ঢাকা , রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ৩০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ইতালিতে ইদ্রিস ফরাজিকে নাগরিক সংবর্ধনা প্রদান Logo রেললাইনে ছবি তুলতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় মা ও মেয়ে নিহত Logo দুই বঙ্গকন্যা ব্রিটিশ মন্ত্রীসভায় স্থান পাওয়াতে বঙ্গবন্ধু লেখক সাংবাদিক ফোরামের আনন্দ সভা ও মিষ্টি বিতরন Logo স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে বাংলাদেশ স্কাউটস হবে আলোকবর্তিকাঃ -এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী Logo বাঘায় ৬০০ (ছয়শত) পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট সহ রাজিব গ্রেফতার Logo গোয়ালন্দে চরমপন্থী দলের সদস্যকে পিটিয়ে হত্যা Logo মাছের উপজেলায় মাছ নেই Logo কুষ্টিয়ায় ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা Logo নড়াইলের স্মার্ট লোহাগড়া গড়ার লক্ষ্যে সৌন্দর্যবর্ধন কর্মসুচির উদ্বোধন Logo স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডির উদ্যোগে চেক ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন।

লাশ নিতে এসআইয়ের ওপর হামলা, আহত ৪

ময়নাতদন্ত ছাড়া মরদেহ নিতে বাধা দেয়ায় মৃতের স্বজনদের হামলায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দায়িত্বরত এক এসআইসহ ৪ জন আহত হয়েছেন। রোববার বিকেলে জরুরি বিভাগে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন, হাসপাতালের প্রিজন সেলের দায়িত্বে থাকা এসআই মো. নাজমুল, মেডিকেলের ব্রাদার শাহাদত হোসেন, ট্রলিম্যান মো. ইসাহাক ও মো. সবুজ। আহতদের মধ্যে এসআই নাজমুল ও ব্রাদার শাহাদতকে মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে।

মেডিকেল কর্তৃপক্ষ জানায়, বরিশালের উজিরপুর উপজেলার শোলক ইউনিয়নের কাংশি গ্রামের বাসিন্দা ও ভিক্টোরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আবু আনছারের (৪৮) মাথায় গাছের ডাল পড়ে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে মেডিকেলে আনা হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এরপর দ্রুত মরদেহ নিয়ে ওই স্থান ত্যাগ করতে চাইলে এসআই নাজমুল তাদেরকে জানান ময়নাতদন্ত ছাড়া মরদেহ নেয়া আইন পরিপন্থী। এ কথা শুনে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন আনছারের স্বজনরা। আনছারের স্বজন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য মো. হান্নান ও নিহতের স্ত্রী আছমা বেগমসহ ৭/৮ জন মরদেহ নেয়ার জন্য তার সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় লিপ্ত হন। এক পর্যায়ে তারা এসআই নাজমুলের ওপর হামলা চালান। নাজমুলকে রক্ষা করতে গেলে অন্যদের ওপরও হামলা চালানো হয়।

জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আমিরুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, দুর্ঘটনায় মৃত্যু হওয়ায় লাশের ময়নাতদন্তের প্রয়োজন হয়। এ বিষয়টি মৃতের স্বজনরা কোনোভাবেই বুঝতে চাচ্ছিল না। এক পর্যায়ে তারা হামলা চালালে এসআইসহ ৪ জন আহত হন।

কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক মো. আসাদুজ্জামা জানান, ময়নাতদন্ত ছাড়া মরদেহ নেয়াকে কেন্দ্র করে হামলা চালানো হয়। পরবর্তীতে মানবিক দিক বিবেচনা করে পুলিশ কমিশনার মোশারেফ হোসেনের নির্দেশে মরদেহসহ হামলাকারীদের ছেড়ে দেয়া হয়।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিতে ইদ্রিস ফরাজিকে নাগরিক সংবর্ধনা প্রদান

error: Content is protected !!

লাশ নিতে এসআইয়ের ওপর হামলা, আহত ৪

আপডেট টাইম : ০১:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

ময়নাতদন্ত ছাড়া মরদেহ নিতে বাধা দেয়ায় মৃতের স্বজনদের হামলায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দায়িত্বরত এক এসআইসহ ৪ জন আহত হয়েছেন। রোববার বিকেলে জরুরি বিভাগে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন, হাসপাতালের প্রিজন সেলের দায়িত্বে থাকা এসআই মো. নাজমুল, মেডিকেলের ব্রাদার শাহাদত হোসেন, ট্রলিম্যান মো. ইসাহাক ও মো. সবুজ। আহতদের মধ্যে এসআই নাজমুল ও ব্রাদার শাহাদতকে মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে।

মেডিকেল কর্তৃপক্ষ জানায়, বরিশালের উজিরপুর উপজেলার শোলক ইউনিয়নের কাংশি গ্রামের বাসিন্দা ও ভিক্টোরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আবু আনছারের (৪৮) মাথায় গাছের ডাল পড়ে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে মেডিকেলে আনা হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এরপর দ্রুত মরদেহ নিয়ে ওই স্থান ত্যাগ করতে চাইলে এসআই নাজমুল তাদেরকে জানান ময়নাতদন্ত ছাড়া মরদেহ নেয়া আইন পরিপন্থী। এ কথা শুনে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন আনছারের স্বজনরা। আনছারের স্বজন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য মো. হান্নান ও নিহতের স্ত্রী আছমা বেগমসহ ৭/৮ জন মরদেহ নেয়ার জন্য তার সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় লিপ্ত হন। এক পর্যায়ে তারা এসআই নাজমুলের ওপর হামলা চালান। নাজমুলকে রক্ষা করতে গেলে অন্যদের ওপরও হামলা চালানো হয়।

জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আমিরুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, দুর্ঘটনায় মৃত্যু হওয়ায় লাশের ময়নাতদন্তের প্রয়োজন হয়। এ বিষয়টি মৃতের স্বজনরা কোনোভাবেই বুঝতে চাচ্ছিল না। এক পর্যায়ে তারা হামলা চালালে এসআইসহ ৪ জন আহত হন।

কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক মো. আসাদুজ্জামা জানান, ময়নাতদন্ত ছাড়া মরদেহ নেয়াকে কেন্দ্র করে হামলা চালানো হয়। পরবর্তীতে মানবিক দিক বিবেচনা করে পুলিশ কমিশনার মোশারেফ হোসেনের নির্দেশে মরদেহসহ হামলাকারীদের ছেড়ে দেয়া হয়।