ঢাকা , রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

মুকসুদপুর পৌরসভায় টোলের নামে চলছে চাঁদাবাজি

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর পৌরসভায় টোলের নামে চলছে চাঁদাবাজি। উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে মুকসুদপুর কলেজ মোড় দিয়ে শহর এলাকায় প্রবেশ মুখে যানবাহন থামিয়ে টোল আদায় নামে চলছে চাঁদাবাজি।

পৌরসভার বিধানের ৯৮ ধারার ৭ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে শুধু মাত্র পৌর মেয়র নির্মত টার্মিনাল ছাড়া পার্কিং ফিথর নামে টোল আদায় সম্পূর্ণ অবৈধ। কিন্তু তা সত্তেও টোল আদায়ের রশিদে লিখে রেখেছে, মুকসুদপুর পৌরসভার মধ্যে চলাচল কৃত যানবহান পিকাপ, ট্রাক, কভারভ্যান, ট্যাংকলরী থেকে ৫০ টাকা করে টোল নির্ধারিত।

 

টোলের ব্যাপারে কোন কথা বলতে রাজি না মেয়র। নাম প্রকাশে অনইচ্ছুক পৌরসভার কর্মকর্তা বলছে টোল উঠানো হয় জানি কিন্তু টোলের টাকা পৌরসভায় জমা হয় না। তাহলে এই টোলের টাকা কোথায় যায়, কে খায় ?

টোল আদায়কে কেন্দ্র করে একদিকে রাস্তায় প্রতিনিয়ত লেগে থাকে যানজট।

প্রতিমাসে কয়েক লাখ টাকা আয় হয় এই চাঁদাবাজি থেকে। চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ বিভিন্ন যানবাহনের চালকরা।

প্রতিদিন শতাধিক ট্রাক থেকে ৫০ টাকা করে নেওয়া হয় । এসব যানবাহন থেকে প্রতিদিন প্রায় পাঁচ-ছয় হাজার টাকা এবং মাসে প্রায় দেড় থেকে দুই লাখ টাকা উঠানো হয়। যেসব চালকরা চাঁদা দিতে চান না, তাদের যানবাহন রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে দেয়া হবে না বলেও হুমকি দেয়া হয়।

শুক্রবার ৮ সেপ্টেম্বর বিকালে টোল আদায়কারী নাহিদ, ইয়াসিন, রাব্বি রিদয় বলেন, মেয়রের নির্দেশেই এখানে টোল আদায় করা হয়। প্রতিদিন দিন যে টাকা কালেকশন হয় সেই টাকা নাহিদের ভাই নুর হিসাব করে নিয়ে যায় পরে মেয়রকে দিয়ে দেয় । আমাদের প্রতিদিন ৪০০ টাকা বেতন দেয় মেয়র।

এই টাকা পৌরসভায় জমা হয় কিনা জানতে চাইলে বলেন, এটা আমরা জানিনা মেয়রের সাথে কথা বলেন।

টোল আদায়ের একটা রশিদ চাইলে দিতে অশিকার করে বলেন, প্রতিটি রশিদের হিসাব দিতে হয় এজন্য দিতে পারবো না। তাই ৫০ টাকা দিয়ে একটা রশিদ কিনে নিলাম টোল আদায় কারীর কাছ থেকে ।

জানা গেছে, মহাসড়কে যানবাহন থামিয়ে টোল আদায় বন্ধ করতে হাইকোর্টে দায়েরকৃত রিটপিটিশন নং- ৪৬/৪০/২০২২ এর মোতাবেক গত ২১ এপ্রিল আদেশের আলোকে টার্মিনাল ব্যতিরেকে কোনো সড়ক বা মহাসড়ক থেকে টোল উত্তোলন না করার জন্য সকল সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভার মেয়রদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বিজ্ঞপ্তি জারি করে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ হতে নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

 

 

এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে সিটি এলাকা, জেলা, উপজেলা ও পৌর এলাকার সকল প্রশাসনকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। টার্মিনালের বাইরে রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে টোল আদায় অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নিষিদ্ধ হলেও ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহারে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৫৬তম

error: Content is protected !!

মুকসুদপুর পৌরসভায় টোলের নামে চলছে চাঁদাবাজি

আপডেট টাইম : ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৩
বাদশাহ মিয়া, মুকসুদপুর (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি :

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর পৌরসভায় টোলের নামে চলছে চাঁদাবাজি। উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে মুকসুদপুর কলেজ মোড় দিয়ে শহর এলাকায় প্রবেশ মুখে যানবাহন থামিয়ে টোল আদায় নামে চলছে চাঁদাবাজি।

পৌরসভার বিধানের ৯৮ ধারার ৭ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে শুধু মাত্র পৌর মেয়র নির্মত টার্মিনাল ছাড়া পার্কিং ফিথর নামে টোল আদায় সম্পূর্ণ অবৈধ। কিন্তু তা সত্তেও টোল আদায়ের রশিদে লিখে রেখেছে, মুকসুদপুর পৌরসভার মধ্যে চলাচল কৃত যানবহান পিকাপ, ট্রাক, কভারভ্যান, ট্যাংকলরী থেকে ৫০ টাকা করে টোল নির্ধারিত।

 

টোলের ব্যাপারে কোন কথা বলতে রাজি না মেয়র। নাম প্রকাশে অনইচ্ছুক পৌরসভার কর্মকর্তা বলছে টোল উঠানো হয় জানি কিন্তু টোলের টাকা পৌরসভায় জমা হয় না। তাহলে এই টোলের টাকা কোথায় যায়, কে খায় ?

টোল আদায়কে কেন্দ্র করে একদিকে রাস্তায় প্রতিনিয়ত লেগে থাকে যানজট।

প্রতিমাসে কয়েক লাখ টাকা আয় হয় এই চাঁদাবাজি থেকে। চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ বিভিন্ন যানবাহনের চালকরা।

প্রতিদিন শতাধিক ট্রাক থেকে ৫০ টাকা করে নেওয়া হয় । এসব যানবাহন থেকে প্রতিদিন প্রায় পাঁচ-ছয় হাজার টাকা এবং মাসে প্রায় দেড় থেকে দুই লাখ টাকা উঠানো হয়। যেসব চালকরা চাঁদা দিতে চান না, তাদের যানবাহন রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে দেয়া হবে না বলেও হুমকি দেয়া হয়।

শুক্রবার ৮ সেপ্টেম্বর বিকালে টোল আদায়কারী নাহিদ, ইয়াসিন, রাব্বি রিদয় বলেন, মেয়রের নির্দেশেই এখানে টোল আদায় করা হয়। প্রতিদিন দিন যে টাকা কালেকশন হয় সেই টাকা নাহিদের ভাই নুর হিসাব করে নিয়ে যায় পরে মেয়রকে দিয়ে দেয় । আমাদের প্রতিদিন ৪০০ টাকা বেতন দেয় মেয়র।

এই টাকা পৌরসভায় জমা হয় কিনা জানতে চাইলে বলেন, এটা আমরা জানিনা মেয়রের সাথে কথা বলেন।

টোল আদায়ের একটা রশিদ চাইলে দিতে অশিকার করে বলেন, প্রতিটি রশিদের হিসাব দিতে হয় এজন্য দিতে পারবো না। তাই ৫০ টাকা দিয়ে একটা রশিদ কিনে নিলাম টোল আদায় কারীর কাছ থেকে ।

জানা গেছে, মহাসড়কে যানবাহন থামিয়ে টোল আদায় বন্ধ করতে হাইকোর্টে দায়েরকৃত রিটপিটিশন নং- ৪৬/৪০/২০২২ এর মোতাবেক গত ২১ এপ্রিল আদেশের আলোকে টার্মিনাল ব্যতিরেকে কোনো সড়ক বা মহাসড়ক থেকে টোল উত্তোলন না করার জন্য সকল সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভার মেয়রদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বিজ্ঞপ্তি জারি করে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ হতে নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

 

 

এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে সিটি এলাকা, জেলা, উপজেলা ও পৌর এলাকার সকল প্রশাসনকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। টার্মিনালের বাইরে রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে টোল আদায় অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।