ইসমাইল হোসেন বাবু:
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ৬টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গত ২৪ ঘণ্টায় ঠান্ডা জ¦র, সর্দি ও কাশিজনিত জটিলতা নিয়ে ভর্তি হয়েছেন ৯৭ শিশু। ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৪৪ জন শিশু, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৪২ জন শিশু এবং উপজেলা পর্যায়ে ভর্তি হয়েছে ১১ জন শিশু।
এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক এবং ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও)।
২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. হোসেন ইমাম বলেন, “রাত ১০টা পর্যন্ত শিশু বিভাগে ৪৪ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। এদের মধ্যে ১৯ জনকে হাম আক্রান্ত হিসেবে প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করা হচ্ছে। বাকি রোগীরা নানা জটিলতায় ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।”
কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. আনোয়ারুল কবীর জানান, মঙ্গলবার রাত ১০টা পর্যন্ত শিশু বিভাগে ৪২ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। তাদের মধ্যে ৯ জনের শরীরে র্যাশ জাতীয় লক্ষণ রয়েছে, যারা প্রাথমিকভাবে হাম আক্রান্ত হিসেবে চিহ্নিত এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন ডা. শেখ মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, চলতি বছরের শুরু থেকেই শিশুদের মধ্যে হাম প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। জেলায় এ পর্যন্ত ১৫ রোগীর নমুনা পরীক্ষা পজিটিভ এসেছে, যাদের অধিকাংশই জেলার বাইরে থেকে আগত। বর্তমানে সারাদেশে শিশুদের মধ্যে হাম দেখা যাওয়ায় স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, জেলাজুড়ে সর্বশেষ হাম পরিস্থিতি সম্পর্কিত নির্ভরযোগ্য চূড়ান্ত ফলাফল আগামীকাল থেকে প্রতিদিন আপডেট করা হবে। তবে আক্রান্ত শিশুদের নমুনা পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় রি-এজেন্টের সংকট এ মুহূর্তে রোগী সনাক্তের বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, শিগগিরই এ সমস্যাও সমাধান হবে।

দেড় লাখ টাকার গাছ ৫০ হাজারে নিলাম 
হাসপাতালে মিলছে না ওষুধ ও সিরিঞ্জ 





















