আপডেট টাইম :
০২:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অগাস্ট ২০২৪
২৫৯
বার পঠিত
দেশে সহিংসতার জন্য বিএনপি-জামায়াতকে দায়ী করে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি
কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্যে দেশব্যাপী সহিংসতার জন্য বিএনপি-জামায়াতকে দায়ী করে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে ‘বঙ্গবন্ধু লেখক-সাংবাদিক ফোরাম, যুক্তরাজ্য’। ফোরামের সাধারণ সম্পাদক শাহ মোস্তাফিজুর রহমান বেলালের নেতৃত্বে ৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল বৃহস্পতিবার দুপুরে লন্ডনে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর অফিসে গেলে ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের একজন কর্মকর্তা প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে এ স্মারকলিপি নেন। স্মারকলিপিতে বলা হয়, ‘আন্দোলনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরকারের মতপার্থক্য না থাকলেও স্বাধীনতাবিরোধীরা শিক্ষার্থীদের মিছিলে প্রবেশে করে জেল ভেঙে বেশ কয়েকজন জঙ্গিসহ কয়েক হাজার অপরাধীকে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেয়। রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার বাংলাদেশ টেলিভিশন, মেট্রোরেলসহ বেশ কয়েকটি সরকারি স্থাপনা সম্পূর্ণ ধ্বংস করে। এতে রাষ্ট্রের হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদ নষ্ট হয়, যা একটি উন্নয়নশীল দেশের পক্ষে সহজে কাটিয়ে উঠা সম্ভব নয়।’ ‘সরকারও চাইছে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে আসল অপরাধীদের চিহ্নিত করে বিচারের সম্মুখীন করতে। রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিনষ্টকারী স্বাধীনতাবিরোধীরা কোনদিন বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং উন্নয়নে বিশ্বাসী নয়। এরা চাইছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিনষ্ট করতে।’ আরও পড়ুনঃ তানোরে প্রতারণার শিকার হয়ে নিঃস্ব কৃষক পরিবার স্মারকলিপি দেওয়ার সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি আব্দুল কাদির চৌধুরী মুরাদ, সহ-সভাপতি বাতিরুল হক সরদার, সাধারণ সম্পাদক শাহ মোস্তাফিজুর রহমান বেলাল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছির ও সদস্য আতিয়ার রসুল কিটন।
কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্যে দেশব্যাপী সহিংসতার জন্য বিএনপি-জামায়াতকে দায়ী করে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে ‘বঙ্গবন্ধু লেখক-সাংবাদিক ফোরাম, যুক্তরাজ্য’।
ফোরামের সাধারণ সম্পাদক শাহ মোস্তাফিজুর রহমান বেলালের নেতৃত্বে ৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল বৃহস্পতিবার দুপুরে লন্ডনে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর অফিসে গেলে ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের একজন কর্মকর্তা প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে এ স্মারকলিপি নেন।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, ‘আন্দোলনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরকারের মতপার্থক্য না থাকলেও স্বাধীনতাবিরোধীরা শিক্ষার্থীদের মিছিলে প্রবেশে করে জেল ভেঙে বেশ কয়েকজন জঙ্গিসহ কয়েক হাজার অপরাধীকে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেয়। রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার বাংলাদেশ টেলিভিশন, মেট্রোরেলসহ বেশ কয়েকটি সরকারি স্থাপনা সম্পূর্ণ ধ্বংস করে। এতে রাষ্ট্রের হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদ নষ্ট হয়, যা একটি উন্নয়নশীল দেশের পক্ষে সহজে কাটিয়ে উঠা সম্ভব নয়।’
‘সরকারও চাইছে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে আসল অপরাধীদের চিহ্নিত করে বিচারের সম্মুখীন করতে। রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিনষ্টকারী স্বাধীনতাবিরোধীরা কোনদিন বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং উন্নয়নে বিশ্বাসী নয়। এরা চাইছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিনষ্ট করতে।’
স্মারকলিপি দেওয়ার সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি আব্দুল কাদির চৌধুরী মুরাদ, সহ-সভাপতি বাতিরুল হক সরদার, সাধারণ সম্পাদক শাহ মোস্তাফিজুর রহমান বেলাল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছির ও সদস্য আতিয়ার রসুল কিটন।