ঢাকা , শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

হেমায়েতপুর থেকে ভাটারা মেট্রোরেল নির্মাণ শুরু

এমআরটি লাইন-৫ অর্থাৎ সাভারের হেমায়েতপুর থেকে ঢাকার ভাটারা পর্যন্ত মেট্রোরেলের নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল বিকাল সাড়ে ৩টার পর মেট্রোরেলের মতিঝিল স্টেশনের কনকোর্স প্লাজায় তিনি এই নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন।ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) সূত্রে জানা যায়, ১৩.৫ কিলোমিটার আন্ডারগ্রাউন্ড বা পাতাল  অংশ এবং ৬.৫ কিলোমিটার এলিভেটেড বা উড়াল অংশ নিয়ে ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এ প্রকল্প। এর নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৪১,২৩৮.৫৫ কোটি টাকা। ২০ কিলোমিটারের মধ্যে নির্মাণ করা হবে ১৪টি স্টেশন। এরমধ্যে ৯টি হবে আন্ডারগ্রাউন্ডে। ২০২৮ সালের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার লক্ষ্য ডিএমটিসিএলের। 
 

এমআরটি লাইন-৫ এর ১৪টি স্টেশন হলো- হেমায়েতপুর, বলিয়ারপুর, বিলামালিয়া, আমিন বাজার, গাবতলী, দারুস সালাম, মিরপুর ১, মিরপুর ১০, মিরপুর ১৪, কচুক্ষেত, বনানী, গুলশান ২, নতুন বাজার, ভাটারা। এর মধ্যে পাতাল স্টেশন- গাবতলী, দারুস সালাম, মিরপুর ১, মিরপুর ১০, মিরপুর ১৪, কচুক্ষেত, বনানী, গুলশান ২ ও নতুন বাজার। বাকি পাঁচটি উড়াল স্টেশন হলো- হেমায়েতপুর, বলিয়ারপুর, বিলামালিয়া, আমিন বাজার ও ভাটারা।

 

এ রুটের মেট্রোরেলে প্রতিদিন প্রায় ১২ লাখ ৩০ হাজার যাত্রী যাতায়াত করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রতিটি একমুখী মেট্রো ট্রেন প্রতিবারে ১৪টি স্টেশনে থেমে ৩২ মিনিটে হেমায়েতপুর থেকে ভাটারা পর্যন্ত যাতায়াত করবে। ৮ কোচবিশিষ্ট ১৮ সেট মেট্রো ট্রেন দিয়ে পরিচালনা শুরু করা হবে। তবে ভবিষ্যতে ৪২ সেট মেট্রো ট্রেনে উন্নীত করার সুযোগ থাকবে। মাঝের ছয়টি কোচের প্রতিটিতে সর্বোচ্চ ৩৯০ জন এবং ট্রেইলার কোচের প্রতিটিতে সর্বোচ্চ ৩৭৪ জন যাত্রী পরিবহন করা হবে। প্রতিটি মেট্রো ট্রেনে সর্বোচ্চ ৩০৮৮ জন যাত্রী পরিবহন সক্ষমতা রয়েছে।

 

প্রতি ঘণ্টায় উভয়দিকে ৫৩,২০০ যাত্রী পরিবহন সম্ভব হবে। অল্প সময়ে অধিক সংখ্যক যাত্রী পরিবহনের ফলে ছোট ছোট যানবাহনের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে। জীবাশ্ম ও তরল জ্বালানির ব্যবহার কম হবে। ঢাকা মহানগরীর জীবনযাত্রায় ভিন্ন মাত্রা ও গতি যোগ হবে। যানজট বহুলাংশে হ্রাস পাবে। মহানগরবাসীর কর্মঘণ্টা সাশ্রয় হবে। সাশ্রয়কৃত কর্মঘণ্টা দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ব্যবহার করা যাবে। এমআরটি লাইন-৫ এর টানেল মূল সড়ক বরাবর মাটির ৫৬ ফুট থেকে ১৫৩ ফুট গভীরতায় নির্মাণ করা হবে। টানেল নির্মাণে ব্যবহার করা হবে বর্তমান সময়ের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির টানেল বোরিং মেশিন (টিবিএম)।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ছেঁউড়িয়ায় শুরু হচ্ছে লালন সাঁইজির ১৩৬তম তিরোধান দিবসের স্মরণোৎসব

error: Content is protected !!

হেমায়েতপুর থেকে ভাটারা মেট্রোরেল নির্মাণ শুরু

আপডেট টাইম : ০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৩
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক :
এমআরটি লাইন-৫ অর্থাৎ সাভারের হেমায়েতপুর থেকে ঢাকার ভাটারা পর্যন্ত মেট্রোরেলের নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল বিকাল সাড়ে ৩টার পর মেট্রোরেলের মতিঝিল স্টেশনের কনকোর্স প্লাজায় তিনি এই নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন।ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) সূত্রে জানা যায়, ১৩.৫ কিলোমিটার আন্ডারগ্রাউন্ড বা পাতাল  অংশ এবং ৬.৫ কিলোমিটার এলিভেটেড বা উড়াল অংশ নিয়ে ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এ প্রকল্প। এর নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৪১,২৩৮.৫৫ কোটি টাকা। ২০ কিলোমিটারের মধ্যে নির্মাণ করা হবে ১৪টি স্টেশন। এরমধ্যে ৯টি হবে আন্ডারগ্রাউন্ডে। ২০২৮ সালের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার লক্ষ্য ডিএমটিসিএলের। 
 

এমআরটি লাইন-৫ এর ১৪টি স্টেশন হলো- হেমায়েতপুর, বলিয়ারপুর, বিলামালিয়া, আমিন বাজার, গাবতলী, দারুস সালাম, মিরপুর ১, মিরপুর ১০, মিরপুর ১৪, কচুক্ষেত, বনানী, গুলশান ২, নতুন বাজার, ভাটারা। এর মধ্যে পাতাল স্টেশন- গাবতলী, দারুস সালাম, মিরপুর ১, মিরপুর ১০, মিরপুর ১৪, কচুক্ষেত, বনানী, গুলশান ২ ও নতুন বাজার। বাকি পাঁচটি উড়াল স্টেশন হলো- হেমায়েতপুর, বলিয়ারপুর, বিলামালিয়া, আমিন বাজার ও ভাটারা।

 

এ রুটের মেট্রোরেলে প্রতিদিন প্রায় ১২ লাখ ৩০ হাজার যাত্রী যাতায়াত করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রতিটি একমুখী মেট্রো ট্রেন প্রতিবারে ১৪টি স্টেশনে থেমে ৩২ মিনিটে হেমায়েতপুর থেকে ভাটারা পর্যন্ত যাতায়াত করবে। ৮ কোচবিশিষ্ট ১৮ সেট মেট্রো ট্রেন দিয়ে পরিচালনা শুরু করা হবে। তবে ভবিষ্যতে ৪২ সেট মেট্রো ট্রেনে উন্নীত করার সুযোগ থাকবে। মাঝের ছয়টি কোচের প্রতিটিতে সর্বোচ্চ ৩৯০ জন এবং ট্রেইলার কোচের প্রতিটিতে সর্বোচ্চ ৩৭৪ জন যাত্রী পরিবহন করা হবে। প্রতিটি মেট্রো ট্রেনে সর্বোচ্চ ৩০৮৮ জন যাত্রী পরিবহন সক্ষমতা রয়েছে।

 

প্রতি ঘণ্টায় উভয়দিকে ৫৩,২০০ যাত্রী পরিবহন সম্ভব হবে। অল্প সময়ে অধিক সংখ্যক যাত্রী পরিবহনের ফলে ছোট ছোট যানবাহনের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে। জীবাশ্ম ও তরল জ্বালানির ব্যবহার কম হবে। ঢাকা মহানগরীর জীবনযাত্রায় ভিন্ন মাত্রা ও গতি যোগ হবে। যানজট বহুলাংশে হ্রাস পাবে। মহানগরবাসীর কর্মঘণ্টা সাশ্রয় হবে। সাশ্রয়কৃত কর্মঘণ্টা দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ব্যবহার করা যাবে। এমআরটি লাইন-৫ এর টানেল মূল সড়ক বরাবর মাটির ৫৬ ফুট থেকে ১৫৩ ফুট গভীরতায় নির্মাণ করা হবে। টানেল নির্মাণে ব্যবহার করা হবে বর্তমান সময়ের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির টানেল বোরিং মেশিন (টিবিএম)।