ঢাকা , মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত Logo সাতক্ষীরার শ্যামনগরে দুই সংখ্যালঘু পরিবারকে দেশছাড়ার হুমকি Logo নগরকান্দায় ৯৫০ পিচ ইয়াবাসহ আটক ১
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

হাতিয়ায় ১০ মন ওজনের শাপলা পাতা মাছ ১লাখ ৩১ হাজারে বিক্রি

হানিফ উদ্দিন সাকিবঃ

 

নোয়াখালী জেলার বিছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় বেহুন্দি জালে ধরা পড়েছে দশ মন ওজনের শাপলা পাতা মাছ। ১ লাখ ৩১ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। এটি নিয়ে স্থানীয় মৎস্যজীবী ও ক্রেতাদের মধ্যে বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

 

বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) বিকেলে মাছটি স্থানীয় বুড়িরচর ইউনিয়নের দানারদোল মাছ বাজারে নিলামে বিক্রি করা হয়। এর আগে বুধবার রাতে হাতিয়ার মেঘনার মোহনায় সাগরে গ্যাস কূপের কাছে মাছটি ধরা পড়ে।

 

জানা যায়, প্রতিদিনের ন্যায় কামাল মাঝি প্রকাশ মালয়েশিয়া গত সাত দিন আগে তার বেহুন্দি নৌকা নিয়ে জাল বসানোর উদ্দেশ্যে সাগরে যায়। বুধবার রাত শেষে ভোরে তারা জালের মাছ তুলতে গিয়ে অনেক ভার ভার অনুভব করে। তাদের বোটের ১৫জন মাঝি মাল্লা মিলে মাছ সহ জালটি তুলতে পারেনি। পরে পাশের অন্য একটি বোটের লোকজন সহ জালটি তুলতে সক্ষম হয়। বিশাল আকৃতির শাপলা মাছ সহ তারা দানারদোল মাছ ঘাটে নিয়ে আসে। ঘাটে মাছ নিলামে এক লাখ ৩১ হাজার টাকায় কিনে নেন স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী খবির উদ্দিন ব্যাপারী।

 

এ বিষয়ে কামাল মাঝি বলেন, অনেক দিন ধরে তিনি ব্যবসায়ে কোন ভাবে ধারদেনা করে টিকে আছেন। এত বড় মাছ পাওয়াতে আল্লাহর কাছে শোকরিয়া আদায় করছি। এ মাছ বিক্রি করে সকল মাঝি মাল্লারা প্রত্যেকে পাঁচ হাজার টাকা করে পেয়েছে। তবে ভাল ব্যাপারী না থাকায় তুলনামূলক দাম কম হয়েছে।

 

খবির উদ্দিন ব্যাপারী বলেন, শাপলা মাছটির মোকামে চাহিদা থাকায় আমরা এর চেয়ে বেশী দাম পাবার আশায় কিনেছি। হয়ত আমাদের বিশ হাজার টাকা লাভ হতে পারে।

 

হাতিয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতি.দা.) মো. ফয়জুর রহমান বলেন, বিষয়টি আপনার মাধ্যমে জেনেছি। এ মাছ বাংলাদেশ বন্যপ্রানী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী ধরা বিক্রি ও খাওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কারণ এটি বিপন্ন প্রজাতি এবং সামুদ্রিক জীববৈচিত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিপিএম সেবা পদক পেলেন গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার হাবীবুল্লাহ

error: Content is protected !!

হাতিয়ায় ১০ মন ওজনের শাপলা পাতা মাছ ১লাখ ৩১ হাজারে বিক্রি

আপডেট টাইম : ০৯:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
হানিফ উদ্দিন সাকিব, হাতিয়া ( নোয়াখালী) প্রতিনিধি :

হানিফ উদ্দিন সাকিবঃ

 

নোয়াখালী জেলার বিছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় বেহুন্দি জালে ধরা পড়েছে দশ মন ওজনের শাপলা পাতা মাছ। ১ লাখ ৩১ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। এটি নিয়ে স্থানীয় মৎস্যজীবী ও ক্রেতাদের মধ্যে বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

 

বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) বিকেলে মাছটি স্থানীয় বুড়িরচর ইউনিয়নের দানারদোল মাছ বাজারে নিলামে বিক্রি করা হয়। এর আগে বুধবার রাতে হাতিয়ার মেঘনার মোহনায় সাগরে গ্যাস কূপের কাছে মাছটি ধরা পড়ে।

 

জানা যায়, প্রতিদিনের ন্যায় কামাল মাঝি প্রকাশ মালয়েশিয়া গত সাত দিন আগে তার বেহুন্দি নৌকা নিয়ে জাল বসানোর উদ্দেশ্যে সাগরে যায়। বুধবার রাত শেষে ভোরে তারা জালের মাছ তুলতে গিয়ে অনেক ভার ভার অনুভব করে। তাদের বোটের ১৫জন মাঝি মাল্লা মিলে মাছ সহ জালটি তুলতে পারেনি। পরে পাশের অন্য একটি বোটের লোকজন সহ জালটি তুলতে সক্ষম হয়। বিশাল আকৃতির শাপলা মাছ সহ তারা দানারদোল মাছ ঘাটে নিয়ে আসে। ঘাটে মাছ নিলামে এক লাখ ৩১ হাজার টাকায় কিনে নেন স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী খবির উদ্দিন ব্যাপারী।

 

এ বিষয়ে কামাল মাঝি বলেন, অনেক দিন ধরে তিনি ব্যবসায়ে কোন ভাবে ধারদেনা করে টিকে আছেন। এত বড় মাছ পাওয়াতে আল্লাহর কাছে শোকরিয়া আদায় করছি। এ মাছ বিক্রি করে সকল মাঝি মাল্লারা প্রত্যেকে পাঁচ হাজার টাকা করে পেয়েছে। তবে ভাল ব্যাপারী না থাকায় তুলনামূলক দাম কম হয়েছে।

 

খবির উদ্দিন ব্যাপারী বলেন, শাপলা মাছটির মোকামে চাহিদা থাকায় আমরা এর চেয়ে বেশী দাম পাবার আশায় কিনেছি। হয়ত আমাদের বিশ হাজার টাকা লাভ হতে পারে।

 

হাতিয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতি.দা.) মো. ফয়জুর রহমান বলেন, বিষয়টি আপনার মাধ্যমে জেনেছি। এ মাছ বাংলাদেশ বন্যপ্রানী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী ধরা বিক্রি ও খাওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কারণ এটি বিপন্ন প্রজাতি এবং সামুদ্রিক জীববৈচিত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।