আপডেট টাইম :
০৭:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫
১৪৮
বার পঠিত
মুকসুদপুরে এইচএসসিতে ফেল করায় ছাত্রীর আত্মহত্যা
বাদশাহ মিয়াঃ এইচএসসি পরীক্ষায় এক বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ায় আত্মহত্যার পথ বেছে নিলো কনিকা আক্তার নামের এক শিক্ষার্থী। সে গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের লোহাচুড়া গ্রামের মোকসেদ মুন্সীর মেয়ে। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কনিকা আক্তার সরকারি মুকসুদপুর কলেজের মানবিক বিভাগের ছাত্রী ছিলেন। এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর জানা যায় সে ইংরেজী বিষয়ে ফেল করেছে। এ খবর জানার পর থেকেই সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। পরিবারের সদস্যরা তাকে সান্তনা দেওয়ার চেষ্টা করলেও কনিকা আক্তার গভীর হতাশায় ভুগছিল। সে শনিবার (১৮ অক্টোবর) বিকালে নিজ বাড়ির বাথরুমে ওড়না পেছিয়ে আত্মহত্যা করে। পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসারত ডাক্তার নিলয় রঞ্জন বল্লভ তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কনিকা আক্তারের মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তফা কামাল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এটি একটি আত্মহত্যার ঘটনা। আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
বাদশাহ মিয়াঃ
এইচএসসি পরীক্ষায় এক বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ায় আত্মহত্যার পথ বেছে নিলো কনিকা আক্তার নামের এক শিক্ষার্থী। সে গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের লোহাচুড়া গ্রামের মোকসেদ মুন্সীর মেয়ে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কনিকা আক্তার সরকারি মুকসুদপুর কলেজের মানবিক বিভাগের ছাত্রী ছিলেন। এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর জানা যায় সে ইংরেজী বিষয়ে ফেল করেছে। এ খবর জানার পর থেকেই সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। পরিবারের সদস্যরা তাকে সান্তনা দেওয়ার চেষ্টা করলেও কনিকা আক্তার গভীর হতাশায় ভুগছিল।
সে শনিবার (১৮ অক্টোবর) বিকালে নিজ বাড়ির বাথরুমে ওড়না পেছিয়ে আত্মহত্যা করে। পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসারত ডাক্তার নিলয় রঞ্জন বল্লভ তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কনিকা আক্তারের মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তফা কামাল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এটি একটি আত্মহত্যার ঘটনা। আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।