ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

৪৫০ ইয়াবাসহ ‘রাজবাড়ী- মধুখালী অঞ্চলের প্রধান সরবরাহকারী গ্রেপ্তার

মানিক কুমার দাসঃ

 

রাজবাড়ী- মধুখালী অঞ্চলে ইয়াবা সরবরাহকারী হিসেবে পরিচিত ইসহাক শেখ (২৭)-কে ফরিদপুর সেনা ক্যাম্প ও মধুখালী থানার যৌথ অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানে তার কাছ থেকে ৪৫০টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। ইসহাক দীর্ঘদিন ধরে মাদকের সক্রিয় সরবরাহকারী হিসেবে প্রশাসনের নজরে থাকলেও বারবার অভিযানে ব্যর্থ হওয়ায় সে পলাতক ছিল।

 

সেনা সূত্রে জানা যায়, ১২ জুলাই রাত ১টা ২০ মিনিটে ফরিদপুর আর্মি ক্যাম্পে তথ্য আসে যে, মধুখালীর বিল আরালিয়া বাজার এলাকায় ইসহাক শেখ অবস্থান করছে এবং ইয়াবা লেনদেনে সক্রিয় রয়েছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে ১৫ রিভারাইন ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়নের একটি টহল দল এবং মধুখালী থানার পুলিশ বাহিনী যৌথভাবে অভিযানের পরিকল্পনা করে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১২ জুলাই ভোর ৪টা ৩০ মিনিটে বিল আরালিয়া বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ইসহাক শেখকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তার দেহ তল্লাশিতে ৪৫০টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

 

গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, ইসহাক শেখ দীর্ঘদিন ধরে রাজবাড়ী ও মধুখালী অঞ্চলে ইয়াবা সরবরাহের মূল উৎস হিসেবে কাজ করছিল। প্রশাসন এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর তাকে ধরার জন্য একাধিকবার অভিযান চালালেও প্রতিবারই সে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল।

 

আটক ইসহাক শেখ এবং জব্দকৃত মাদকদ্রব্য মধুখালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

 

সেনা সূত্র মতে জানা যায়, অবৈধ মাদক, অস্ত্র, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে রয়েছে সেনাবাহিনী। জনস্বার্থে সেনা ক্যাম্পসমূহ কে তথ্য দিয়ে সহায়তা করার জন্য সকলকে আহ্বান জানানো হয়েছে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের সঙ্গে জামায়াতের সম্পর্ক থাকার প্রমাণ আছে

error: Content is protected !!

৪৫০ ইয়াবাসহ ‘রাজবাড়ী- মধুখালী অঞ্চলের প্রধান সরবরাহকারী গ্রেপ্তার

আপডেট টাইম : ১০:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ জুলাই ২০২৫
মানিক কুমার দাস, ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি :

মানিক কুমার দাসঃ

 

রাজবাড়ী- মধুখালী অঞ্চলে ইয়াবা সরবরাহকারী হিসেবে পরিচিত ইসহাক শেখ (২৭)-কে ফরিদপুর সেনা ক্যাম্প ও মধুখালী থানার যৌথ অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানে তার কাছ থেকে ৪৫০টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। ইসহাক দীর্ঘদিন ধরে মাদকের সক্রিয় সরবরাহকারী হিসেবে প্রশাসনের নজরে থাকলেও বারবার অভিযানে ব্যর্থ হওয়ায় সে পলাতক ছিল।

 

সেনা সূত্রে জানা যায়, ১২ জুলাই রাত ১টা ২০ মিনিটে ফরিদপুর আর্মি ক্যাম্পে তথ্য আসে যে, মধুখালীর বিল আরালিয়া বাজার এলাকায় ইসহাক শেখ অবস্থান করছে এবং ইয়াবা লেনদেনে সক্রিয় রয়েছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে ১৫ রিভারাইন ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়নের একটি টহল দল এবং মধুখালী থানার পুলিশ বাহিনী যৌথভাবে অভিযানের পরিকল্পনা করে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১২ জুলাই ভোর ৪টা ৩০ মিনিটে বিল আরালিয়া বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ইসহাক শেখকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তার দেহ তল্লাশিতে ৪৫০টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

 

গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, ইসহাক শেখ দীর্ঘদিন ধরে রাজবাড়ী ও মধুখালী অঞ্চলে ইয়াবা সরবরাহের মূল উৎস হিসেবে কাজ করছিল। প্রশাসন এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর তাকে ধরার জন্য একাধিকবার অভিযান চালালেও প্রতিবারই সে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল।

 

আটক ইসহাক শেখ এবং জব্দকৃত মাদকদ্রব্য মধুখালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

 

সেনা সূত্র মতে জানা যায়, অবৈধ মাদক, অস্ত্র, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে রয়েছে সেনাবাহিনী। জনস্বার্থে সেনা ক্যাম্পসমূহ কে তথ্য দিয়ে সহায়তা করার জন্য সকলকে আহ্বান জানানো হয়েছে।