আব্দুল হামিদ মিঞাঃ
শুধু নামেই নয় কামেও প্রমান দিতে চান ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা স্বত্তাধিকারি। কাউকে খুশি করার জন্য নয় কাজ করতে চান মানবিক মূল্যেবোধ থেকে। এমন অভিমত ব্যক্ত করেছেন “ফাতেমা-মতিন ফাউন্ডেশন” প্রতিষ্ঠাতা ডা. মো. তৌহিদ আল মাহমুদ। তিনি রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক পদে কর্মরত।
রাজশাহীর বাঘা উপজেলার গড়গড়ি ইউনিয়নের নিজ গ্রাম খায়েরহাট বাজারে মা-বাবার নামের প্রতিষ্ঠা করেছেন “ফাতেমা-মতিন ফাউন্ডেশন”। ঈদ সামনে রেখে এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে নিজ ইউনিয়নের বেকার, অসচ্ছল ও প্রতিবন্ধী ৪০ জন ব্যক্তিদের মাঝে ৬-৭ মাস বয়সী ছাগল বিতরণ করেছেন। শুক্রবার (১৩ মার্চ) প্রত্যেকের হাতে একটি করে ছাগল তুলে দেন ডা. মো. তৌহিদ আল মাহমুদ। শুরুতেই তার এই কাজের প্রশংসা ছড়িয়ে পড়ে সাধারন মানুষের মধ্যে।
শনিবার (১৪-০৩-২০২৬) মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, মানুষ দেখানোর জন্য নয়,তার প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য, সমাজের অসহায়, বেকার ও প্রতিবন্ধী মানুষদের স্বাবলম্বী করা। আগামীতে মাদক মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষে যুব সমাজকে কিভাবে মাদক থেকে দুরে রাখা যায় সেই কর্মসূচি হাতে নিয়ে কাজ করবে তার প্রতিষ্ঠান। শুধু এতেই সীমাবদ্ধ থাকবেনা,ভবিষ্যতেও মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
ফাউন্ডেশন থেকে ছাগল উপহার পেয়েছেন বৃদ্ধা চান্দেরা বেগম। তার সাথে কথা বললে খুশির সাথে তিনি জানান, তার স্বামী অনেক আগেই মারা গেছে। এক ছেলে আর এক মেয়ে আছে। ছেলে আমাকে ভাত কাপড় দেয় না। অন্যের বাসায় কাজ করে নিজের খরচ নিজেই সংগ্রহ করি। আল্লাহ যদি ছাগল বাঁচাইয়া রাখে তাহলে একটা দুইটা বাচ্চা তো দিবেই,সেগুলো লালন পালন করে বড় হলে বিক্রি করে তার দুঃখের অবসান ঘটাতে পারবেন। তিনি তার ভালো কাজের জন্য দোয়া করেছেন।
ফাতেমা-মতিন ফাউন্ডেশন এর স্বেচ্ছাসেবক চপল মন্ডল জানান, বিক্রি না করার শর্তে বিনা মূল্যে ছাগল বিতরণ করেই কাজ শেষ হবেনা,তদারকিও থাকবে বিক্রি না করে যাতে তারা ছাগল লান পালন করে সংখ্যা বাড়িয়ে স্বাবলম্বী হতে পারে।
গ্রামের মুমিনুল ইসলাম হিটলার বলেন, তার এ ভালো কাজকে আমরা সাধুবাদ জানাই। যতটুকু জানি, ফাউন্ডেশন থেকে অনেক ভালো কাজের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এতে তার এলাকার মানুষই উপকৃত হবেনা,তার দেখে গ্রাম কিংবা সমাজের বিত্তবান অনেক মানুষ ভালো কাজে উদ্যোগী হবে বরে মনে করি। তারা যেন ছাগলগুলো লালন-পালন করে সংখ্যা বাড়াতে পারে এবং সেখান থেকে নিজেদের জীবিকা নির্বাহ করতে পারে, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

দেড় লাখ টাকার গাছ ৫০ হাজারে নিলাম 
আব্দুল হামিদ মিঞা, বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি 





















