আপডেট টাইম :
০৬:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ মার্চ ২০২৩
২৩৩
বার পঠিত
-পাংশার হাবাসপুর ইউপিতে মঙ্গলবার তালিকাভুক্ত জেলেদের মাঝে ভিজিএফ’র চাল বিতরণ করা হয়।
পাংশার হাবাসপুর ইউপিতে জেলেদের মাঝে ভিজিএফ চাল বিতরণ
রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ইউপিতে মঙ্গলবার (৭মার্চ) বিকালে ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় কর্তৃক জাটকা আহরণে বিরত জেলেদের বিশেষ খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ফেব্রুয়ারী-মার্চ দুই মাসের পরিবার প্রতি ৪০ কেজি করে মোট ৮০ কেজি ভিজিএফ’র চাল বিতরণ করা হয়েছে। নবাগত পাংশা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ জাফর সাদিক চৌধুরীর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে হাবাসপুর ইউপির চেয়ারম্যান আল মামুন খান, পাংশা উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শ্যামল কুমার বিশ্বাস ও মৎস্য কর্মকর্তা সাঈদ আহম্মেদ প্রমূখ বক্তব্য রাখেন। ইউএনও মোহাম্মদ জাফর সাদিক চৌধুরী বলেন, ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদ। জাটকা ধরার কারণে ইলিশ মাছ পরিপক্ক হতে পারে না। জাটকা আহরণে বিরত থাকলে ভালো ইলিশ পাওয়া সম্ভব। জাটকা আহরণ বন্ধে মৎস্য দপ্তরের কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীল ভাবে কাজ করার গুরুত্বারোপ করেন তিনি। আরও পড়ুনঃ কুষ্টিয়ায় পেট্রল ঢেলে অন্তঃসত্ত্বাকে পুড়িয়ে হত্যা, যুবকের মৃত্যুদণ্ড অনুষ্ঠানে পাংশা উপজেলা মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক, হাবাসপুর ইউপির সচিব জাকির হোসেন, ইউপি মেম্বার বিল্লাল হোসেন, মো. সহিদুল ইসলাম, কাশেম সরদার ও তুহিন শিকদার প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন। জানা যায়, হাবাসপুর ইউপিতে ২৫৩ জনের জেলে নিবন্ধন কার্ড রয়েছে। এদের মধ্যে ১৪২ জনের মাঝে ভিজিএফ’র চাল বিতরণ করা হয়। পরবর্তী বরাদ্দে বাকিদের মাঝে ভিজিএফ বিতরণ করা হবে বলে মৎস্য কর্মকর্তা সাঈদ আহম্মেদ জানান।
রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ইউপিতে মঙ্গলবার (৭মার্চ) বিকালে ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় কর্তৃক জাটকা আহরণে বিরত জেলেদের বিশেষ খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ফেব্রুয়ারী-মার্চ দুই মাসের পরিবার প্রতি ৪০ কেজি করে মোট ৮০ কেজি ভিজিএফ’র চাল বিতরণ করা হয়েছে।
নবাগত পাংশা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ জাফর সাদিক চৌধুরীর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে হাবাসপুর ইউপির চেয়ারম্যান আল মামুন খান, পাংশা উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শ্যামল কুমার বিশ্বাস ও মৎস্য কর্মকর্তা সাঈদ আহম্মেদ প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।
ইউএনও মোহাম্মদ জাফর সাদিক চৌধুরী বলেন, ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদ। জাটকা ধরার কারণে ইলিশ মাছ পরিপক্ক হতে পারে না। জাটকা আহরণে বিরত থাকলে ভালো ইলিশ পাওয়া সম্ভব। জাটকা আহরণ বন্ধে মৎস্য দপ্তরের কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীল ভাবে কাজ করার গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে পাংশা উপজেলা মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক, হাবাসপুর ইউপির সচিব জাকির হোসেন, ইউপি মেম্বার বিল্লাল হোসেন, মো. সহিদুল ইসলাম, কাশেম সরদার ও তুহিন শিকদার প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
জানা যায়, হাবাসপুর ইউপিতে ২৫৩ জনের জেলে নিবন্ধন কার্ড রয়েছে। এদের মধ্যে ১৪২ জনের মাঝে ভিজিএফ’র চাল বিতরণ করা হয়। পরবর্তী বরাদ্দে বাকিদের মাঝে ভিজিএফ বিতরণ করা হবে বলে মৎস্য কর্মকর্তা সাঈদ আহম্মেদ জানান।