ঢাকা , রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

সদরপুরে কলেজের চেয়ে মাদ্রাসায় এইচএসসির পাসের হার বেশি

সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফলে ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় কলেজের তুলনায় মাদ্রাসাগুলোতে পাসের হার বেশি দেখা গেছে। শনিবার সকাল ১১টায় প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে উপজেলার দুটি কলেজ ও তিনটি মাদ্রাসার মধ্যে সবচেয়ে কম পাসের হার পাওয়া গেছে সদরপুর মহিলা কলেজে। অন্যদিকে সর্বোচ্চ পাসের হার চরবন্দরখোলা ফাজিল মাদ্রাসায়।

প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, সদরপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজ থেকে এ বছর ৭০১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছে ২৯১ জন। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৪১ দশমিক ৫১ শতাংশ। অপরদিকে সদরপুর মহিলা কলেজে ৪৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে মাত্র ১০ জন। এ কলেজের পাসের হার ২১ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

অন্যদিকে উপজেলার তিনটি মাদ্রাসার ফলাফল তুলনামূলক ভালো। চরবন্দরখোলা ফাজিল মাদ্রাসায় ১২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১১ জন। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৯১ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

বিশ্ব জাকের মঞ্জিল আলিয়া কামিল মাদ্রাসায় ২৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ২১ জন। এ প্রতিষ্ঠানের পাসের হার ৮৪ শতাংশ। চন্দ্রপাড়া সুলতানিয়া মাদ্রাসায় ১৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১৩ জন। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৭২ দশমিক ২২ শতাংশ। ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা গেছে, উপজেলার তিনটি মাদ্রাসার পাসের হার ৭২ থেকে ৯২ শতাংশের মধ্যে থাকলেও দুটি কলেজের পাসের হার ২২ থেকে ৪২ শতাংশের মধ্যে।

বিশেষ করে সদরপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজে অর্ধেকেরও কম পরীক্ষার্থী পাস করায় প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার মান ও ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কলেজ দুটির ফলাফল তুলনামূলক খারাপ হওয়ার পেছনে কী কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে। শিক্ষার মানোন্নয়নে কলেজ কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনে যুক্ত করা যেতে পারে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Ishtiaque Ahmed

জনপ্রিয় সংবাদ

সিরিজ হেরে ওয়ার্নারের কাঠগড়ায় অস্ট্রেলিয়া

error: Content is protected !!

সদরপুরে কলেজের চেয়ে মাদ্রাসায় এইচএসসির পাসের হার বেশি

আপডেট টাইম : এক ঘন্টা আগে
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : :

সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফলে ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় কলেজের তুলনায় মাদ্রাসাগুলোতে পাসের হার বেশি দেখা গেছে। শনিবার সকাল ১১টায় প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে উপজেলার দুটি কলেজ ও তিনটি মাদ্রাসার মধ্যে সবচেয়ে কম পাসের হার পাওয়া গেছে সদরপুর মহিলা কলেজে। অন্যদিকে সর্বোচ্চ পাসের হার চরবন্দরখোলা ফাজিল মাদ্রাসায়।

প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, সদরপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজ থেকে এ বছর ৭০১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছে ২৯১ জন। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৪১ দশমিক ৫১ শতাংশ। অপরদিকে সদরপুর মহিলা কলেজে ৪৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে মাত্র ১০ জন। এ কলেজের পাসের হার ২১ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

অন্যদিকে উপজেলার তিনটি মাদ্রাসার ফলাফল তুলনামূলক ভালো। চরবন্দরখোলা ফাজিল মাদ্রাসায় ১২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১১ জন। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৯১ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

বিশ্ব জাকের মঞ্জিল আলিয়া কামিল মাদ্রাসায় ২৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ২১ জন। এ প্রতিষ্ঠানের পাসের হার ৮৪ শতাংশ। চন্দ্রপাড়া সুলতানিয়া মাদ্রাসায় ১৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১৩ জন। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৭২ দশমিক ২২ শতাংশ। ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা গেছে, উপজেলার তিনটি মাদ্রাসার পাসের হার ৭২ থেকে ৯২ শতাংশের মধ্যে থাকলেও দুটি কলেজের পাসের হার ২২ থেকে ৪২ শতাংশের মধ্যে।

বিশেষ করে সদরপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজে অর্ধেকেরও কম পরীক্ষার্থী পাস করায় প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার মান ও ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কলেজ দুটির ফলাফল তুলনামূলক খারাপ হওয়ার পেছনে কী কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে। শিক্ষার মানোন্নয়নে কলেজ কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনে যুক্ত করা যেতে পারে।