আপডেট টাইম :
০৮:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৩
৩৩২
বার পঠিত
কাশিয়ানীতে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গোৎসব সম্পন্ন
প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যদিয়ে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। দেবী দুর্গার বিদায় উপলক্ষে ঢাকঢোল আর উলুধ্বনিতে মুখরিত ছিল বিভিন্ন পূজামন্ডপ। পুরোহিতের মন্ত্রপাঠ আর থেমে থেমে উলুধ্বনিতে সৃষ্টি হয়েছিল আবেগঘন পরিবেশ। পঞ্জিকা মতে শনিবার (১৪ অক্টোবর) মহালয়ার মধ্যদিয়ে দেবী দুর্গার মর্তলোকে আগমন ঘটে। মঙ্গলবার বিজয়া দশমীপূজা শেষে সন্ধ্যায় প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়েছে। এ বছর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে ২৩২ মন্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। উপজেলার মধুমতি ও বারাশিয়া নদী এবং বিভিন্ন খালে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়েছে। কাশিয়ানী থানার ওসি মুহাম্মদ ফিরো আলম বলেন, ‘কোন ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গোৎসব শেষ হয়েছে। দুর্গোৎসবকে ঘিরে পুলিশের পক্ষ থেকে সব ধরণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। আনসার ভিডিপির সদস্যের পাশাপাশি তৎপর ছিল পুলিশ সদস্যরা।’ আরও পড়ুনঃ রেমিট্যান্স সংগ্রহে ব্যাংকের প্রণোদনা বাধ্যতামূলক নয় উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুব্রত ঠাকুর সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘এ বছর উপজেলার ২৩২টি পূজামন্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপজেলায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রতির ঐতিহ্য রয়েছে। কোনো ধরণের ঘটনা ছাড়াই দুর্গোৎসব সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিটি পূজামন্ডপে সিসি ক্যামেরার পাশাপাশি সব ধরণের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় প্রশাসন অত্যন্ত আন্তরিক ও নিরলসভাবে কাজ করেছে। ব্যাপক উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্যদিয়ে দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।’ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মেহেদী হাসান...
প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যদিয়ে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে।
দেবী দুর্গার বিদায় উপলক্ষে ঢাকঢোল আর উলুধ্বনিতে মুখরিত ছিল বিভিন্ন পূজামন্ডপ। পুরোহিতের মন্ত্রপাঠ আর থেমে থেমে উলুধ্বনিতে সৃষ্টি হয়েছিল আবেগঘন পরিবেশ।
পঞ্জিকা মতে শনিবার (১৪ অক্টোবর) মহালয়ার মধ্যদিয়ে দেবী দুর্গার মর্তলোকে আগমন ঘটে। মঙ্গলবার বিজয়া দশমীপূজা শেষে সন্ধ্যায় প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়েছে।
এ বছর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে ২৩২ মন্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। উপজেলার মধুমতি ও বারাশিয়া নদী এবং বিভিন্ন খালে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়েছে।
কাশিয়ানী থানার ওসি মুহাম্মদ ফিরো আলম বলেন, ‘কোন ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গোৎসব শেষ হয়েছে। দুর্গোৎসবকে ঘিরে পুলিশের পক্ষ থেকে সব ধরণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। আনসার ভিডিপির সদস্যের পাশাপাশি তৎপর ছিল পুলিশ সদস্যরা।’
উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুব্রত ঠাকুর সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘এ বছর উপজেলার ২৩২টি পূজামন্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপজেলায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রতির ঐতিহ্য রয়েছে। কোনো ধরণের ঘটনা ছাড়াই দুর্গোৎসব সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিটি পূজামন্ডপে সিসি ক্যামেরার পাশাপাশি সব ধরণের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় প্রশাসন অত্যন্ত আন্তরিক ও নিরলসভাবে কাজ করেছে। ব্যাপক উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্যদিয়ে দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মেহেদী হাসান বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে এ উপজেলায় দুর্গোৎসব সম্পন্ন হয়েছে।’