আপডেট টাইম :
১১:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৩
৩০৬
বার পঠিত
-রাজবাড়ীর পাংশা পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মিজানুর রহমান মুকু।
রাজবাড়ীর পাংশায় স্কুল শিক্ষককে গুলি করে হত্যা
রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার কলিমহর ইউনিয়নে মিজানুর রহমান মুকু (৪৭) নামে এক স্কুল শিক্ষককে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। তিনি পাংশা পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। আজ রবিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে হোসেনডাঙ্গা বাজারে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে বাড়ি ফেরার পথে তাকে রাস্তার ওপর গুলি করে হত্যা করা হয়। মিজানুর রহমান পাংশা উপজেলার কলিমহর ইউনিয়নের বসাকুষ্টিয়া গ্রামের মৃত ইব্রাহিম মণ্ডলের ছেলে। তিনি শিক্ষকতার পাশাপাশি হোসেনডাঙ্গা বাজারে সার ও কীটনাশকের ব্যবসা করতেন। নিহতের চাচাতো ভাই মনোয়ার হোসেন বলেন, আমার ভাই শিক্ষকতার পাশাপাশি ব্যবসা করতেন। রোববার তার দোকানের হালখাতা ছিল। রাতে দোকান বন্ধ করে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় রাস্তায় তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। আরও পড়ুনঃ নতুন আশা জাগাচ্ছে নবায়নযোগ্য জ্বালানি কলিমহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কিলকিস বানু জানান, এলাকায় সন্ত্রাসীদের আনাগোনা বেড়েছে। কিছু দিন পূর্বে সন্ত্রাসীরা গুলি করে এক গৃহবধূর চোখ নষ্ট করে দেয়। তিনি সেখানে পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনেরও দাবি জানান। রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার এমএম শাকিলুজ্জামান জানান, কারা কি কারণে মিজানুর রহমানকে গুলি করে হত্যা করেছে তা খতিয়ে দেখার পাশাপাশি অপরাধীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার কলিমহর ইউনিয়নে মিজানুর রহমান মুকু (৪৭) নামে এক স্কুল শিক্ষককে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। তিনি পাংশা পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।
আজ রবিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে হোসেনডাঙ্গা বাজারে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে বাড়ি ফেরার পথে তাকে রাস্তার ওপর গুলি করে হত্যা করা হয়।
মিজানুর রহমান পাংশা উপজেলার কলিমহর ইউনিয়নের বসাকুষ্টিয়া গ্রামের মৃত ইব্রাহিম মণ্ডলের ছেলে। তিনি শিক্ষকতার পাশাপাশি হোসেনডাঙ্গা বাজারে সার ও কীটনাশকের ব্যবসা করতেন।
নিহতের চাচাতো ভাই মনোয়ার হোসেন বলেন, আমার ভাই শিক্ষকতার পাশাপাশি ব্যবসা করতেন। রোববার তার দোকানের হালখাতা ছিল। রাতে দোকান বন্ধ করে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় রাস্তায় তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
কলিমহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কিলকিস বানু জানান, এলাকায় সন্ত্রাসীদের আনাগোনা বেড়েছে। কিছু দিন পূর্বে সন্ত্রাসীরা গুলি করে এক গৃহবধূর চোখ নষ্ট করে দেয়। তিনি সেখানে পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনেরও দাবি জানান।
রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার এমএম শাকিলুজ্জামান জানান, কারা কি কারণে মিজানুর রহমানকে গুলি করে হত্যা করেছে তা খতিয়ে দেখার পাশাপাশি অপরাধীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।