ঢাকা , শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ঢাকায় সংবাদ সম্মেলনে কান্নাজড়িত কণ্ঠে আঞ্জুমান আরা Logo দৌলতপুরে ব্র্যাক শাখা অফিসের উদ্বোধন Logo তানোরে ইউপি চেয়ারম্যানের মৃত্যুতে শোকসভা ও মিলাদ Logo তানোরে গরু মোটাতাজা করণে নিষিদ্ধ ওষুধের রমরমা বাণিজ্যে Logo উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন দায়েরঃ ভোট গ্রহণের ৫ দিন আগে যশোর সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন স্থগিত Logo যশোরে ৭০ লাখ টাকা ফেরত না দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে আদালতে মামলা Logo তানোর পোস্ট অফিস থেকে টাকা গায়েবঃ ফেরত পেতে গ্রাহকের আত্মহত্যার হুমকি Logo নড়াইল সদর উপজেলা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ ও বিতর্কিত করার চেষ্টার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন Logo বোয়ালমারীতে চেয়ারম্যান প্রার্থী লিটু শরীফের গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে মতবিনিময় Logo প্রেম প্রস্তাবে ব্যর্থ হয়ে এডিস নিক্ষেপকারী যুবকের যাবজ্জীবন কারাদন্ড
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন।

লাল গামছা ধরা দেখে ট্রেন থামান চালক,রক্ষা পেল কয়েকশ যাত্রী

অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে পাবনার ঈশ্বরদী থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর রেলপথে চলাচলকারী আন্তঃনগর কমিউটার ট্রেন। বুধবার এক স্থানে রেলপথ ভাঙা দেখে লাল গামছা উড়িয়ে ট্রেনটি থামান কয়েক কৃষক। বিষয়টি চালকদের নজরে পড়তেই ট্রেন থামিয়ে দেন। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পান ট্রেনের কয়েকশ যাত্রী।

 

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ৮মে.সকাল ৯টার দিকে নাটোরের লোকমানপুর রেলওয়ে স্টেশনের অদূরে রেলপথ ধরে মাঠে যাচ্ছিলেন আজিজুর রহমান, আবদুস সোবহানসহ স্থানীয় কয়েক কৃষক। এ সময় রেললাইনের একটি স্থানে ভাঙা দেখতে পান তারা। একই সময়ে ওই রেলপথ দিয়ে ঈশ্বরদী থেকে ছেড়ে আসা কমিউটার ট্রেন রহনপুরের দিকে যাচ্ছিল। ট্রেনের বাঁশি শুনে তাৎক্ষণিকভাবে নিজেদের কাছে থাকা লাল গামছা রেললাইনে আড়াআড়িভাবে ধরেন কৃষকরা। এ সময় সেখানে কয়েক শিক্ষার্থীও ছিলেন। লোকমানপুর রেলস্টেশনে প্রবেশের আগমুহূর্তে লাল গামছা ধরা দেখে ট্রেন থামান চালক।

 

ট্রেনটির সহকারী চালক সাইফুল ইসলাম সবুজ জানান, চালক হিসেবে তিনি ও লোকোমাস্টার আজিজুর রহমান ছিলেন। লোকমানপুর স্টেশনের কিছুদূর আগে তারা লক্ষ্য করেন, কয়েকজন লাল গামছা ধরে রেললাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। এ দেখে দ্রুত ট্রেন থামানো হয়। এর পর দেখা যায়, সেখানে রেললাইন প্রায় ৮ ইঞ্চি ভাঙা। রাতের বৃষ্টিতে রেললাইনের কাঠের স্লিপারের নিচের অংশও ফাঁকা ছিল। সকালে অন্য একটি ট্রেন ওই লাইনের ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় রেললাইন ভেঙে যায় বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় ভাঙা স্থানে কাঠ ও ছালা দিয়ে খুব ধীরগতিতে ট্রেনটি পার করা হয়।

 

 

পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ের ম্যানেজার (ডিআরএম) শাহ সুফি নূর মোহাম্মদ জানান, বৃষ্টিতে রেললাইনের ওই স্থান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এ অবস্থায় সেখান দিয়ে ট্রেন চলায় রেলপাত ভেঙে যায়। ঘটনা টের পাওয়ার পর ট্রেন থামানো হয়। এতে ট্রেন চলাচলে কিছুটা বিলম্ব ঘটে। বিকেলে ভাঙা স্থান সংস্কার করা হয়েছে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

ঢাকায় সংবাদ সম্মেলনে কান্নাজড়িত কণ্ঠে আঞ্জুমান আরা

error: Content is protected !!

লাল গামছা ধরা দেখে ট্রেন থামান চালক,রক্ষা পেল কয়েকশ যাত্রী

আপডেট টাইম : ০৯:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ মে ২০২৪

অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে পাবনার ঈশ্বরদী থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর রেলপথে চলাচলকারী আন্তঃনগর কমিউটার ট্রেন। বুধবার এক স্থানে রেলপথ ভাঙা দেখে লাল গামছা উড়িয়ে ট্রেনটি থামান কয়েক কৃষক। বিষয়টি চালকদের নজরে পড়তেই ট্রেন থামিয়ে দেন। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পান ট্রেনের কয়েকশ যাত্রী।

 

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ৮মে.সকাল ৯টার দিকে নাটোরের লোকমানপুর রেলওয়ে স্টেশনের অদূরে রেলপথ ধরে মাঠে যাচ্ছিলেন আজিজুর রহমান, আবদুস সোবহানসহ স্থানীয় কয়েক কৃষক। এ সময় রেললাইনের একটি স্থানে ভাঙা দেখতে পান তারা। একই সময়ে ওই রেলপথ দিয়ে ঈশ্বরদী থেকে ছেড়ে আসা কমিউটার ট্রেন রহনপুরের দিকে যাচ্ছিল। ট্রেনের বাঁশি শুনে তাৎক্ষণিকভাবে নিজেদের কাছে থাকা লাল গামছা রেললাইনে আড়াআড়িভাবে ধরেন কৃষকরা। এ সময় সেখানে কয়েক শিক্ষার্থীও ছিলেন। লোকমানপুর রেলস্টেশনে প্রবেশের আগমুহূর্তে লাল গামছা ধরা দেখে ট্রেন থামান চালক।

 

ট্রেনটির সহকারী চালক সাইফুল ইসলাম সবুজ জানান, চালক হিসেবে তিনি ও লোকোমাস্টার আজিজুর রহমান ছিলেন। লোকমানপুর স্টেশনের কিছুদূর আগে তারা লক্ষ্য করেন, কয়েকজন লাল গামছা ধরে রেললাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। এ দেখে দ্রুত ট্রেন থামানো হয়। এর পর দেখা যায়, সেখানে রেললাইন প্রায় ৮ ইঞ্চি ভাঙা। রাতের বৃষ্টিতে রেললাইনের কাঠের স্লিপারের নিচের অংশও ফাঁকা ছিল। সকালে অন্য একটি ট্রেন ওই লাইনের ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় রেললাইন ভেঙে যায় বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় ভাঙা স্থানে কাঠ ও ছালা দিয়ে খুব ধীরগতিতে ট্রেনটি পার করা হয়।

 

 

পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ের ম্যানেজার (ডিআরএম) শাহ সুফি নূর মোহাম্মদ জানান, বৃষ্টিতে রেললাইনের ওই স্থান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এ অবস্থায় সেখান দিয়ে ট্রেন চলায় রেলপাত ভেঙে যায়। ঘটনা টের পাওয়ার পর ট্রেন থামানো হয়। এতে ট্রেন চলাচলে কিছুটা বিলম্ব ঘটে। বিকেলে ভাঙা স্থান সংস্কার করা হয়েছে।