ঢাকা , সোমবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ২৪ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
খোকসায় অবশেষে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে অসহায় বৃদ্ধ হারুন-অর-রশিদ প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়নের ঘর ফিরে পেলেন ১ লক্ষ ২৯ হাজার টাকা পরিশোধ না করায় নড়াইলে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তরে প্রতারনার অভিযোগ করে নিজেই প্রতারনায় ফেঁসে গেলেন জামী সাংবাদিক কৃষকের পেঁয়াজের ক্ষেত বিষ দিয়ে নষ্টের অভিযোগ নড়াইলের লোহাগড়ার দুই সন্তানের জননী কে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ নড়াইলে দুগ্রুপের সংঘর্ষে অন্তত ১২জন আহত নগরকান্দায় শিশুর জন্ম হলেই উপহার ও মিষ্টি নিয়ে হাজির ইউএনও বাস্তব কাহিনীতে ইউএনও’র লেখায় নির্মিত হচ্ছে নাটক ‘স্বপ্নের ঠিকানা’ সালথায় ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলছিল গৃহবধূর মরদেহ,পরিবারের দাবি হত্যা ভালোবাসা দিবসে উপহার নিয়ে এলো ইনফিনিক্স লাভ ফেস্ট জাতীয় গ্রন্থগার দিবস উপলক্ষে আলফাডাঙ্গায় গুণীজন সংবর্ধনা

আলোচিত রাজু হত্যা মামলার ৩ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। 

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার বিনোদপুরের খালিয়া গ্রামে রাজু আহম্মেদ হত্যা মামলা ৩ আসামীকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ফারজানা ইয়াসমিন এ রায় ঘোষণা করেন। দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন, খালিয়া গ্রামের কাশেস লস্কর, আলতু লস্কর ও ইদ্রিস আলী।
দন্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে ইদ্রিস আলী পলাকত রয়েছে। রায় ঘোষণার পর দন্ডপ্রাপ্তদের পরিবারের সদস্য ও আত্মীয় স্বজনরা আদালতের মধ্যে হট্টগোল শুরু করে এবং বাদীর উপর হামলা চালায়। এ সময় আইনজীবি ও পুলিশ সদস্যরা পরিস্থিতি শান্ত করেন। পরে বাদীকে পুলিশ প্রহরায় তার বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়।
জেলা জজ আদালতের অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট মশিউর রহমান জানান, অর্থনৈতিক লেনদেনকে কেন্দ্র করে ২০০৫ সালের ৯ জানুয়ারি মহম্মদপুর উপজেলার খালিয়া গ্রামের মাহবুবুর রহমানের পুত্র রাজু আহম্মেদ (২২) কে দন্ডপ্রাপ্ত আসামীরা কুপিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় রাজুর পিতা দন্ডপ্রাপ্ত তিনজনসহ ৪ জনের নামে মহম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ ওই বছরের মে মাসে সকল আসামীদের নামে চার্জশীট প্রদান করেন। মামলার চলাকালে বাদী মাহবুবুর রহমান ও আলতু লস্কর নামে এক আসামীর মৃত্যুবরণ করেন।
পরে নিহত রাজু আহম্মেদ চাচা হাফিজুর রহমানকে মামলার বাদী করা হয়। মামলার স্বাক্ষি প্রমাণ গ্রহণ শেষে মঙ্গলবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ফারজানা ইয়াসমিন মামলার অপর তিন আসামী কাশেস লস্কর, আলতু লস্কর ও ইদ্রিস আলীকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা প্রদানের রায় ঘোষণা করেন। দন্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে ইদ্রিস আলী পলাতক রয়েছে।
আদালত প্রাঙ্গনে একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা উপস্থিত থাকলেও বাদীর উপর হামলা ও আদলতে হট্টগোলের বিষয়ে কোন বক্তব্য প্রদান করতে রাজি হননি।
Tag :

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

খোকসায় অবশেষে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে অসহায় বৃদ্ধ হারুন-অর-রশিদ প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়নের ঘর ফিরে পেলেন

error: Content is protected !!

আলোচিত রাজু হত্যা মামলার ৩ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। 

আপডেট টাইম : ০৮:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১
মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার বিনোদপুরের খালিয়া গ্রামে রাজু আহম্মেদ হত্যা মামলা ৩ আসামীকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ফারজানা ইয়াসমিন এ রায় ঘোষণা করেন। দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন, খালিয়া গ্রামের কাশেস লস্কর, আলতু লস্কর ও ইদ্রিস আলী।
দন্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে ইদ্রিস আলী পলাকত রয়েছে। রায় ঘোষণার পর দন্ডপ্রাপ্তদের পরিবারের সদস্য ও আত্মীয় স্বজনরা আদালতের মধ্যে হট্টগোল শুরু করে এবং বাদীর উপর হামলা চালায়। এ সময় আইনজীবি ও পুলিশ সদস্যরা পরিস্থিতি শান্ত করেন। পরে বাদীকে পুলিশ প্রহরায় তার বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়।
জেলা জজ আদালতের অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট মশিউর রহমান জানান, অর্থনৈতিক লেনদেনকে কেন্দ্র করে ২০০৫ সালের ৯ জানুয়ারি মহম্মদপুর উপজেলার খালিয়া গ্রামের মাহবুবুর রহমানের পুত্র রাজু আহম্মেদ (২২) কে দন্ডপ্রাপ্ত আসামীরা কুপিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় রাজুর পিতা দন্ডপ্রাপ্ত তিনজনসহ ৪ জনের নামে মহম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ ওই বছরের মে মাসে সকল আসামীদের নামে চার্জশীট প্রদান করেন। মামলার চলাকালে বাদী মাহবুবুর রহমান ও আলতু লস্কর নামে এক আসামীর মৃত্যুবরণ করেন।
পরে নিহত রাজু আহম্মেদ চাচা হাফিজুর রহমানকে মামলার বাদী করা হয়। মামলার স্বাক্ষি প্রমাণ গ্রহণ শেষে মঙ্গলবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ফারজানা ইয়াসমিন মামলার অপর তিন আসামী কাশেস লস্কর, আলতু লস্কর ও ইদ্রিস আলীকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা প্রদানের রায় ঘোষণা করেন। দন্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে ইদ্রিস আলী পলাতক রয়েছে।
আদালত প্রাঙ্গনে একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা উপস্থিত থাকলেও বাদীর উপর হামলা ও আদলতে হট্টগোলের বিষয়ে কোন বক্তব্য প্রদান করতে রাজি হননি।