কামরুল হাসানঃ
মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় লটারি টিকিট বিক্রি করে প্রতিশ্রুত পুরস্কার না দিয়ে উধাও হয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে দি নিউ বর্ষা সার্কাসের বিরুদ্ধে। এতে প্রতারণার শিকার হয়ে ক্ষোভে ফুঁসছেন সাধারন জনগন । বিশেষ করে পুরস্কার না পেয়ে হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রিপন বিশ্বাস নামের এক যুবক।
অভিযোগ রয়েছে, মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার গোয়ালদাহ খেয়াঘাট সংলগ্ন এলাকায় সার্কাস ও লটারি মেলার আয়োজনের নামে দীর্ঘদিন ধরে টিকিট বিক্রি করে আসছিল প্রতিষ্ঠানটি। বিভিন্ন হাট-বাজারে মাইকিং করে প্রচারণার মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে আকৃষ্ট করা হয়। তবে শুরু থেকেই এই আয়োজনের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৬ ও ৭ এপ্রিল নির্ধারিত মেলার কথা বলে বিপুল পরিমাণ লটারি টিকিট বিক্রি করা হয়। কিন্তু নির্ধারিত দিনে সেখানে গিয়ে দেখা যায় মেলার ও সার্কাসের সকল মালামাল নিয়ে উধাও হয়ে যায় কতৃপক্ষ খুঁজে পাননি পাওয়া যায়নি কাউকে। এতে হাজারো মানুষ প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
মহম্মদপুর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের বিশ্বাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা রিপন বিশ্বাস জানান, তিনি ৬ এপ্রিল একটি লটারির টিকিট ক্রয় করেন। পরে রাতে অনুষ্ঠিত ড্রয়ে আয়োজকদের পক্ষ থেকে তাকে প্রথম পুরস্কার হিসেবে ১৫০ সিসি একটি মোটরসাইকেল জেতার কথা জানানো হয়। তাকে বলা হয়, ৭ এপ্রিল নির্ধারিত স্থানে মেলা বসবে এবং সেখানেই পুরস্কার প্রদান করা হবে।
কিন্তু পরদিন নির্ধারিত স্থানে গিয়ে তিনি দেখেন, কোনো মেলার আয়োজনই করা হয়নি। এমনকি আয়োজকদের কাউকেই খুঁজে পাওয়া যায়নি। এতে তিনি নিজেকে প্রতারিত বলে দাবি করেন। এভাবে হাজার হাজার সাধারণ মানুষ প্রতারণার শিকার হয়েছেন।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের প্রশ্ন—এই ধরনের লটারি মেলার অনুমতি কারা দিয়েছে? প্রশাসনের নজরদারি ছাড়া কীভাবে প্রকাশ্যে এমন কার্যক্রম পরিচালিত হলো?
এলাকাবাসীর অভিযোগ, লটারির আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে জুয়ার মতো অবৈধ কার্যক্রম চললেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
এ বিষয়ে মাগুরা জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মোল্যা আজাদ বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দেড় লাখ টাকার গাছ ৫০ হাজারে নিলাম 
কামরুল হাসান, বিশেষ প্রতিনিধি 





















