উদর পিন্ডি বুড়োর ঘাড়ে ! একে তো স্বামীকে কারাগারে পাঠালো তারপরে ফসলী জমির ধান ফসল উপড়ে ফেললো, যে কারনে কান্না থামছেনা গীতা রানী বালার।
প্রতিবাদে ব্যাথিত হয়ে আজ সকালে ধানক্ষেতেই এলাকাবাসীর মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ঘটনাটি ঘটেছে নড়াইল সদর উপজেলার আওড়িয়া ইউনিয়নের মুলদাইড় গ্রামে।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, মুলদাইড় গ্রামের মোঃ শহিদুল ইসলাম, সুরুচি রায়, বাসন্তী রানী, রেখা রানী বালা, প্রত্যশী বালা প্রমূখ।
বক্তারা বলেন, মুলদাইড় গ্রামের মৃৃত সুরেন বালার ছেলে শুনিল বালা অসহায় বর্গাচাষী। পরের জমি চাষ করে সংসার চলে তার। দিন আনে দিন খায় দীন মজুর
প্রকৃতির লোক। সে তালতলা গ্রামের জাহিদ মুন্সীর মুলদাইড় মাঠের ১৮ শতক জমিতে বোলাকে ইরিধান আবাদ করেছে এবংং ফসল ও ভালো হয়েছে ।
কিন্ত গতকাল তালতলা গ্রামের মাওলানা গোলাম মোস্তফার নেতৃত্বে একদল লোক এসে সেই ধান ফসল উপড়ে ফেলে ক্ষতি করে।
আরো বলেন, এই জমি বর্গাচাষ করার অপরাধে গত বুধবার রাত দেড়টার দিকে পুলিশ এসে থানায় কথা বলার কথা বলে নিয়ে যেয়ে কোর্টে চালান করে। যে কারনে গীতা বালা সন্তান নিয়ে হতাশ হয়ে পড়ে আতঙ্কে কান্নাকাটি করছে। তাই আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং অবিলম্বে শুষ্ঠু সমাধান চাই।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাওলানা গোলাম মোস্তফা বলেন,এটা আমার জমি এবং এ জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলছে শুনিল বালা ও ডাবলু জবর দখল করে খাচ্ছিল। তাই আমি আ্ইনের আশ্রয় নিয়েছি। সেজন্য পুলিশ শুনিল বালাকে ধরে নিয়ে গেছে। এবং আমি থানা পুলিশকে জানিয়েই আমার জমি পরিস্কার করেছি।
এ বিষয়ে জাহিদ মুন্সি বলেন, মাওলানা গোলাম মোস্তফা আমার চাচাতো চাচা। অনুমান ৩৬ বছর পূর্বে আমার পিতার মৃত্যুর পর হতে যোগসাজশে জোর পূর্বক আমার পিতার জায়গা জমি ভোগ দখল করে আসছিল।

আমি ২০০১ সালে কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে বিদেশ (কুয়েত) চলে যাই। আমি কুয়েতে থাকাকালীন সদর থানাধীন ১৩৭ নং তালতলা মৌজার খতিয়ান নং- ৮৫ এর সাবেক দাগ নং- ৪৪ এর অধীনে ১৮ শতাংশ ধানী জমি জোর পূর্বক ভোগ দখল করতে থাকে।
আমি ২০১৫ সালে বাড়ীতে আসার পর আমি আমার জমি ভোগ দখল করতে থাকি । এরপর থেকে আমার চাচা উক্ত জমি জোর পূর্বক ভোগ দখল করার জন্য আমাকে খুন জখম করার জন্য ষড়যন্ত্র করতে থাকে। যার কারনে আমি জমিটি সুনীল বালাকে বর্গা দেই। শুনিল বালা জমিতে অনুমান ০২মাস পূর্বে ইরি ধান বপন করে।
১২/০৩/২০২১ তারিখ সকাল অনুমান ১০.০০ ঘটিকায় বেআইনী ভাবে হাতে লাঠি সোটা সহ আমার জমিতে অনধিকার প্রবেশ করে জমিতে থাকা ধান উপড়ে ফেলে অনুমান ২৫,০০০/- টাকার ক্ষতি সাধন করে।
এ ব্যাপারে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ইলিয়াস হোসেন বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েিেছ এবং এসআই শোভনকে ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য দায়িত্ব
দেওয়া হয়েছে। এবং শুনিল বালার জামিনের জন্য সহযোগিতা করা হবে।
প্রিন্ট

বাঘায় সুষ্ঠ সুন্দর পরিবেশে প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিতঃ উপস্থিতির হারে বালিকা এগিয়ে 
খন্দকার সাইফুল্লা আল মাহমুদ, নড়াইল প্রতিনিধিঃ 


















