ঢাকা , রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

সেন্টমার্টিনে গণির জালে আবারো লাখ টাকার পোয়া !

কক্সবাজারের সেন্টমার্টিনের জেলেদের জালে ধরা পড়েছে ৫৭ কেজি ওজনের দুটি পোয়া মাছ। মঙ্গলবার সকালে সেন্টমার্টিন উপকূলে জেলে আবদুল গণির জালে পোয়া মাছ দুটি ধরা পড়ে। পরে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা দ্বীপে মাছ দুটির দাম তিন লাখ টাকা হাঁকান। জেলেরা জানান, সোমবার রাতে দ্বীপের বাসিন্দা জেলে আবদুল গণির নেতৃত্বে পাঁচ জেলে বঙ্গোপসাগরের মাছ শিকারে যান। মঙ্গলবার ভোরে দ্বীপে পশ্চিম পাড়াস্থল সাগরে জাল তুললে দুটি বড় পোয়া মাছ পাওয়া যায়। মাছ দুটি নিয়ে দ্বীপের জেটি ঘাটে ফিরে আসার পর উৎসুক মানুষের ভিড় জমে যায়।

টেকনাফ বোট মালিক সমিতির সভাপতি আবদুল জলিল জানান, সেন্টমার্টিনের জেলেদের জালে ধরা পড়া ৫৭ কেজি ওজনের পোয়া মাছ দুটি বেশি দামে বিক্রির জন্য কক্সবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। দ্বীপের ইউপি সদস্য ফয়েজুল ইসলাম জানান, জেলে আবদুল গণির জালে দুটি বড় পোয়া মাছ ধরা পড়েছে। মাছ দুটির দাম স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ীরা ৩ লাখ টাকায় হাঁকান। কিন্তু বিক্রি না করে মাছ দুটি বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশে কক্সবাজার নিয়ে যান জেলে। তিনি আরও জানান, জেলে গণির জালে এর আগে ২০১৮ সালের ১৪ নভেম্বর ৩৪ কেজি ওজনের একটি পোয়া মাছ ধরা পড়ে। পরে সেটি বিক্রি করেন ১০ লাখ টাকায়। ২০২০ এর নভেম্বর মাসে এসে আবারো গণির জালে একটি পোয়া মাছ আটকা পড়ে, যা বিক্রি হয় ৬ লাখ টাকায়।এবার ৮ নভেম্বরে জোড়া পোয়া মাছ ধরা পড়ল তার জালে।দাম হাঁকা হাঁকি চলছে ! ৩ লাখ টাকা উঠেছে মাছ ২ টির দাম। আরো বাড়তে পারে !

টেকনাফ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন জানান, পোয়া মাছের পেটের ভেতর ‘পদনা’ নামে বিশেষ অংশ থাকে। স্থানীয় ভাষায় এটাকে ‘ফুলা’ বলে, যা ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। এই ‘পদনা’ শুকিয়ে ওষুধের কাঁচামাল হিসেবে বিদেশে উচ্চমূল্যে বিক্রি করা হয়। ফলে পোয়া মাছের দাম ও চাহিদা বেশি।

 

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সোনালী ব্যাংক স্টাফ কলেজে ১১৫ কেডব্লিউপি ক্ষমতার সোলার সিস্টেম উদ্বোধন

error: Content is protected !!

সেন্টমার্টিনে গণির জালে আবারো লাখ টাকার পোয়া !

আপডেট টাইম : ১০:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ নভেম্বর ২০২২
এস. এম. ইশতিয়াক আহমেদ, তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগ :

কক্সবাজারের সেন্টমার্টিনের জেলেদের জালে ধরা পড়েছে ৫৭ কেজি ওজনের দুটি পোয়া মাছ। মঙ্গলবার সকালে সেন্টমার্টিন উপকূলে জেলে আবদুল গণির জালে পোয়া মাছ দুটি ধরা পড়ে। পরে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা দ্বীপে মাছ দুটির দাম তিন লাখ টাকা হাঁকান। জেলেরা জানান, সোমবার রাতে দ্বীপের বাসিন্দা জেলে আবদুল গণির নেতৃত্বে পাঁচ জেলে বঙ্গোপসাগরের মাছ শিকারে যান। মঙ্গলবার ভোরে দ্বীপে পশ্চিম পাড়াস্থল সাগরে জাল তুললে দুটি বড় পোয়া মাছ পাওয়া যায়। মাছ দুটি নিয়ে দ্বীপের জেটি ঘাটে ফিরে আসার পর উৎসুক মানুষের ভিড় জমে যায়।

টেকনাফ বোট মালিক সমিতির সভাপতি আবদুল জলিল জানান, সেন্টমার্টিনের জেলেদের জালে ধরা পড়া ৫৭ কেজি ওজনের পোয়া মাছ দুটি বেশি দামে বিক্রির জন্য কক্সবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। দ্বীপের ইউপি সদস্য ফয়েজুল ইসলাম জানান, জেলে আবদুল গণির জালে দুটি বড় পোয়া মাছ ধরা পড়েছে। মাছ দুটির দাম স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ীরা ৩ লাখ টাকায় হাঁকান। কিন্তু বিক্রি না করে মাছ দুটি বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশে কক্সবাজার নিয়ে যান জেলে। তিনি আরও জানান, জেলে গণির জালে এর আগে ২০১৮ সালের ১৪ নভেম্বর ৩৪ কেজি ওজনের একটি পোয়া মাছ ধরা পড়ে। পরে সেটি বিক্রি করেন ১০ লাখ টাকায়। ২০২০ এর নভেম্বর মাসে এসে আবারো গণির জালে একটি পোয়া মাছ আটকা পড়ে, যা বিক্রি হয় ৬ লাখ টাকায়।এবার ৮ নভেম্বরে জোড়া পোয়া মাছ ধরা পড়ল তার জালে।দাম হাঁকা হাঁকি চলছে ! ৩ লাখ টাকা উঠেছে মাছ ২ টির দাম। আরো বাড়তে পারে !

টেকনাফ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন জানান, পোয়া মাছের পেটের ভেতর ‘পদনা’ নামে বিশেষ অংশ থাকে। স্থানীয় ভাষায় এটাকে ‘ফুলা’ বলে, যা ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। এই ‘পদনা’ শুকিয়ে ওষুধের কাঁচামাল হিসেবে বিদেশে উচ্চমূল্যে বিক্রি করা হয়। ফলে পোয়া মাছের দাম ও চাহিদা বেশি।