ঢাকা , রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন।

পাঁচ প্রকল্পে ১১৮ কোটি ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক

শৈশব বিকাশ, মাধ্যমিক শিক্ষা, নদীতীর সুরক্ষা ও নাব্যতা, শহুরে প্রাথমিক স্বাস্থ্য এবং গ্যাস বিতরণের দক্ষতাবিষয়ক পাঁচটি প্রকল্পে প্রায় ১১৮ কোটি ডলার ঋণ দেবে বিশ্বব্যাংক। গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে এ সংক্রান্ত ঋণচুক্তি সই হয়েছে।

চুক্তিতে সই করেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব শরিফা খান ও বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদুলায়ে সেক। পাঁচ প্রকল্পে ১১৮ দশমিক ৮ কোটি মার্কিন ডলার দেওয়া হবে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১২ হাজার ৩৮৮ কোটি টাকা।

বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর বলেন, দারিদ্র্যমুক্ত করতে বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের পাশে থাকবে। বাংলাদেশ বিশ্বব্যাংকের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।

 

বিশ্বব্যাংক জানায়, ‘বাংলাদেশ এনহ্যান্সিং ইনভেস্টমেন্টস অ্যান্ড বেনিফিটস ফর আর্লি ইয়ারস’ প্রকল্পে ২১ কোটি ডলার দেবে সংস্থাটি। ঝুঁকিপূর্ণ বা দারিদ্র্য পরিবারের প্রায় ১৭ লাখ গর্ভবতী নারী এবং ৪ বছরের কম বয়সী শিশুদের মায়েদের নগদ অর্থ দেওয়া হবে। এসব কাউন্সেলিং পরিষেবা দেওয়ার মাধ্যমে প্রাথমিক শৈশব বিকাশের উন্নতিতে সহায়তা করবে বিশ্বব্যাংক।

 

এ ছাড়া ‘লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন অপারেশন’ প্রকল্পে মিলবে ৩০ কোটি ডলার। প্রকল্পটি শিক্ষার মান বাড়াতে সাহায্য করবে।

 

সংস্থাটি আরও জানায়, যমুনা নদী টেকসই ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে দেওয়া হবে ১০ কোটি ২ লাখ ডলার। যমুনার তীর সুরক্ষা ও নাব্যতা উন্নত করতে সাহায্য করবে প্রকল্পটি।

 

এছাড়া নগর স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যা উন্নয়ন প্রকল্পে ২০ কোটি ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক। প্রকল্পটি ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, সাভার ও তারাবো পৌরসভায় বাস্তবায়িত হবে। ডেঙ্গুর মতো মশাবাহিত রোগসহ সাধারণ অসুস্থতার চিকিৎসা, প্রতিরোধের জন্য প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পরিষেবা উন্নত করবে।

 

বিশ্বব্যাংক জানায়, প্রি-পেইড মিটারিং সিস্টেমের মাধ্যমে গ্যাস বিতরণ খাতে ৩০ কোটি ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক। প্রকল্পটি গ্যাস ব্যবহারে দক্ষতা উন্নত করবে এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার আরও শক্তিশালী করবে। ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগে প্রায় ১২ লাখ প্রিপেইড গ্যাস মিটার স্থাপন করা হবে প্রকল্পের মাধ্যমে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

খেলাধুলা মানসিক বিকাশ ও শরীর গঠনে সহায়তা করেঃ -লিয়াকত সিকদার

error: Content is protected !!

পাঁচ প্রকল্পে ১১৮ কোটি ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক

আপডেট টাইম : ০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৩

শৈশব বিকাশ, মাধ্যমিক শিক্ষা, নদীতীর সুরক্ষা ও নাব্যতা, শহুরে প্রাথমিক স্বাস্থ্য এবং গ্যাস বিতরণের দক্ষতাবিষয়ক পাঁচটি প্রকল্পে প্রায় ১১৮ কোটি ডলার ঋণ দেবে বিশ্বব্যাংক। গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে এ সংক্রান্ত ঋণচুক্তি সই হয়েছে।

চুক্তিতে সই করেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব শরিফা খান ও বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদুলায়ে সেক। পাঁচ প্রকল্পে ১১৮ দশমিক ৮ কোটি মার্কিন ডলার দেওয়া হবে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১২ হাজার ৩৮৮ কোটি টাকা।

বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর বলেন, দারিদ্র্যমুক্ত করতে বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের পাশে থাকবে। বাংলাদেশ বিশ্বব্যাংকের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।

 

বিশ্বব্যাংক জানায়, ‘বাংলাদেশ এনহ্যান্সিং ইনভেস্টমেন্টস অ্যান্ড বেনিফিটস ফর আর্লি ইয়ারস’ প্রকল্পে ২১ কোটি ডলার দেবে সংস্থাটি। ঝুঁকিপূর্ণ বা দারিদ্র্য পরিবারের প্রায় ১৭ লাখ গর্ভবতী নারী এবং ৪ বছরের কম বয়সী শিশুদের মায়েদের নগদ অর্থ দেওয়া হবে। এসব কাউন্সেলিং পরিষেবা দেওয়ার মাধ্যমে প্রাথমিক শৈশব বিকাশের উন্নতিতে সহায়তা করবে বিশ্বব্যাংক।

 

এ ছাড়া ‘লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন অপারেশন’ প্রকল্পে মিলবে ৩০ কোটি ডলার। প্রকল্পটি শিক্ষার মান বাড়াতে সাহায্য করবে।

 

সংস্থাটি আরও জানায়, যমুনা নদী টেকসই ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে দেওয়া হবে ১০ কোটি ২ লাখ ডলার। যমুনার তীর সুরক্ষা ও নাব্যতা উন্নত করতে সাহায্য করবে প্রকল্পটি।

 

এছাড়া নগর স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যা উন্নয়ন প্রকল্পে ২০ কোটি ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক। প্রকল্পটি ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, সাভার ও তারাবো পৌরসভায় বাস্তবায়িত হবে। ডেঙ্গুর মতো মশাবাহিত রোগসহ সাধারণ অসুস্থতার চিকিৎসা, প্রতিরোধের জন্য প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পরিষেবা উন্নত করবে।

 

বিশ্বব্যাংক জানায়, প্রি-পেইড মিটারিং সিস্টেমের মাধ্যমে গ্যাস বিতরণ খাতে ৩০ কোটি ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক। প্রকল্পটি গ্যাস ব্যবহারে দক্ষতা উন্নত করবে এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার আরও শক্তিশালী করবে। ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগে প্রায় ১২ লাখ প্রিপেইড গ্যাস মিটার স্থাপন করা হবে প্রকল্পের মাধ্যমে।