দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
শার্শার দূর্গাপুর গ্রামে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
সাজেদুর রহমানঃ যশোরের শার্শা উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেরে লিটন (৩০) নামে এক বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (১০ জুন) রাত ১০ টার দিকে উপজেলার লক্ষ্মণপুর ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত লিটন দুর্গাপুর গ্রামের আজগার আলীর ছেলে। - লক্ষণপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান কামাল হোসেনের লাঠিয়াল ও সন্ত্রাস বাহিনীর অন্যতম সদস্য ছিল লিটন। আওয়ামীলীগের ১৭ বছরে কামাল চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে এরা এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়েছে। আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর লিটন বিএনপির সমর্থক হয়ে যায় এবং এলাকায় চাঁদাবাজি সন্ত্রাসী কার্যক্রম শুরু করে। - নাভারণ সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার নিশাত আল নাহিয়ান বলেন, সন্ধ্যায় লিটন বাজারে বসে চা খাচ্ছিলো। এসময় ওই এলাকার সেলিম ও রমজান তাকে কুপিয়ে জখম করে। এ সময় তার চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পাঠানো হয়। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে লিটনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং এ ঘটনায় জড়িতদের আটকের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। - শার্শা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটন বলেন, নিহত লিটন বিএনপির একজন সক্রিয় কর্মী। পুর্বশত্রুতার জেরে সেলিম ও রমজানসহ ৩/৪ জন সন্ত্রাসী লিটনকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। আমি এই হত্যার সুষ্ঠ বিচার চাই।
সাজেদুর রহমানঃ
যশোরের শার্শা উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেরে লিটন (৩০) নামে এক বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (১০ জুন) রাত ১০ টার দিকে উপজেলার লক্ষ্মণপুর ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত লিটন দুর্গাপুর গ্রামের আজগার আলীর ছেলে।
–
লক্ষণপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান কামাল হোসেনের লাঠিয়াল ও সন্ত্রাস বাহিনীর অন্যতম সদস্য ছিল লিটন। আওয়ামীলীগের ১৭ বছরে কামাল চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে এরা এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়েছে। আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর লিটন বিএনপির সমর্থক হয়ে যায় এবং এলাকায় চাঁদাবাজি সন্ত্রাসী কার্যক্রম শুরু করে।
–
নাভারণ সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার নিশাত আল নাহিয়ান বলেন, সন্ধ্যায় লিটন বাজারে বসে চা খাচ্ছিলো। এসময় ওই এলাকার সেলিম ও রমজান তাকে কুপিয়ে জখম করে। এ সময় তার চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পাঠানো হয়। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে লিটনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং এ ঘটনায় জড়িতদের আটকের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
–
শার্শা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটন বলেন, নিহত লিটন বিএনপির একজন সক্রিয় কর্মী। পুর্বশত্রুতার জেরে সেলিম ও রমজানসহ ৩/৪ জন সন্ত্রাসী লিটনকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। আমি এই হত্যার সুষ্ঠ বিচার চাই।