দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
মালয়েশিয়া প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, পরিবারের দাবি হত্যা
অপি মুন্সী: মালয়েশিয়া প্রবাসীর স্ত্রী ও তিন সন্তানের জননীর ঘর থেকে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে গৃহবধূর পরিবারের দাবি, তাকে পরিকল্পিতভাবে শ্বশুরবাড়ির লোকেরা হত্যা করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার শাখারপাড় গাঙ্গকান্দি গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী শিপন মোল্লার স্ত্রী রুমি বেগম (২৯)-এর সাথে। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠিয়েছে। (২৮ মার্চ, শনিবার) জানা যায়, রাজৈর উপজেলার ইশিবপুর ইউনিয়নের শাখারপাড় গাঙ্গকান্দি গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা হালিম মোল্লার বড় ছেলে শিপন মোল্লার সাথে ২০১২ সালে বিবাহ হয় রাজৈরের গোবিন্দপুরের এক মেয়ের। পরে তাদের বারো, চার ও তিন বছরের দুটি মেয়ে ও একটি ছেলে সন্তান হয়। তবে তাদের পরিবারে বিভিন্ন সময় শ্বশুরবাড়ির লোকদের সাথে পারিবারিক কলহ হতো। এরই জেরে ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে রুমির পরিবারের দাবি, তাকে পরিকল্পিতভাবেই হত্যা করা হয়েছে। নিহতের বড় বোন সুমি আক্তার জানান, বিয়ের পর থেকেই তারা আমার বোনকে বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিক চাপে রাখতো। গতকাল রাত ১০টার দিকেও বোনের সাথে কথা হয়েছে। সে কিভাবে আত্মহত্যা করে? তার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের দাগ রয়েছে। রাজৈর থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) কুতুবউদ্দিন আহম্মেদ জানান, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের পরিবার একটি অপমৃত্যু মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
অপি মুন্সী:
মালয়েশিয়া প্রবাসীর স্ত্রী ও তিন সন্তানের জননীর ঘর থেকে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে গৃহবধূর পরিবারের দাবি, তাকে পরিকল্পিতভাবে শ্বশুরবাড়ির লোকেরা হত্যা করেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার শাখারপাড় গাঙ্গকান্দি গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী শিপন মোল্লার স্ত্রী রুমি বেগম (২৯)-এর সাথে। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠিয়েছে।
(২৮ মার্চ, শনিবার) জানা যায়, রাজৈর উপজেলার ইশিবপুর ইউনিয়নের শাখারপাড় গাঙ্গকান্দি গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা হালিম মোল্লার বড় ছেলে শিপন মোল্লার সাথে ২০১২ সালে বিবাহ হয় রাজৈরের গোবিন্দপুরের এক মেয়ের। পরে তাদের বারো, চার ও তিন বছরের দুটি মেয়ে ও একটি ছেলে সন্তান হয়। তবে তাদের পরিবারে বিভিন্ন সময় শ্বশুরবাড়ির লোকদের সাথে পারিবারিক কলহ হতো। এরই জেরে ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে রুমির পরিবারের দাবি, তাকে পরিকল্পিতভাবেই হত্যা করা হয়েছে।
নিহতের বড় বোন সুমি আক্তার জানান, বিয়ের পর থেকেই তারা আমার বোনকে বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিক চাপে রাখতো। গতকাল রাত ১০টার দিকেও বোনের সাথে কথা হয়েছে। সে কিভাবে আত্মহত্যা করে? তার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের দাগ রয়েছে।
রাজৈর থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) কুতুবউদ্দিন আহম্মেদ জানান, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের পরিবার একটি অপমৃত্যু মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।