ঢাকা , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo দেড় লাখ টাকার গাছ ৫০ হাজারে নিলাম Logo ফরিদপুরে ট্রিপল মার্ডারঃ ১০ ঘণ্টায় গ্রেফতার প্রধান আসামি, উদ্ধার কোদাল Logo ফরিদপুরে ‘শ্মশান বন্ধু’ কানু সেন অনেকটাই সুস্থ Logo বাঘায় সুষ্ঠ সুন্দর পরিবেশে প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিতঃ উপস্থিতির হারে বালিকা এগিয়ে Logo নরসিংদীর শিবপুরে ২৬ মামলার আসামিসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার Logo খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ইস্টার সানডে পালিত হবে আগামীকাল Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদক উদ্ধার Logo সকল রাজনৈক দল, ধর্ম, বর্ণ ও শ্রেণী পেশার মানুষের সেবা করতে বিএনপি সরকার ওয়াদাবদ্ধ Logo সেনবাগে কাওমী ও হাফেজিয়া মাদ্রাসায় ঈদ উপহার বিতরণ করলেন লায়ন শাহাদাত হোসেন Logo সিংড়ায় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ১০
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

ভাঙ্গায় ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনঃ ঘাতক গ্রেফতার

মাহমুদুর রহমান তুরানঃ

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় উদ্ধার হওয়া জনৈক নারীর মরদেহের পরিচয় সনাক্তের পর চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকান্ডের রহস্য উৎঘাটন এবং হত্যাকারীকে গ্রেফতার করেছে ভাঙ্গা থানা পুলিশ। হত্যাকান্ডের শিকার গৃহবধূ হাসিনা পারভীন মিনু (৪৭)কে সম্প্রতি হত্যার পর মরদেহ ফেলে রেখে যায়। সম্পত্তি ও পরোকিয়া সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তদন্তকারী কর্মকর্তা। এ ঘটনায় আসামি আনিছুর রহমান (৪০) কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সকালে ভাঙ্গা থানাধীন পুলিয়া ব্রিজ সংলগ্ন সূর্য নগর সার্ভিস লেনের উত্তর পাশে আড়িয়াল খাঁ নদীর ঢাল থেকে এক অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশে এসআই মো. মোশারফ হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন।

 

পরবর্তীতে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। পরে তার ছেলে থানায় এসে মরদেহটি তার মা হাসিনা পারভীন মিনুর বলে নিশ্চিত করেন এবং মামলা দায়ের করেন।

তদন্তে জানা যায়, নিহত মিনু নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার তুষারধারা আবাসিক এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করার সময় গত ১৭ ফেব্রুয়ারি একটি ফোনকল পেয়ে তিনি বাসা থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি।
পুলিশের অনুসন্ধানে গিয়ে জানতে পারে, তুষারধারা এলাকায় ক্রয় করা একটি জমি ও সেখানে নির্মিত টিনশেড ঘর নিয়ে আসামি আনিছুর রহমানের সঙ্গে নিহতের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। প্রতারণার মাধ্যমে সম্পত্তি নিজের নামে নেওয়ার অভিযোগে মিনু আদালতে মামলা করেছিলেন।

গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে আনিছুর রহমান হত্যার কথা স্বীকার করলে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার দিন সে মিনুকে ঘুরার কথা বলে বাসা থেকে বের করে মোটরসাইকেলে করে পদ্মা সেতু পার হয়ে নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে এবং মরদেহ ফেলে পালিয়ে যায়।

পরে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে গত ১ এপ্রিল ২০২৬ সকালে নারায়ণগঞ্জ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আসামি হত্যার স্বীকার করে বিজ্ঞ আদালতে সেচ্ছায় জবানবন্দি দিয়েছে।  আসামীকে বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে।

তদন্তকারী কর্মকর্তা এস,আই মোশাররফ হোসেন বলেন, বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘাতককে গ্রেফতার করতে সক্ষম হই। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আসামিকে কোর্টে প্রেরন করা হয়।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সেনবাগ ছাত্রদলে ছাত্রলীগ আতঙ্ক! গুরুত্বপূর্ণ পদে আসছেন ‘বিতর্কিত’ মুখ?

error: Content is protected !!

ভাঙ্গায় ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনঃ ঘাতক গ্রেফতার

আপডেট টাইম : ০৩:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬
মাহমুদুর রহমান তুরান, ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি :

মাহমুদুর রহমান তুরানঃ

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় উদ্ধার হওয়া জনৈক নারীর মরদেহের পরিচয় সনাক্তের পর চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকান্ডের রহস্য উৎঘাটন এবং হত্যাকারীকে গ্রেফতার করেছে ভাঙ্গা থানা পুলিশ। হত্যাকান্ডের শিকার গৃহবধূ হাসিনা পারভীন মিনু (৪৭)কে সম্প্রতি হত্যার পর মরদেহ ফেলে রেখে যায়। সম্পত্তি ও পরোকিয়া সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তদন্তকারী কর্মকর্তা। এ ঘটনায় আসামি আনিছুর রহমান (৪০) কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সকালে ভাঙ্গা থানাধীন পুলিয়া ব্রিজ সংলগ্ন সূর্য নগর সার্ভিস লেনের উত্তর পাশে আড়িয়াল খাঁ নদীর ঢাল থেকে এক অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশে এসআই মো. মোশারফ হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন।

 

পরবর্তীতে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। পরে তার ছেলে থানায় এসে মরদেহটি তার মা হাসিনা পারভীন মিনুর বলে নিশ্চিত করেন এবং মামলা দায়ের করেন।

তদন্তে জানা যায়, নিহত মিনু নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার তুষারধারা আবাসিক এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করার সময় গত ১৭ ফেব্রুয়ারি একটি ফোনকল পেয়ে তিনি বাসা থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি।
পুলিশের অনুসন্ধানে গিয়ে জানতে পারে, তুষারধারা এলাকায় ক্রয় করা একটি জমি ও সেখানে নির্মিত টিনশেড ঘর নিয়ে আসামি আনিছুর রহমানের সঙ্গে নিহতের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। প্রতারণার মাধ্যমে সম্পত্তি নিজের নামে নেওয়ার অভিযোগে মিনু আদালতে মামলা করেছিলেন।

গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে আনিছুর রহমান হত্যার কথা স্বীকার করলে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার দিন সে মিনুকে ঘুরার কথা বলে বাসা থেকে বের করে মোটরসাইকেলে করে পদ্মা সেতু পার হয়ে নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে এবং মরদেহ ফেলে পালিয়ে যায়।

পরে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে গত ১ এপ্রিল ২০২৬ সকালে নারায়ণগঞ্জ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আসামি হত্যার স্বীকার করে বিজ্ঞ আদালতে সেচ্ছায় জবানবন্দি দিয়েছে।  আসামীকে বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে।

তদন্তকারী কর্মকর্তা এস,আই মোশাররফ হোসেন বলেন, বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘাতককে গ্রেফতার করতে সক্ষম হই। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আসামিকে কোর্টে প্রেরন করা হয়।