আপডেট টাইম :
১০:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫
৭৪
বার পঠিত
বাঁশের আড়ায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা
আসলাম বেপারী: ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে গলায় ফাঁস দিয়ে খাজিদা আক্তার (১৩) নামের এক স্কুলছাত্রীর অপমৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার খালপাড় ডাঙ্গী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, খাজিদার বাবা মোঃ ওবাইদুর রহমান স্ত্রীকে নিয়ে মেজো মেয়ের সিজারিয়ানের জন্য গত ১৯ নভেম্বর দোহার থানাধীন জয়পাড়া একটি প্রাইভেট হাসপাতালে অবস্থান করছিলেন। ঘটনার দিন সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ৪৫ মিনিটে ছোট ভাইয়ের স্ত্রী মোবাইল ফোনে খাজিদার গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার খবর জানান। পরে দ্রুত বাড়িতে ফিরে এসে তিনি দেখেন, খাজিদার নিথর দেহ বাড়ির উঠানে শোয়ানো। পরিবারের সদস্যদের বরাতে জানা যায়, সন্ধ্যা ৫টা ৩০ মিনিট থেকে ৬টা ৩০ মিনিটের মধ্যে খাজিদা বাড়ির সবার অজান্তে ঘরের দরজা ভিতর থেকে আটকে বাঁশের আড়ায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস লাগায়। সংবাদ পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং আইনগত প্রক্রিয়া শেষে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। চরভদ্রাসন থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রজিউল্লা খান বলেন, আইনগত প্রক্রিয়া শেষে লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছিল।এবং ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করে নিজ বাড়িতে দাফন করা হয়েছে। আপাতত অপমৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তধীন রিপোর্ট এলে বিস্তারিত জানা যাবে।
আসলাম বেপারী:
ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে গলায় ফাঁস দিয়ে খাজিদা আক্তার (১৩) নামের এক স্কুলছাত্রীর অপমৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার খালপাড় ডাঙ্গী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, খাজিদার বাবা মোঃ ওবাইদুর রহমান স্ত্রীকে নিয়ে মেজো মেয়ের সিজারিয়ানের জন্য গত ১৯ নভেম্বর দোহার থানাধীন জয়পাড়া একটি প্রাইভেট হাসপাতালে অবস্থান করছিলেন। ঘটনার দিন সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ৪৫ মিনিটে ছোট ভাইয়ের স্ত্রী মোবাইল ফোনে খাজিদার গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার খবর জানান। পরে দ্রুত বাড়িতে ফিরে এসে তিনি দেখেন, খাজিদার নিথর দেহ বাড়ির উঠানে শোয়ানো।
পরিবারের সদস্যদের বরাতে জানা যায়, সন্ধ্যা ৫টা ৩০ মিনিট থেকে ৬টা ৩০ মিনিটের মধ্যে খাজিদা বাড়ির সবার অজান্তে ঘরের দরজা ভিতর থেকে আটকে বাঁশের আড়ায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস লাগায়।
সংবাদ পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং আইনগত প্রক্রিয়া শেষে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।
চরভদ্রাসন থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রজিউল্লা খান বলেন, আইনগত প্রক্রিয়া শেষে লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছিল।এবং ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করে নিজ বাড়িতে দাফন করা হয়েছে। আপাতত অপমৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তধীন রিপোর্ট এলে বিস্তারিত জানা যাবে।