আপডেট টাইম :
১২:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩
২৬২
বার পঠিত
হাতিয়ায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভা
নোয়াখালী হাতিয়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আজ শুক্রবার বর্ণাঢ্য র্যালী ও আলোচনা সভার মধ্যে দিয়ে আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস পালিত হয়েছে। আজ শুক্রবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালী বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক উপজলা পরিষদের সামনে গিয়ে শেষ হয়। র্যালী শেষে পরিষদ সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুরাইয়া আক্তার লাকী, হাতিয়া উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) কর্মকর্তা, মোঃ সাজ্জাদুল ইসলাম, হাতিয়া প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা অফিসার আকবর হোসেন, হাতিয়া উপজেলা দুর্যোগ প্রস্তুতি কর্মসূচির সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ বদিউজ্জামান, হাতিয়া উপজেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা কামাল উদ্দিন। আরও পড়ুনঃ ফরিদপুরে ভাংগা প্রেসক্লাবের নির্বাচন সম্পন্নঃ কিবরিয়া সভাপতি, মজিবর সম্পাদক নির্বাচিত এ সময় বিভিন্ন সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন জ্ঞান, দক্ষতা ও প্রযুক্তি নির্ভর এ বিশ্বে দেখা যায় যে জাতি যতো শিক্ষিত, সে জাতি তত উন্নত ও ক্ষমতাবান। সাক্ষরতাই শিক্ষার প্রথম সোপান, সাক্ষরতা অর্জনের মাধ্যমে মানুষের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি পায়, মানুষ সচেতন হয়, স্বনির্ভর হয়, জন্মহার কমে, স্বাস্থ্য সূচকের উন্নয়ন ঘটে। গড় আয়ু বুদ্ধি পায় এবং অর্থনেতিক প্রবৃদ্ধি ঘটে।
নোয়াখালী হাতিয়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আজ শুক্রবার বর্ণাঢ্য র্যালী ও আলোচনা সভার মধ্যে দিয়ে আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস পালিত হয়েছে।
আজ শুক্রবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালী বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক উপজলা পরিষদের সামনে গিয়ে শেষ হয়। র্যালী শেষে পরিষদ সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুরাইয়া আক্তার লাকী, হাতিয়া উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) কর্মকর্তা, মোঃ সাজ্জাদুল ইসলাম, হাতিয়া প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা অফিসার আকবর হোসেন, হাতিয়া উপজেলা দুর্যোগ প্রস্তুতি কর্মসূচির সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ বদিউজ্জামান, হাতিয়া উপজেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা কামাল উদ্দিন।
এ সময় বিভিন্ন সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন জ্ঞান, দক্ষতা ও প্রযুক্তি নির্ভর এ বিশ্বে দেখা যায় যে জাতি যতো শিক্ষিত, সে জাতি তত উন্নত ও ক্ষমতাবান। সাক্ষরতাই শিক্ষার প্রথম সোপান, সাক্ষরতা অর্জনের মাধ্যমে মানুষের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি পায়, মানুষ সচেতন হয়, স্বনির্ভর হয়, জন্মহার কমে, স্বাস্থ্য সূচকের উন্নয়ন ঘটে। গড় আয়ু বুদ্ধি পায় এবং অর্থনেতিক প্রবৃদ্ধি ঘটে।