মোঃ সুমন আলীঃ
দিনশেষে যা আয় হতো, তা দিয়েই চলতো সচ্ছলতাহীন কিন্তু অভাবমুক্ত সংসার। অন্যের জমিতে ঘাম ঝরিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার কালীতলা গ্রামের ৭৫ বছর বয়সী মো: হানিফ। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে আজ তিনি শয্যাশায়ী। দীর্ঘদিনের হাড়ভাঙা খাটুনি শেষে বার্ধক্য আর প্যারালাইসিস তাকে করে দিয়েছে নিঃস্ব ও অসহায়।
বর্তমানে ৭৫ বছর বয়সী হানিফ চাচা এবং তার ৬৫ বছর বয়সী স্ত্রী এক নিদারুণ কষ্টের মধ্য দিয়ে দিন পার করছেন। ঘরে খাবার নেই, নেই চিকিৎসার নূন্যতম ব্যবস্থা। যে বয়সে সন্তানদের সেবায় শান্তিতে থাকার কথা ছিল, সেই বয়সে অর্থাভাব আর শারীরিক যন্ত্রণা তাদের নিত্যসঙ্গী।
হানিফ চাচার দুই ছেলে থাকলেও তারা দারিদ্র্যের কশাঘাতে জর্জরিত। অভাবের তাড়নায় তারা বাবা-মায়ের কাছ থেকে আলাদা হয়ে কোনোমতে নিজেদের জীবন অতিবাহিত। একমাত্র মেয়ের বিয়ে হয়ে যাওয়ায় তার পক্ষেও বৃদ্ধ বাবা-মায়ের দায়িত্ব নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
জর্জরিত কন্ঠে হানিফ চাচা বলেন, “সারাজীবন মানুষের কাজ করে খেলাম, আজ নিজেই অন্যের দয়ার ওপর বেঁচে আছি।চলতে পারিনা,বিছানা থেকে উঠতে পারিনা আমাকে আপনারা একটু সাহায্য করেন”।
অশ্রুসিক্ত কন্ঠে হানিফ চাচার স্ত্রী বলেন, ” খুবই কষ্টে দিন পার করছি, খাবার নাই,ঔষধ কিনার টাকা নাই।আগে আমার স্বামী খেটে টাকা পয়সা আনতো তা দিয়ে চাল ডাল কিনে খেতাম কিন্তু উনি প্যারালাইসিস হয়ে যাওয়ায় না খেয়েই দিন পার করতে হচ্ছে “।
প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হয়ে চলৎশক্তিহীন এই বৃদ্ধের বর্তমান দিন কাটছে অনাহারে-অর্ধাহারে। অর্থের অভাবে ঠিকমতো ওষুধটুকুও কিনতে পারছেন না। কালীতলা গ্রামের এই অসহায় দম্পতি এখন সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষদের সহায়তার দিকে তাকিয়ে আছেন।
একটু সহমর্মিতা আর সামান্য আর্থিক সহযোগিতাই পারে এই বৃদ্ধ বয়সে তাদের মুখে দুমুঠো অন্ন আর প্রয়োজনীয় ওষুধের জোগান দিতে।
হানিফ চাচার সাথে যোগাযোগের নাম্বার – 01768262256

দেড় লাখ টাকার গাছ ৫০ হাজারে নিলাম 
মোঃ সুমন আলী, নাচোল (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি 





















