ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত Logo ফরিদপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার Logo বিএনপি প্রার্থী স্বামীর জন্য ধানের শীষে ভোট চাইলেন চীনা স্ত্রী Logo আপনারা যাকে খুশি তাকে ভোট দেন, কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধীদের ভোট দেবেন না —ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল Logo সীমানা নির্ধারণ নিয়ে আদমদীঘিতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা Logo গোমস্তাপুরে ভারতীয় নাগরিক রণজিৎ মন্ডলকে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত দিল বিজিবি Logo রাজবাড়ী-২ আসনের ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী সাইয়েদ জামিল Logo ভোলাহাটে রেশম চাষের ব্যাপক চাহিদা Logo মাদারীপুরে পরকীয়ার অভিযোগঃ ঘুমন্ত স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলেন স্ত্রী, অভিযুক্ত আটক Logo ফরিদপুরের ভাটি কানাইপুরে ডাকাতি সংঘটিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

রাণীশংকৈলে পিআইওর ‘জমিদারি’ বনাম বিপন্ন জনপদঃ প্রশাসনের নীরবতা কি সম্মতির লক্ষণ?

জসীমউদ্দীন ইতিঃ

 

প্রজাতন্ত্রের একজন কর্মচারী যখন নিজেকে জনসেবকের বদলে ‘দণ্ডমুণ্ডের কর্তা’ ভাবতে শুরু করেন, তখন সেই জনপদের সাধারণ মানুষের জীবন যে কতটা দুর্বিষহ হয়ে ওঠে, তার জলজ্যান্ত প্রমাণ এখন ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা। স্থানীয় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) নূরুন্নবী সরকারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের পাহাড় কেবল ব্যক্তিগত অনিয়মের গল্প নয়, বরং এটি একটি গোটা প্রশাসনিক ব্যবস্থার রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে পড়া দুর্নীতির ক্ষত।

গত সোমবার উপজেলার সকল ইউপি সদস্যদের ব্যানারে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন এবং সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার ঘটনাপ্রবাহ আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে যে, ক্ষমতার দাপটে এখানে আইন ও নীতি নৈতিকতা কতটা অসহায়।

 

নূরুন্নবী সরকারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো কোনো সাধারণ বিচ্যুতি নয়। একজন সরকারি কর্মকর্তা কীভাবে একজন জনপ্রতিনিধিকে ‘সাড়ে তিন হাত মাটির নিচে পুঁতে ফেলার’ প্রকাশ্য হুমকি দিতে পারেন? এটি কি কেবল অপেশাদার আচরণ, নাকি চরম ধৃষ্টতা?

ইউপি সদস্য আক্কাশ আলীর অভিযোগ অনুযায়ী, বরাদ্দের কাজে উৎকোচ দিতে অস্বীকার করায় তাকে লাঞ্ছিত ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। যখন একজন নির্বাচিত প্রতিনিধিই নিরাপদ নন, তখন সাধারণ মানুষের অবস্থা সহজেই অনুমেয়।

 

সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, দুর্নীতির তথ্য ধামাচাপা দিতে গণমাধ্যমকর্মীদের কণ্ঠরোধ করার অপচেষ্টা। গত ৫ ফেব্রুয়ারি শীতবস্ত্র বিতরণে অনিয়ম এবং সিসি ক্যামেরা ক্রয়ের সরকারি অর্থ ব্যয়ের হিসাব জানতে চাওয়ার জেরে চারজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ‘চাঁদাবাজির’ মামলা করেছেন ওই পিআইও।

 

সাংবাদিক আব্দুল জব্বারের মতো মাঠপর্যায়ের কর্মীরা দাবি করেছেন, তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থেকেও মামলার আসামি হয়েছেন। তথ্যের অধিকার যখন মামলার ভয়ে কুঁকড়ে যায়, তখন বুঝতে হবে সেই দপ্তরে অনিয়মের অন্ধকার কত গভীর। জেলা পরিষদের ডাকবাংলোর কেয়ারটেকারকে পর্যন্ত মামলার আসামি করা হয়েছে স্রেফ ভাড়ার টাকা চাওয়ার অপরাধে। এটি ক্ষমতার অপব্যবহারের এক নিকৃষ্ট উদাহরণ।

 

অনুসন্ধানে দেখা যায়, নূরুন্নবী সরকারের এই বেপরোয়া আচরণের শেকড় অনেক গভীরে। ২০২০ সালে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে কর্মরত থাকাকালীন তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়েছিল এবং শাস্তি হিসেবে বেতন কমানো হয়েছিল। ২০১৯ সালে জুন ক্লোজিংয়ের সময় হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তাকে জিম্মি করে কয়েক কোটি টাকার বিলে স্বাক্ষর নেওয়ার মতো রোমহর্ষক অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

 

২০১৫ সাল থেকে দুদকসহ একাধিক মামলা ও বিভাগীয় শাস্তি পাওয়ার পরও তিনি বারবার কীভাবে বহাল তবিয়তে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উপজেলায় পদায়ন পাচ্ছেন, তা এক বিরাট রহস্য। তার এই ‘অজেয়’ হয়ে ওঠার পেছনে কোনো বিশেষ মহলের আশীর্বাদ কাজ করছে কি না, সেই প্রশ্ন আজ ঠাকুরগাঁওবাসীর মুখে মুখে।

 

আমরা দেখছি, রানীশংকৈল থানার ওসি বা উপজেলা প্রশাসন গতানুগতিক তদন্তের আশ্বাস দিচ্ছেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, যার অতীত রেকর্ড এতই কলঙ্কিত এবং যার বিরুদ্ধে দুর্নীতির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল, তাকে কেন তাৎক্ষণিক প্রত্যাহার বা ওএসডি করা হচ্ছে না?

তদন্তাধীন অবস্থায় তিনি স্বপদে বহাল থাকলে তথ্য ও প্রমাণ নষ্ট করার এবং সাক্ষীদের ভয় দেখানোর প্রবল আশঙ্কা থাকে। ইতিপূর্বেও তিনি বদলি ঠেকাতে উচ্চ আদালতে গিয়ে ব্যর্থ হয়েছিলেন, কিন্তু তার স্বভাবের পরিবর্তন হয়নি। ১৬ সেপ্টেম্বর রংপুরের আমলি আদালতে ১২ জন গণমাধ্যমকর্মী ও মানবাধিকারকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করে তিনি প্রমাণ করেছেন যে, তিনি কাউকেই পরোয়া করেন না।

 

আমরা মনে করি, শুধু বদলি বা লোকদেখানো তদন্ত এই সংকটের স্থায়ী সমাধান নয়। নূরুন্নবী সরকারের মতো কর্মকর্তারা প্রশাসনের ভাবমূর্তিকে ধূলিসাৎ করছেন। যদি অবিলম্বে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া না হয়, তবে সাধারণ মানুষের মাঝে সরকারের স্বচ্ছতা নিয়ে ভুল বার্তা যাবে। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক মামলা দ্রুত প্রত্যাহার করতে হবে। জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে মনে রাখতে হবে, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা জনগণের সেবক, মালিক নন।

রাণীশংকৈলের এই ‘জমিদারি’ প্রথা বন্ধ হওয়া এখন সময়ের দাবি। বিচারহীনতার এই সংস্কৃতি যদি বজায় থাকে, তবে আগামীর সুশাসন কেবল কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ থাকবে। আমরা আশা করি, প্রশাসন জেগে উঠবে এবং একজন বিতর্কিত কর্মকর্তার হাত থেকে উপজেলাবাসীকে মুক্তি দেবে।


প্রিন্ট
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ-কে ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন; বাজুস

error: Content is protected !!

রাণীশংকৈলে পিআইওর ‘জমিদারি’ বনাম বিপন্ন জনপদঃ প্রশাসনের নীরবতা কি সম্মতির লক্ষণ?

আপডেট টাইম : ০২:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
জসীমউদ্দীন ইতি, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি :

জসীমউদ্দীন ইতিঃ

 

প্রজাতন্ত্রের একজন কর্মচারী যখন নিজেকে জনসেবকের বদলে ‘দণ্ডমুণ্ডের কর্তা’ ভাবতে শুরু করেন, তখন সেই জনপদের সাধারণ মানুষের জীবন যে কতটা দুর্বিষহ হয়ে ওঠে, তার জলজ্যান্ত প্রমাণ এখন ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা। স্থানীয় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) নূরুন্নবী সরকারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের পাহাড় কেবল ব্যক্তিগত অনিয়মের গল্প নয়, বরং এটি একটি গোটা প্রশাসনিক ব্যবস্থার রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে পড়া দুর্নীতির ক্ষত।

গত সোমবার উপজেলার সকল ইউপি সদস্যদের ব্যানারে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন এবং সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার ঘটনাপ্রবাহ আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে যে, ক্ষমতার দাপটে এখানে আইন ও নীতি নৈতিকতা কতটা অসহায়।

 

নূরুন্নবী সরকারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো কোনো সাধারণ বিচ্যুতি নয়। একজন সরকারি কর্মকর্তা কীভাবে একজন জনপ্রতিনিধিকে ‘সাড়ে তিন হাত মাটির নিচে পুঁতে ফেলার’ প্রকাশ্য হুমকি দিতে পারেন? এটি কি কেবল অপেশাদার আচরণ, নাকি চরম ধৃষ্টতা?

ইউপি সদস্য আক্কাশ আলীর অভিযোগ অনুযায়ী, বরাদ্দের কাজে উৎকোচ দিতে অস্বীকার করায় তাকে লাঞ্ছিত ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। যখন একজন নির্বাচিত প্রতিনিধিই নিরাপদ নন, তখন সাধারণ মানুষের অবস্থা সহজেই অনুমেয়।

 

সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, দুর্নীতির তথ্য ধামাচাপা দিতে গণমাধ্যমকর্মীদের কণ্ঠরোধ করার অপচেষ্টা। গত ৫ ফেব্রুয়ারি শীতবস্ত্র বিতরণে অনিয়ম এবং সিসি ক্যামেরা ক্রয়ের সরকারি অর্থ ব্যয়ের হিসাব জানতে চাওয়ার জেরে চারজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ‘চাঁদাবাজির’ মামলা করেছেন ওই পিআইও।

 

সাংবাদিক আব্দুল জব্বারের মতো মাঠপর্যায়ের কর্মীরা দাবি করেছেন, তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থেকেও মামলার আসামি হয়েছেন। তথ্যের অধিকার যখন মামলার ভয়ে কুঁকড়ে যায়, তখন বুঝতে হবে সেই দপ্তরে অনিয়মের অন্ধকার কত গভীর। জেলা পরিষদের ডাকবাংলোর কেয়ারটেকারকে পর্যন্ত মামলার আসামি করা হয়েছে স্রেফ ভাড়ার টাকা চাওয়ার অপরাধে। এটি ক্ষমতার অপব্যবহারের এক নিকৃষ্ট উদাহরণ।

 

অনুসন্ধানে দেখা যায়, নূরুন্নবী সরকারের এই বেপরোয়া আচরণের শেকড় অনেক গভীরে। ২০২০ সালে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে কর্মরত থাকাকালীন তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়েছিল এবং শাস্তি হিসেবে বেতন কমানো হয়েছিল। ২০১৯ সালে জুন ক্লোজিংয়ের সময় হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তাকে জিম্মি করে কয়েক কোটি টাকার বিলে স্বাক্ষর নেওয়ার মতো রোমহর্ষক অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

 

২০১৫ সাল থেকে দুদকসহ একাধিক মামলা ও বিভাগীয় শাস্তি পাওয়ার পরও তিনি বারবার কীভাবে বহাল তবিয়তে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উপজেলায় পদায়ন পাচ্ছেন, তা এক বিরাট রহস্য। তার এই ‘অজেয়’ হয়ে ওঠার পেছনে কোনো বিশেষ মহলের আশীর্বাদ কাজ করছে কি না, সেই প্রশ্ন আজ ঠাকুরগাঁওবাসীর মুখে মুখে।

 

আমরা দেখছি, রানীশংকৈল থানার ওসি বা উপজেলা প্রশাসন গতানুগতিক তদন্তের আশ্বাস দিচ্ছেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, যার অতীত রেকর্ড এতই কলঙ্কিত এবং যার বিরুদ্ধে দুর্নীতির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল, তাকে কেন তাৎক্ষণিক প্রত্যাহার বা ওএসডি করা হচ্ছে না?

তদন্তাধীন অবস্থায় তিনি স্বপদে বহাল থাকলে তথ্য ও প্রমাণ নষ্ট করার এবং সাক্ষীদের ভয় দেখানোর প্রবল আশঙ্কা থাকে। ইতিপূর্বেও তিনি বদলি ঠেকাতে উচ্চ আদালতে গিয়ে ব্যর্থ হয়েছিলেন, কিন্তু তার স্বভাবের পরিবর্তন হয়নি। ১৬ সেপ্টেম্বর রংপুরের আমলি আদালতে ১২ জন গণমাধ্যমকর্মী ও মানবাধিকারকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করে তিনি প্রমাণ করেছেন যে, তিনি কাউকেই পরোয়া করেন না।

 

আমরা মনে করি, শুধু বদলি বা লোকদেখানো তদন্ত এই সংকটের স্থায়ী সমাধান নয়। নূরুন্নবী সরকারের মতো কর্মকর্তারা প্রশাসনের ভাবমূর্তিকে ধূলিসাৎ করছেন। যদি অবিলম্বে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া না হয়, তবে সাধারণ মানুষের মাঝে সরকারের স্বচ্ছতা নিয়ে ভুল বার্তা যাবে। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক মামলা দ্রুত প্রত্যাহার করতে হবে। জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে মনে রাখতে হবে, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা জনগণের সেবক, মালিক নন।

রাণীশংকৈলের এই ‘জমিদারি’ প্রথা বন্ধ হওয়া এখন সময়ের দাবি। বিচারহীনতার এই সংস্কৃতি যদি বজায় থাকে, তবে আগামীর সুশাসন কেবল কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ থাকবে। আমরা আশা করি, প্রশাসন জেগে উঠবে এবং একজন বিতর্কিত কর্মকর্তার হাত থেকে উপজেলাবাসীকে মুক্তি দেবে।


প্রিন্ট