ঢাকা , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo দেড় লাখ টাকার গাছ ৫০ হাজারে নিলাম Logo ফরিদপুরে ট্রিপল মার্ডারঃ ১০ ঘণ্টায় গ্রেফতার প্রধান আসামি, উদ্ধার কোদাল Logo ফরিদপুরে ‘শ্মশান বন্ধু’ কানু সেন অনেকটাই সুস্থ Logo বাঘায় সুষ্ঠ সুন্দর পরিবেশে প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিতঃ উপস্থিতির হারে বালিকা এগিয়ে Logo নরসিংদীর শিবপুরে ২৬ মামলার আসামিসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার Logo খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ইস্টার সানডে পালিত হবে আগামীকাল Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদক উদ্ধার Logo সকল রাজনৈক দল, ধর্ম, বর্ণ ও শ্রেণী পেশার মানুষের সেবা করতে বিএনপি সরকার ওয়াদাবদ্ধ Logo সেনবাগে কাওমী ও হাফেজিয়া মাদ্রাসায় ঈদ উপহার বিতরণ করলেন লায়ন শাহাদাত হোসেন Logo সিংড়ায় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ১০
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

কুষ্টিয়ায় হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ইসমাইল হোসেন বাবু:

 

কুষ্টিয়ায় সাহাবুল ইসলাম হত্যা মামলায় চারজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

 

সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. এনায়েত কবির সরকার তিন আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

 

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— মিরপুর উপজেলার মিটন পশ্চিমপাড়া গ্রামের মহিন প্রামাণিকের ছেলে আসাদুল প্রামাণিক ওরফে কালু, আবুল কাশেমের ছেলে হাবিল হোসেন, ওমর আলীর ছেলে মিলন এবং মাজিরহাট খাঁপাড়া গ্রামের মসলেম মোল্লার ছেলে আবু তাহের। এদের মধ্যে আবু তাহের পলাতক রয়েছেন।

 

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ২০ অক্টোবর মিরপুর উপজেলার মিটন গ্রামের বাসিন্দা সাহাবুল ইসলাম বাজার করার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন। বাজার শেষে ছেলে সাব্বিরকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ হন। পরদিন বুরাপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পেছনের একটি ধইঞ্চা ক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

 

এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী সুমি খাতুন মিরপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্তের একপর্যায়ে পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে আরও জড়িতদের শনাক্ত করে।

 

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসএম জাবীদ হাসান তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলায় ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় প্রদান করেন।

 

তদন্তে উঠে আসে, গ্রাম্য বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে আসামিরা পরিকল্পিতভাবে সাহাবুল ইসলামকে হত্যা করে।

 

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর খন্দকার সিরাজুল ইসলাম এবং আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. এনামুল হক।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সেনবাগ ছাত্রদলে ছাত্রলীগ আতঙ্ক! গুরুত্বপূর্ণ পদে আসছেন ‘বিতর্কিত’ মুখ?

error: Content is protected !!

কুষ্টিয়ায় হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট টাইম : ০৪:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
ইসমাইল হোসেন বাবু, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার :

ইসমাইল হোসেন বাবু:

 

কুষ্টিয়ায় সাহাবুল ইসলাম হত্যা মামলায় চারজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

 

সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. এনায়েত কবির সরকার তিন আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

 

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— মিরপুর উপজেলার মিটন পশ্চিমপাড়া গ্রামের মহিন প্রামাণিকের ছেলে আসাদুল প্রামাণিক ওরফে কালু, আবুল কাশেমের ছেলে হাবিল হোসেন, ওমর আলীর ছেলে মিলন এবং মাজিরহাট খাঁপাড়া গ্রামের মসলেম মোল্লার ছেলে আবু তাহের। এদের মধ্যে আবু তাহের পলাতক রয়েছেন।

 

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ২০ অক্টোবর মিরপুর উপজেলার মিটন গ্রামের বাসিন্দা সাহাবুল ইসলাম বাজার করার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন। বাজার শেষে ছেলে সাব্বিরকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ হন। পরদিন বুরাপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পেছনের একটি ধইঞ্চা ক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

 

এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী সুমি খাতুন মিরপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্তের একপর্যায়ে পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে আরও জড়িতদের শনাক্ত করে।

 

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসএম জাবীদ হাসান তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলায় ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় প্রদান করেন।

 

তদন্তে উঠে আসে, গ্রাম্য বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে আসামিরা পরিকল্পিতভাবে সাহাবুল ইসলামকে হত্যা করে।

 

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর খন্দকার সিরাজুল ইসলাম এবং আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. এনামুল হক।