এখলাস উদ্দীনঃ
রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী মডেল থানার অভ্যন্তরে প্রবেশ করে দুই যুবকের ধারণ করা একটি কুরুচিপূর্ণ টিকটক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওটিতে ব্যবহৃত অত্যন্ত অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ ভাষা নিয়ে ফেসবুক ও টিকটক জুড়ে নেটিজেনদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, দুই যুবক থানার ভেতরে অবস্থান করে একে অপরকে লক্ষ্য করে কুরুচিপূর্ণ অঙ্গভঙ্গি ও অকথ্য ভাষায় কথা বলছে। ভিডিওর এক পর্যায়ে একজনকে বলতে শোনা যায়, “রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী থানায় বাড়ি আমার, সব জায়গায় করা আছে মাল সেট।” অপরজনকে আরও আপত্তিকর ও অশালীন গালিগালাজ করতে দেখা যায়।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই সাধারণ মানুষ এবং নেটিজেনরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছেন। অনেকেই প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছেন, একটি সরকারি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর এবং আইন-শৃঙ্খলার প্রাণকেন্দ্রে ঢুকে কীভাবে এমন ধৃষ্টতা দেখানোর সাহস পায় এই কথিত টিকটকাররা?
ফেসবুকে অনেকেই মন্তব্য করেছেন, “থানার ভেতর সাধারণ মানুষ ঢুকতে যেখানে দ্বিধাবোধ করে, সেখানে এই বখাটে টিকটকাররা কীভাবে এতোটা প্রশ্রয় পেল?” কেউ কেউ আবার পুলিশের দায়িত্ব ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলছেন, “থানার ভেতরে এমন অশালীন ভিডিও ধারণ করার সময় ডিউটিরত পুলিশ সদস্যরা কী করছিলেন?”
জনগণের দাবি, এই ধরনের কুরুচিপূর্ণ ভিডিও ধারণ করে যারা প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছে এবং সামাজিক অবক্ষয় ছড়াচ্ছে, তাদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক। একইসাথে সরকারি দপ্তরের ভেতরে এই ধরনের ভিডিও ধারণের ক্ষেত্রে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের দাবি জানানো হয়েছে।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কঠোর পদক্ষেপের খবর পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, দ্রুত এই দুই টিকটকারকে চিহ্নিত করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

দেড় লাখ টাকার গাছ ৫০ হাজারে নিলাম 
এখলাস উদ্দীন, গোদাগাড়ী (রাজশাহী) প্রতিনিধি 





















