশের এস আই হিসেবে পরিচয় দিয়ে এই অবৈধ কর্মকাণ্ড সহ বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ড চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পুলিশের ব্যবহৃত হাতকড়া তার হাতে থাকায় সাধারণ মানুষ তাকে পুলিশ কর্মকর্তা বলে ভুল করে এবং তিনি এই সুযোগে চাঁদাবাজি করেন ।
.
ইতিপূর্বেও কাশিমপুর থানাধীন একাধিক পুলিশ সোর্সের বিরুদ্ধে অনুরূপ অভিযোগ উঠলেও কাশিমপুর মেট্রো থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ নেননি বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।
.স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, এই ধরনের অনিয়ম বন্ধে পুলিশ প্রশাসনের জোরালো ভূমিকা প্রয়োজন । লাল মিয়ার হাতকড়া নিয়ে ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
.
নেটিজেনরা প্রশ্ন তুলেছেন, কীভাবে একজন পুলিশ সোর্স পুলিশের সরঞ্জাম ব্যবহার করে অবৈধ কর্মকাণ্ড চালাতে পারে এবং থানা প্রশাসন তা জানার পরও কেন নিষ্ক্রিয় থাকে । স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা দাবি করেছেন: লাল মিয়ার মতো সোর্সদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কাশিমপুর মেট্রো থানার ওসিকে এই অনিয়মের জন্য জবাবদিহি করতে হবে। পুলিশ সোর্স ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হোক ।
.এ বিষয়ে কাশিমপুর মেট্রো থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামানের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
.কাশিমপুর মেট্রো থানা এলাকায় পুলিশ সোর্স লাল মিয়ার চাঁদাবাজি ও হাতকড়া ব্যবহারের ঘটনা প্রশাসনের দুর্বলতা ও স্বচ্ছতার অভাবকে উন্মোচন করেছে। এই ধরনের অনিয়ম রোধে দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, অন্যথায় জনগণের মধ্যে পুলিশ প্রশাসনের প্রতি আস্থা আরও ক্ষুণ্ণ হতে পারে।
প্রিন্ট