আপডেট টাইম :
০৪:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মার্চ ২০২৪
২৭২
বার পঠিত
কুড়িগ্রামের অর্থনৌতিক স্থান পরিদর্শন করলেন ভূটানের রাজা
কুড়িগ্রামের অর্থনৌতিক স্থান পরিদর্শন করেন ভূটানের রাজা পরিদর্শন শেষে সড়ক পথে ভুরুঙ্গামারী উপজেলার সোনাহাট স্থলবন্দর দিয়ে ভারত হয়ে ভুটানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ত্যাগ করেন । ভুটানের রাজা ১৪ সদস্যের সফর সঙ্গী নিয়ে সকালে সৈয়দপুর বিমান বন্দরে অবতরন করেন। এরপর সড়ক পথে বেলা পৌনে ১২টার দিকে কুড়িগ্রাম সার্কিট হাউজে পৌছেন। সেখানে মধ্যাহ্ন ভোজ শেষে দুপুর দেড়টায় অর্থনৈতিক অঞ্চলের নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করেন। তথ্যমন্ত্রী এম. এ আরাফাত, নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, সংসদ সদস্য ডা. হামিদুল হক খন্দকার, সংসদ সদস্য বিপ্লব হাসান পলাশ, বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ হারুন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ ও পুলিশ সুপার আল আসাদ মো. মাহফুজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। ভুটানের রাজার কুড়িগ্রাম সফরের বিষয়টি ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্থানীয় ও ব্যবসায়ীরা। ভুটানের রাজার আগমনকে ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাসহ সকল প্রকার প্রস্তুতি গ্রহণ করে স্থানীয় প্রশাসন। ধরলা নদীর পুর্ব পাড়ে ২১৯ একর জমির নিয়ে গড়ে তোলা হবে জিটুজি ভিত্তিতে এই বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চল। আরও পড়ুনঃ ইবি উপাচার্যকে ১০ লাখ টাকা ঘুষের প্রস্তাব, থানায় জিডি ২০১৫ সালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ মাঠে এক জনসভায় জেলায় একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন। ২৫ মার্চ ঢাকায় কুড়িগ্রামে ভুটানিজ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও ভুটান সরকারের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়।
কুড়িগ্রামের অর্থনৌতিক স্থান পরিদর্শন করেন ভূটানের রাজা পরিদর্শন শেষে সড়ক পথে ভুরুঙ্গামারী উপজেলার সোনাহাট স্থলবন্দর দিয়ে ভারত হয়ে ভুটানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ত্যাগ করেন ।
ভুটানের রাজা ১৪ সদস্যের সফর সঙ্গী নিয়ে সকালে সৈয়দপুর বিমান বন্দরে অবতরন করেন। এরপর সড়ক পথে বেলা পৌনে ১২টার দিকে কুড়িগ্রাম সার্কিট হাউজে পৌছেন। সেখানে মধ্যাহ্ন ভোজ শেষে দুপুর দেড়টায় অর্থনৈতিক অঞ্চলের নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করেন।
তথ্যমন্ত্রী এম. এ আরাফাত, নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, সংসদ সদস্য ডা. হামিদুল হক খন্দকার, সংসদ সদস্য বিপ্লব হাসান পলাশ, বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ হারুন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ ও পুলিশ সুপার আল আসাদ মো. মাহফুজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
ভুটানের রাজার কুড়িগ্রাম সফরের বিষয়টি ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্থানীয় ও ব্যবসায়ীরা। ভুটানের রাজার আগমনকে ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাসহ সকল প্রকার প্রস্তুতি গ্রহণ করে স্থানীয় প্রশাসন।
ধরলা নদীর পুর্ব পাড়ে ২১৯ একর জমির নিয়ে গড়ে তোলা হবে জিটুজি ভিত্তিতে এই বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চল।