দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
আপডেট টাইম :
১০:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫
২৩৩
বার পঠিত
যশোরে যুব অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মিলনের বিরুদ্ধে চাল আত্মসাতের অভিযোগ
কাজী নূরঃ যশোরে যুব অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আপন মাহমুদ মিলন সাংগঠনিক নিয়মনীতি উপেক্ষা করে হতদরিদ্রদের নাম ভাঙিয়ে ৫০০ কেজি চাল আত্মসাৎ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার বিস্তারিত জানার জন্য যশোর জেলা যুব অধিকার পরিষদের একাধিক নেতার সাথে যোগাযোগ করা হলে, তারা অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আপন মাহমুদ মিলন দলের নাম ভাঙিয়ে শুধু চাল আত্মসাৎ না; তিনি নেতাকর্মীদের টেন্ডারবাজি করতেও অনুপ্রাণিত করছেন, যা দল এবং সংগঠনের আদর্শ বিরোধী। . এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সভাপতিসহ একাধিক নেতৃবৃন্দকে জানানো হয়েছে। আমরা এমন লোকের নেতৃত্বে রাজনীতি করতে চাই না। কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ দ্রুত কোন দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা না নিলে প্রয়োজনে আমরা পদত্যাগ করবো। . চাল আত্মসাতের অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে আপন মাহমুদ মিলন মুঠোফোনে বলেন, আমি আমার সাংগঠনিক পরিচয় দিয়ে ৫০টি কার্ডের জন্য সুপারিশ করেছিলাম দলীয় চেয়ারম্যানের কাছে। আমি ও গণ অধিকার পরিষদের দলীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে প্রকৃত দুস্থ অসহায় মানুষের মাঝে সেসব চাল বিতরণ করেছি। এখানে কোন অনিয়ম করা হয়নি। আমার বিরুদ্ধে কিছু মানুষ অপপ্রচার চালাচ্ছে। . এ বিষয়ে যুব অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি মঞ্জুর মোর্শেদ মামুনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, আমি বিষয়টি জানি না। আপনি বললেন তাই শুনলাম। আমি যত দ্রুত সম্ভব তদন্ত কমিটি গঠন করে দেব। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থাসহ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে...
কাজী নূরঃ
যশোরে যুব অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আপন মাহমুদ মিলন সাংগঠনিক নিয়মনীতি উপেক্ষা করে হতদরিদ্রদের নাম ভাঙিয়ে ৫০০ কেজি চাল আত্মসাৎ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার বিস্তারিত জানার জন্য যশোর জেলা যুব অধিকার পরিষদের একাধিক নেতার সাথে যোগাযোগ করা হলে, তারা অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আপন মাহমুদ মিলন দলের নাম ভাঙিয়ে শুধু চাল আত্মসাৎ না; তিনি নেতাকর্মীদের টেন্ডারবাজি করতেও অনুপ্রাণিত করছেন, যা দল এবং সংগঠনের আদর্শ বিরোধী।
.
এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সভাপতিসহ একাধিক নেতৃবৃন্দকে জানানো হয়েছে। আমরা এমন লোকের নেতৃত্বে রাজনীতি করতে চাই না। কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ দ্রুত কোন দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা না নিলে প্রয়োজনে আমরা পদত্যাগ করবো।
.
চাল আত্মসাতের অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে আপন মাহমুদ মিলন মুঠোফোনে বলেন, আমি আমার সাংগঠনিক পরিচয় দিয়ে ৫০টি কার্ডের জন্য সুপারিশ করেছিলাম দলীয় চেয়ারম্যানের কাছে। আমি ও গণ অধিকার পরিষদের দলীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে প্রকৃত দুস্থ অসহায় মানুষের মাঝে সেসব চাল বিতরণ করেছি। এখানে কোন অনিয়ম করা হয়নি। আমার বিরুদ্ধে কিছু মানুষ অপপ্রচার চালাচ্ছে।
.
এ বিষয়ে যুব অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি মঞ্জুর মোর্শেদ মামুনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, আমি বিষয়টি জানি না। আপনি বললেন তাই শুনলাম। আমি যত দ্রুত সম্ভব তদন্ত কমিটি গঠন করে দেব। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থাসহ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।