1. somoyerprotyasha@gmail.com : admi2019 :
  2. letusikder@gmail.com : Litu Sikder : Litu Sikder
  3. mokterreporter@gmail.com : Mokter Hossain : Mokter Hossain
  4. tussharpress@gmail.com : Tusshar Bhattacharjee : Tusshar Bhattacharjee
ঝিনাইদহ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ মালামাল সরবরাহ না করেই সরকারী টাকা আত্মসাত! - দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা ডটকম
শুক্রবার, ২১ জানুয়ারী ২০২২, ১১:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঝিনাইদহে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে অভিভাবকদের সাথে সংলাপ অনুষ্ঠিত নিখোঁজের ৫ দিন পর ঝিনাইদহে পুকুর থেকে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার, হত্যা নাকি আত্মহত্যা! মহম্মদপুরে ছিনতাইয়ের কবলে পড়ে গুরত্বর আহত ফিড ব্যবসায়ী ফরিদপুরে পৌর মেয়র এর শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠিত  ফরিদপুরে  বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও যুব মজলিসের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত পাংশা পৌরসভার মধ্যে ওএমএস’র বিশেষ কার্যক্রম শুরু ঘাতক স্বামী রুবেল সরদারকে জেলহাজতে প্রেরণ চরভদ্রাসনে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ২মন জাটকা জব্দ সদরপুরে সংখ্যালঘু পরিবারের জমি দখল ও মাটি কাটায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে জরিমানা ফরিদপুরে অসহায় ও দুস্থ মানুষের মধ্যে কম্বল বিতরণ করেছে ২০ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ

ঝিনাইদহ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ মালামাল সরবরাহ না করেই সরকারী টাকা আত্মসাত!

জাহিদুর রহমান তারিক, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৭ জুন, ২০২১
  • ৫০ বার পঠিত

ঝিনাইদহ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজে প্রতি বছর ভুয়া চাহিদা পত্র দেখিয়ে দুর্নীতির মাধ্যমে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে।টেন্ডার হওয়ার পরে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে নগদ টাকা গ্রহণ করা হয় ফেরত দেওয়া আইটেম বাবদ। এভাবেই চলে আসছে কয়েক বছর।

২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে টেন্ডার আইডিঃ ২৮৬২৭১। এই বছরে ইজিপি থেকে সরবরাহের কাজ পায় ইউনিভার্সাল পাওয়ার টেক এন্ড ইঞ্জিয়ারিং লি.। টেন্ডার পত্র অনুযায়ী ৯টি আইটেম প্রতিষ্ঠানের কমিটি কর্তৃক অপছন্দ হওয়ায় ফেরত দেওয়া হয়। এর মধ্যে আইটেম নং ১০৫ কিউব ফার্টিলাইজার অ্যাপি¬কেটর ছিল ১০টি যার প্রতিটির দাম ৫৮০০ টাকা,আইটেম নং ১৪০ এ ছিল ২ ইন্সির ১০ মিলি পুরু এসএসপাইপ। যা সারা বাংলাদেশে কোথাও তৈরি হয়না। এই আইটেমের মূল্য ছিল ৫৯০০০ টাকা। এই রকম করে আইটেম নং ৬,৭,৮,১২.১৩,১৪১ ও ১৪২ নং আইটেমের পণ্য ফিরিয়ে দেওয়া হয় সরবরাহকৃত কোম্পানির কাছে।

ফিরিয়ে দেওয়া মোট ৯টি আইটেমের মোট মূল্য ছিল  ২ লাখ ২৭ হাজার ৯০০ টাকা। বগুড়ার একটি কারখানায় কমিটির কথা হয়েছে সেখান মাল নেবে এই কথা বলে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এই ২ লাখ ২৭ হাজার ৯০০ টাকা নিয়ে নেন টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের ক্রাফট ইন্সট্রাক্টর(সপ) লুতফর রহমান,সহকারী স্টোর কিপার মোয়াজ্জেম হোসেন ও জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ফার্ম) জাহিদুল ইসলাম।

এর মধ্যে ২য় মেয়াদের বিভিন্ন নাম্বারে বিকাশে ৬৮ হাজার, নগদ ১ লাখ ও পূবালী ব্যাংকের একাউন্ট  ১২৭২১০১০২৫৬৩৯ এ ৫০ হাজার টাকা নেন তারা। ব্যাংকে খোঁজ নিয়ে জানাগেছে এই একাউন্টটি লুৎফর রহমানের। এই বিষয়ে সত্যতা স্বীকার করে ইউনিভার্সাল পাওয়ার টেক এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এর ম্যানেজার মোঃ সাদ্দাম হোসেন জানান, আমরা সকল আইটেম বাজারের সেরাটাই দিয়েছিলাম। কিন্তু কিউব ফার্টিলাইজার অ্যাপি¬কেটর ম্যানুয়াল তারা বগুড়ার একটি কারখানা থেকে নেবেন বলে আমাদের জানান।

এ কারণে আমাদের নিয়ে যাওয়া অ্যাপি¬কেটর ফেরত দেন। এছাড়া যে এসএসপাইপের কথা বলেন তা বাংলাদেশে তৈরি হয়না। আমরা বাজারের ২ ইন্সির সর্বোচ্চ পুরু পাইপ নিয়ে গেলেও তারা ফেরত দিয়ে দেন। সেই বাবদে নগদ টাকা চান।আমরা ৩ মেয়াদে নগদ,ব্যাংক একাউন্টে ও বিকাশ একাউন্টে ২ লাখ ২৭ হাজার ৯০০ টাকা দিয়েছি। ঠিক একইভাবে ২০২০-২১ অর্থবছরেও টেন্ডার আইডি ৫৬৪৬১১ থেকে ২২টি আইটেম বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে গ্রহণ করেননি ।

যার মূল্য ৩ লাখের বেশি বলে জানিয়েছে কমল ট্রেড ইন্টার ন্যাশনালের কর্মচারীরা। এই বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যক্ষ খলিলুর রহমান বলেন, এই বিষয়ে কমিটি করা হয় প্রতিবছর। তারা মাল বুঝে নিয়ে স্টোরে ঢুকান। কোন সমস্য হলে কমিটির লোক জবাব দেবে।

২০১৮-১৯ অর্থবছরে এই অনিয়ম দুর্নীতি বিষয়ে লুতফর রহমান বলেন, আমি গত ২ বছরের কমিটিতে নেই। ২০১৮-১৯ সালের কমিটিতে ছিলাম। কিছু অনিয়ম হয়েছে আমি স্বীকার করছি। তবে এই বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করতে চাইলে ২ দিন সময় চান লুতফর রহমান।

সহকারী স্টোর কিপার মোয়াজ্জেম হোসেনকে ফোন দিলে তার স্ত্রী ফোন রিসিভ করে বলেন,তার স্বামী অসুস্থ, ঘুমাচ্ছে। ঘুম থেকে উঠলে আপনার কথা বলবো। এদিকে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে টেন্ডার আইডি ২৮৬২৭১এর বাদ দেওয়া আইটেম গুলি আর ক্রয় করে স্টোরে জমা দিয়েছেন এমন কোন প্রমাণ সাংবাদিকদের কাছে দেখাতে পারেন নি লুতফর রহমান,মোয়াজ্জেম হোসেন ও জাহিদুল ইসলাম।

সচেতন মহল প্রশ্ন তুলেছেন অধ্যক্ষ এই অনিয়মে জড়িত না থাকলে এজি থেকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আইটেম না দিয়েই কিভাবে টাকা তুলতে পারেন? যেই আইটেমের প্রয়োজন নেই সেটি চাহিদা পত্রে দিয়ে সরকারের টাকা তসরুপ করার একটা প্রকৃয়া মাত্র। এই অনিয়ম দুর্নীতির সঠিক তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান সচেতন মহল। উল্লেখ্য এর আগের অধ্যক্ষ অনিয়ম দুর্নীতির দায় মাথায় নিয়েই এই প্রতিষ্ঠান থেকে বিদায় নেন।

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

 

 

Copyright August, 2020-2022 @ somoyerprotyasha.com
Website Hosted by: Bdwebs.com
themesbazarsomoyerpr1
error: Content is protected !!