ঢাকা , রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

নানা আয়োজনে কুড়িগ্রামে আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস ২০২৪ পালিত

“সুরক্ষিত শ্রবণ, সুরক্ষিত জীবন” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে “শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্প” এর আওতায় কুড়িগ্রামে “আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস ২০২৪” নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে  যথাযথভাবে পালিত হয়েছে ।
বুধবার (২৪ এপ্রিল) জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় দিবসটি উপলক্ষে কুড়িগ্রাম পরিবেশ অধিদপ্তরের আয়োজনে সকালে জেলা প্রশাসক চত্বরে শব্দদূষণ বিষয়ে বিভিন্ন প্লেকার্ড নিয়ে মানববন্ধন, র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত র‍্যালিটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে শুরু করে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।
র‍্যালি শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন কুড়িগ্রাম পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম।
আলোচনা সভা শেষে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়। পরে শহরের বিভিন্ন স্থানে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন এর মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি বাস, ট্রাক, অটোরিক্সা ইত্যাদিতে শব্দ দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা মূলক স্টিকার লাগানো হয়।
জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় কুড়িগ্রাম পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিমের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ  সাইদুল আরীফ। অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম পৌর মেয়র কাজিউল ইসলাম, কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মীর্জা মো. নাসির উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত, প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ রুহুল আমীন,  জেলা তথ্য অফিসার মোঃ শাহজাহান আলী, বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা বৃন্দ, পরিবেশ বিষয়ক বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি, মটর শ্রমিক ও মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ সহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।
এতে উঠে আসে শ্রবণ, স্বাস্থ্য এবং মানসম্মত জীবন-যাপনের উপর শব্দ দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব। শব্দ দূষণ সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণে সকল স্তরের জনগণকে সম্পৃক্ত করার বিষয়গুলো। এতে শব্দ দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরার পাশাপাশি দূষণ থেকে কিভাবে মুক্ত হওয়া যায় ও এর ক্ষতিকর প্রভাব মানবদেহের এবং পরিবেশের জন্য কতটা ক্ষতিকর সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সম্মিলিত উদ্যগে শব্দ দূষণ কীভাবে বন্ধ করা যায় সে বিষয়েও বিভিন্ন উদ্যেগ নেয়া হয়।
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ রেজাউল করিম বলেন, আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস একটি বিশ্বব্যাপী প্রচারণা যা ১৯৯৬ সাল থেকে এপ্রিল মাসের শেষ বুধবার পালিত হয়ে আসছে। শব্দ দূষণ, শব্দ দূষণের ক্ষতিকারক দিকসমূহ, শব্দ দূষণরোধে করনীয় সম্পর্কে জনসাধারণকে সচেতন করা এবং সরকারের দায়িত্ব ও কর্তব্য তুলে ধরা এ দিবসের মূল উদ্দেশ্য।
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

অস্ত্রোপচারের পর বমি বমি ভাব কমাতে সাহায্য করতে পারে নয়েস ক্যান্সেলিং হেডফোন

error: Content is protected !!

নানা আয়োজনে কুড়িগ্রামে আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস ২০২৪ পালিত

আপডেট টাইম : ০৫:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪
আরিফুল ইসলাম জয়, ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি :
“সুরক্ষিত শ্রবণ, সুরক্ষিত জীবন” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে “শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্প” এর আওতায় কুড়িগ্রামে “আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস ২০২৪” নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে  যথাযথভাবে পালিত হয়েছে ।
বুধবার (২৪ এপ্রিল) জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় দিবসটি উপলক্ষে কুড়িগ্রাম পরিবেশ অধিদপ্তরের আয়োজনে সকালে জেলা প্রশাসক চত্বরে শব্দদূষণ বিষয়ে বিভিন্ন প্লেকার্ড নিয়ে মানববন্ধন, র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত র‍্যালিটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে শুরু করে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।
র‍্যালি শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন কুড়িগ্রাম পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম।
আলোচনা সভা শেষে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়। পরে শহরের বিভিন্ন স্থানে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন এর মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি বাস, ট্রাক, অটোরিক্সা ইত্যাদিতে শব্দ দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা মূলক স্টিকার লাগানো হয়।
জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় কুড়িগ্রাম পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিমের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ  সাইদুল আরীফ। অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম পৌর মেয়র কাজিউল ইসলাম, কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মীর্জা মো. নাসির উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত, প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ রুহুল আমীন,  জেলা তথ্য অফিসার মোঃ শাহজাহান আলী, বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা বৃন্দ, পরিবেশ বিষয়ক বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি, মটর শ্রমিক ও মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ সহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।
এতে উঠে আসে শ্রবণ, স্বাস্থ্য এবং মানসম্মত জীবন-যাপনের উপর শব্দ দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব। শব্দ দূষণ সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণে সকল স্তরের জনগণকে সম্পৃক্ত করার বিষয়গুলো। এতে শব্দ দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরার পাশাপাশি দূষণ থেকে কিভাবে মুক্ত হওয়া যায় ও এর ক্ষতিকর প্রভাব মানবদেহের এবং পরিবেশের জন্য কতটা ক্ষতিকর সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সম্মিলিত উদ্যগে শব্দ দূষণ কীভাবে বন্ধ করা যায় সে বিষয়েও বিভিন্ন উদ্যেগ নেয়া হয়।
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ রেজাউল করিম বলেন, আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস একটি বিশ্বব্যাপী প্রচারণা যা ১৯৯৬ সাল থেকে এপ্রিল মাসের শেষ বুধবার পালিত হয়ে আসছে। শব্দ দূষণ, শব্দ দূষণের ক্ষতিকারক দিকসমূহ, শব্দ দূষণরোধে করনীয় সম্পর্কে জনসাধারণকে সচেতন করা এবং সরকারের দায়িত্ব ও কর্তব্য তুলে ধরা এ দিবসের মূল উদ্দেশ্য।