ঢাকা , রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

শিশুকে বলাৎকারের চেষ্টাঃ মাদরাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার

মোহাম্মদ আবু নাছেরঃ

 

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে (১১) বলাৎকারের চেষ্টার অভিযোগে এক মাদরাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

 

গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মোহাম্মদ মারুফ (২২) চাটখিল উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের হিরাপুর গ্রামের মোস্তফা কামালের ছেলে। তিনি উপজেলার একটি মাদরাসার হিফজ বিভাগের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

 

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে ওই মাদরাসার হিফজ বিভাগের কয়েকজন ছাত্রের সঙ্গে অশোভন আচরণ করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুটিও একই মাদরাসার শিক্ষার্থী।

 

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ভোররাতে মাদরাসার শিক্ষার্থীরা সেহরি খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। এ সময় অভিযুক্ত শিক্ষক মারুফ ভুক্তভোগী ছাত্রকে ঘুম থেকে ডেকে তোলেন। পরে তাকে বলাৎকারের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ ওঠে।

 

ঈদের ছুটিতে বাড়ি যাওয়ার পর শিশুটি তার পরিবারের কাছে ঘটনাটি খুলে বলে। বিষয়টি জানার পর পরিবারের সদস্যরা আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

 

ঘটনার প্রায় ১০ দিন পর বৃহস্পতিবার দুপুরে ভুক্তভোগী শিশুর বাবা বাদী হয়ে নোয়াখালীর সুধারাম থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষক মারুফকে গ্রেপ্তার করে। এ বিষয়ে সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)।

 

মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, শিশুকে বলাৎকারের চেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং আদালত তাকে জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

 

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ
error: Content is protected !!

শিশুকে বলাৎকারের চেষ্টাঃ মাদরাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার

আপডেট টাইম : ০৯:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬
মোহাম্মদ আবু নাছের, নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি :

মোহাম্মদ আবু নাছেরঃ

 

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে (১১) বলাৎকারের চেষ্টার অভিযোগে এক মাদরাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

 

গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মোহাম্মদ মারুফ (২২) চাটখিল উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের হিরাপুর গ্রামের মোস্তফা কামালের ছেলে। তিনি উপজেলার একটি মাদরাসার হিফজ বিভাগের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

 

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে ওই মাদরাসার হিফজ বিভাগের কয়েকজন ছাত্রের সঙ্গে অশোভন আচরণ করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুটিও একই মাদরাসার শিক্ষার্থী।

 

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ভোররাতে মাদরাসার শিক্ষার্থীরা সেহরি খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। এ সময় অভিযুক্ত শিক্ষক মারুফ ভুক্তভোগী ছাত্রকে ঘুম থেকে ডেকে তোলেন। পরে তাকে বলাৎকারের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ ওঠে।

 

ঈদের ছুটিতে বাড়ি যাওয়ার পর শিশুটি তার পরিবারের কাছে ঘটনাটি খুলে বলে। বিষয়টি জানার পর পরিবারের সদস্যরা আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

 

ঘটনার প্রায় ১০ দিন পর বৃহস্পতিবার দুপুরে ভুক্তভোগী শিশুর বাবা বাদী হয়ে নোয়াখালীর সুধারাম থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষক মারুফকে গ্রেপ্তার করে। এ বিষয়ে সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)।

 

মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, শিশুকে বলাৎকারের চেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং আদালত তাকে জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

 

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।