পর্তুগালের রাজধানী লিসবনের ঐতিহাসিক এলিভাদোর দা গ্লোরিয়া ট্রামে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানোদের স্মরণে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে পর্তুগালে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সংগঠন কাজা দো বাংলাদেশ। গত ৬ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ দুর্ঘটনাস্থলে গিয়ে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান এবং এক মিনিট নীরবতা পালন করেন।
গত ৩ সেপ্টেম্বর বিকেলে ঘটে যাওয়া এ দুর্ঘটনায় নারী-শিশুসহ আট দেশের ১৬ জন নিহত হন। এটিকে লিসবনের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ট্রাম দুর্ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেছে স্থানীয় গণমাধ্যম।
দুর্ঘটনার পর পর্তুগালজুড়ে নেমে আসে শোকের ছায়া। সরকার ঘোষণা করে এক দিনের রাষ্ট্রীয় শোক এবং রাজধানী লিসবনে তিন দিনের শোক। নিহতদের স্মরণে দুর্ঘটনাস্থলে দেশি-বিদেশি হাজারো মানুষ ফুল ও মোমবাতি জ্বালিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
কাজা-দো বাংলাদেশের শ্রদ্ধা নিবেদনে উপস্থিত ছিলেন এম. এ হাকিম মিনহাজ, রনি হুসাইন, মাসুম আহমেদ, ইকবাল হোসেন কাঞ্চন, শাহিন আহমদ, লাবনী খাতুন, হাফিজ আল আসাদ ও শহীদ আহমদ (প্রিন্স)।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এম. এ হাকিম মিনহাজ বলেন, “আমি গভীর শোক প্রকাশ করছি এবং সরকারের কাছে অনুরোধ করছি পুরনো ট্রামগুলোর যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করতে। যেন ভবিষ্যতে আর এ ধরনের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা না ঘটে। আমাদের কাছে কোনো মৃত্যুই কাম্য নয়।”
রনি হুসাইন বলেন,“আমরা যারা পর্তুগালে বসবাস করি, পর্তুগালের সঙ্গে আমাদের আত্মার সম্পর্ক রয়েছে। পর্তুগাল হাসলে আমরা হাসি, পর্তুগাল কাঁদলে আমরাও কাঁদি। তাই নিহতদের স্মরণে আমরা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছি।”
মাসুম আহমেদ বলেন,“গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সাথে স্মরণ করছি ৩ সেপ্টেম্বরের দুর্ঘটনায় নিহত সবাইকে। এই ঘটনায় আমরা বাংলাদেশিরাও গভীরভাবে শোকাহত।”
এই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানোদের স্মরণে লিসবনসহ পুরো পর্তুগাল আজও শোকে স্তব্ধ। নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে প্রতিদিনই দেশি-বিদেশি মানুষ দুর্ঘটনাস্থলে সমবেত হচ্ছেন।
প্রিন্ট

সিংড়ায় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ১০ 
কমরেড খোন্দকার, ইউরোপ ব্যুরো প্রধান 





















