আপডেট টাইম :
০৮:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫
১৩৬
বার পঠিত
নানা বাড়িতে খেলতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু
আসলাম বেপারীঃ ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে সড়ক দুর্ঘটনায় সিনহা নামে চার বছর বয়সী এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার দুপুর প্রায় ১টার দিকে চরভদ্রাসন-ফরিদপুর সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সিনহা সদর ইউনিয়নের লোহারটেক গ্রামের সুজন মুন্সির মেঝ মেয়ে। তার আরও দুই বোন রয়েছে। পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রতিদিনের মতো আজও সিনহা একই গ্রামের তার নানা শেখ ওমরের বাড়িতে যায়। বাড়ির কেউ বুঝতে পারেনি কখন সে সড়কে উঠে পড়ে। দুপুরে পথচারীদের চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্যরা ছুটে এসে সড়কের উপর আহত অবস্থায় সিনহাকে পড়ে থাকতে দেখেন। পথচারীরা জানান, চরভদ্রাসন থেকে ফরিদপুরগামী একটি ইজিবাইকের সঙ্গে ধাক্কা লেগে সিনহা সড়কে ছিটকে পড়ে। দুর্ঘটনার পরপরই ইজিবাইক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। স্থানীয়রা শিশুটিকে উদ্ধার করে চরভদ্রাসন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. গোফরানুল হক সিজান তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চরভদ্রাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রজিউল্লাহ খান বলেন, “পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফনের অনুমতি দিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।”
আসলাম বেপারীঃ
ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে সড়ক দুর্ঘটনায় সিনহা নামে চার বছর বয়সী এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার দুপুর প্রায় ১টার দিকে চরভদ্রাসন-ফরিদপুর সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সিনহা সদর ইউনিয়নের লোহারটেক গ্রামের সুজন মুন্সির মেঝ মেয়ে। তার আরও দুই বোন রয়েছে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রতিদিনের মতো আজও সিনহা একই গ্রামের তার নানা শেখ ওমরের বাড়িতে যায়। বাড়ির কেউ বুঝতে পারেনি কখন সে সড়কে উঠে পড়ে। দুপুরে পথচারীদের চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্যরা ছুটে এসে সড়কের উপর আহত অবস্থায় সিনহাকে পড়ে থাকতে দেখেন।
পথচারীরা জানান, চরভদ্রাসন থেকে ফরিদপুরগামী একটি ইজিবাইকের সঙ্গে ধাক্কা লেগে সিনহা সড়কে ছিটকে পড়ে। দুর্ঘটনার পরপরই ইজিবাইক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। স্থানীয়রা শিশুটিকে উদ্ধার করে চরভদ্রাসন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. গোফরানুল হক সিজান তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
চরভদ্রাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রজিউল্লাহ খান বলেন, “পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফনের অনুমতি দিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।”