আপডেট টাইম :
০৮:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
২৭৩
বার পঠিত
আমতলীতে সরিষা চাষে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা
বিশাল এলাকাজুড়ে আবাদ হয়েছে সরিষার। চারিদিকে শুধু চোখ জুড়ানো হলুদ সরিষা ফুল, মৌ মৌ সুবাস ছড়াচ্ছে বরগুনার আমতলী উপজেলায়। মাঠ ছেয়ে এ বছর ১৪৫ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ করা হয়েছে। বেড়ে ওঠা গাছ আর ফুল দেখে সরিষার বাম্পার ফলনের স্বপ্ন দেখছেন কৃষকেরা। আমতলী উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় এ বছর সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ১৪৫ হেক্টর। উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শে ওই পতিত জমিতে কৃষকেরা বিনা সরিষা-৯ চাষ করেছেন। এ ছাড়া তিন জাতের উচ্চ ফলনশীল বিনা-৪, বারি সরিষা-১৪ ও বারি সরিষা-১৫ বেশি চাষ করেছেন কৃষকেরা। নভেম্বর মাসের শুরুতে কৃষকেরা উচ্চ ফলনশীল সরিষা চাষ করেন১০০ দিনের মধ্যে সরিষার ফলন আসে। তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষকেরা পুষ্টিকর তেল পেতে সরিষা চাষে ঝুঁকছেন বলে জানান উপজেলা কৃষি অফিস। ঘটখালী গ্রামের কৃষক মো. সাদুল মিয়া বলেন, ‘উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শ ও তাঁদের দেওয়া বীজ আবাদ করেছি।’ গুলিশাখালী গ্রামের জব্বার হাওলাদার ও আলতাফ হোসেন বলেন, এ বছর পতিত জমিতে সরিষা চাষ করেছি। ভালো ফলন হয়েছে। আশা করি পরিবারের তেলের চাহিদা পূরণ করে বেশ ভালো লাভবান হতে পারব। আরও পড়ুনঃ স্ত্রীকে বেঁধে রেখে গলায় ফাঁস নিলেন স্বামী আমতলী উপজেলা কৃষি অফিসার মো. ঈসা বলেন, আমতলী উপজেলা ১৪৫ হেক্টর জমিতে বিনা সরিষা-৯, বারি সরিষা-১৪ ও বারি সরিষা-১৫ চাষ করেছেন কৃষকেরা। ফলনও ভালো হয়েছে।
বিশাল এলাকাজুড়ে আবাদ হয়েছে সরিষার। চারিদিকে শুধু চোখ জুড়ানো হলুদ সরিষা ফুল, মৌ মৌ সুবাস ছড়াচ্ছে বরগুনার আমতলী উপজেলায়। মাঠ ছেয়ে এ বছর ১৪৫ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ করা হয়েছে। বেড়ে ওঠা গাছ আর ফুল দেখে সরিষার বাম্পার ফলনের স্বপ্ন দেখছেন কৃষকেরা।
আমতলী উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় এ বছর সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ১৪৫ হেক্টর। উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শে ওই পতিত জমিতে কৃষকেরা বিনা সরিষা-৯ চাষ করেছেন। এ ছাড়া তিন জাতের উচ্চ ফলনশীল বিনা-৪, বারি সরিষা-১৪ ও বারি সরিষা-১৫ বেশি চাষ করেছেন কৃষকেরা।
নভেম্বর মাসের শুরুতে কৃষকেরা উচ্চ ফলনশীল সরিষা চাষ করেন১০০ দিনের মধ্যে সরিষার ফলন আসে। তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষকেরা পুষ্টিকর তেল পেতে সরিষা চাষে ঝুঁকছেন বলে জানান উপজেলা কৃষি অফিস।
ঘটখালী গ্রামের কৃষক মো. সাদুল মিয়া বলেন, ‘উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শ ও তাঁদের দেওয়া বীজ আবাদ করেছি।’
গুলিশাখালী গ্রামের জব্বার হাওলাদার ও আলতাফ হোসেন বলেন, এ বছর পতিত জমিতে সরিষা চাষ করেছি। ভালো ফলন হয়েছে। আশা করি পরিবারের তেলের চাহিদা পূরণ করে বেশ ভালো লাভবান হতে পারব।