আপডেট টাইম :
০৮:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ ২০২৫
১৮২
বার পঠিত
রূপগঞ্জে পৃথক স্থান থেকে নারী, পুরুষের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
রিপন সরকারঃ নারায়ণগঞ্জে রূপগঞ্জে পৃথক স্থান থেকে এক নারী ও এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার বিকালে উপজেলার বাড়িয়াছনি এলাকায় ও সন্ধ্যায় বরুনা এলাকা থেকে এ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত সুমা আক্তার বাড়িয়াছনি এলাকার আউয়ালের স্ত্রী ও রায়হান বরুনা এলাকার মনোয়ার হোসেনের ছেলে। এ বিষয়ে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী জানান, সোমবার বিকালে বাড়িয়াছনি এলাকায় পারিবারিক কলহের জের ধরে স্বামীর সাথে অভিমান করে নিজ ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে গৃহবধু সুমা আক্তার। পরে স্থানীয়রা পুলিশ খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। অপরদিকে, সন্ধ্যা ৭ টার দিকে কায়েতপাড়া ইউনিয়নের বরুনা এলাকায় তাইজুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির বাড়ীতে সিলিংফ্যানের সাথে গলায় রশি পেঁচানো অবস্থায় রায়হানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তবে তাকে হত্যা করা হয়েছে নাকি সে আত্মহত্যা করেছে তা ময়নাতদন্তের চুড়ান্ত প্রতিবেদন আসলে জানা যাবে। লাশ দুটি ময়না তদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে এবং দুটি ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
রিপন সরকারঃ
নারায়ণগঞ্জে রূপগঞ্জে পৃথক স্থান থেকে এক নারী ও এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার বিকালে উপজেলার বাড়িয়াছনি এলাকায় ও সন্ধ্যায় বরুনা এলাকা থেকে এ মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত সুমা আক্তার বাড়িয়াছনি এলাকার আউয়ালের স্ত্রী ও রায়হান বরুনা এলাকার মনোয়ার হোসেনের ছেলে।
এ বিষয়ে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী জানান, সোমবার বিকালে বাড়িয়াছনি এলাকায় পারিবারিক কলহের জের ধরে স্বামীর সাথে অভিমান করে নিজ ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে গৃহবধু সুমা আক্তার। পরে স্থানীয়রা পুলিশ খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।
অপরদিকে, সন্ধ্যা ৭ টার দিকে কায়েতপাড়া ইউনিয়নের বরুনা এলাকায় তাইজুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির বাড়ীতে সিলিংফ্যানের সাথে গলায় রশি পেঁচানো অবস্থায় রায়হানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তবে তাকে হত্যা করা হয়েছে নাকি সে আত্মহত্যা করেছে তা ময়নাতদন্তের চুড়ান্ত প্রতিবেদন আসলে জানা যাবে। লাশ দুটি ময়না তদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে এবং দুটি ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।