মোঃ আমিন হোসেন : বিভাগীয় শহর বরিশালে এই প্রথমবারের মত যাত্রী নিয়ে পরীক্ষামূলক ভাবে যাত্রা শুরু করলো আধুনিক মানের লাক্সারিয়াস গ্রিন লাইন পরিবহনের ডাবল ডেকার দোতলা বাস। বরিশাল বিভাগের পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত প্রধান পর্যটন এলাকা সাগর কন্যা কুয়াকাটা এজন্য,বরিশালে প্রতিদিনই ভ্রমণ করতে আসে অসংখ্য পর্যটক। আর এই পর্যটকদের আধুনিক মানের যাত্রী সেবা দিতে জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছে পরিবহন ব্যবসায়ীরাও।
রবিবার (২১ জানুয়ারি ) সকালে ১৯ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকা-বরিশাল সড়কে আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত বিলাসবহুল গ্রিন লাইন পরিবহনের এক’টি ডাবল ডেকার (দোতলা বাস) ঢাকা রাজারবাগের প্রধান কাউন্টার থেকে বরিশালের পথে যাত্রা শুরু করে।
বরিশাল গ্রিন লাইন পরিবহনের বিভাগীয় ইনচার্জ মো.বাদশা সরদার জানান, ৪০ আসনের আরামদায়ক বাসের নিচতলায় থাকছে ৮ টি আসন এবং দ্বিতীয়তলায় বাকি ৩২ আসন। পরীক্ষামূলক এই যাত্রায় সফলভাবে যাতায়াত করতে পারলে বরিশালে ভ্রমণের জন্য এই দোতলা লাক্সারিয়াস বাস গুলো ঢাকা-বরিশাল রুটে নিয়মতি চলাচল করে যাত্রীসেবায় নিয়োজিত থাকবে।

উল্লেখ্য, ১৯৯০ সালে গ্রিনলাইন পরিবহন বাংলাদেশে হিনো এসি বাসের মাধ্যমে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে যাত্রা শুরু করে। এরপর কক্সবাজার, বেনাপোল, রংপুর, রাজশাহী, সিলেট, খুলনা ও বরিশাল রুটে উন্নত যাত্রীসেবা নিয়ে আসে গ্রিনলাইন।২০০৩ সালে ভলভো, ২০০৫ সালে স্ক্যানিয়ার বিলাসবহুল এসি বাস আমদানি এবং ২০১৩ সাল থেকে দূরপাল্লার যাত্রীদের আরামদায়ক ভ্রমণের জন্য স্লিপার কোচে যাত্রীসেবা শুরু করে গ্রিনলাইন পরিবহন।
এছাড়াও দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কথা বিবেচনা করে ২০১৪ সাল থেকে গ্রিনলাইন ওয়াটার ওয়েজ নৌ-পথে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সি সার্ভে ক্লাস্ড এয়ার কন্ডিশন ফাইভার ক্যাটামেরান প্যাসেঞ্জার ভেসেল এমভি গ্রিনলাইন-১ টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটে যাত্রীসেবা দিয়ে যাচ্ছে।
এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৫ সালে ৬শ’ আসন বিশিষ্ট অপর দু’টি এয়ারকন্ডিশন ক্যাটামেরান প্যাসেঞ্জার ভেসেল এমভি গ্রিনলাইন-২ ও এমভি গ্রিনলাইন-৩ ঢাকা-বরিশাল রুটে যাত্রীসেবায় যোগ হয়।
প্রিন্ট