মাদারীপুরে যাত্রীবাহী ভ্যানকে কাভার্ডভ্যানের চাপাঃ ঘটনাস্থলেই নিহত ৩, হাসপাতালে আরও ১ জন
সোহাগ কাজীঃ মাদারীপুরের তাঁতীবাড়ী এলাকা। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টা। মস্তফাপুর অভিমুখে যাওয়া একটি যাত্রীবাহী ভ্যান নিমিষেই পিষ্ট হলো ঘাতক কাভার্ডভ্যানের চাকায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভাঙ্গাব্রিজ এলাকা থেকে যাত্রী নিয়ে রওনা হওয়া ভ্যানটিকে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বেপরোয়া গতির কাভার্ডভ্যান সরাসরি চাপা দেয়। মুহূর্তেই লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় যাত্রীবাহী ভ্যানটি। ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান চালকসহ দই যাত্রী। স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে এসে গুরুতর আহত একজনকে উদ্ধার করে মাদারীপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হাইওয়ে পুলিশের বক্তব্য ও বিক্ষোভ (২:৩০ - ৩:৩০) দুর্ঘটনার পর পরই বিক্ষোভে ফেটে পড়ে স্থানীয় জনতা। নিরাপদ সড়কের দাবিতে টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করেন তারা। এতে সড়কের দুই পাশে তৈরি হয় দীর্ঘ যানজট, ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ। মস্তফাপুর হাইওয়ে থানার ওসি মস্তফাপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন রশিদ জানান, নিহত ও আহতদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলে পুনরায় যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। বেপরোয়া গতির এই অকাল মৃত্যু যেন থামছেই না। স্থানীয়দের দাবি, মহাসড়কের এই বিপজ্জনক মোড়গুলোতে গতিরোধক ও কঠোর নজরদারি বাড়ানো।
সোহাগ কাজীঃ
মাদারীপুরের তাঁতীবাড়ী এলাকা। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টা। মস্তফাপুর অভিমুখে যাওয়া একটি যাত্রীবাহী ভ্যান নিমিষেই পিষ্ট হলো ঘাতক কাভার্ডভ্যানের চাকায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভাঙ্গাব্রিজ এলাকা থেকে যাত্রী নিয়ে রওনা হওয়া ভ্যানটিকে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বেপরোয়া গতির কাভার্ডভ্যান সরাসরি চাপা দেয়।
মুহূর্তেই লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় যাত্রীবাহী ভ্যানটি। ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান চালকসহ দই যাত্রী। স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে এসে গুরুতর আহত একজনকে উদ্ধার করে মাদারীপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
হাইওয়ে পুলিশের বক্তব্য ও বিক্ষোভ (২:৩০ – ৩:৩০) দুর্ঘটনার পর পরই বিক্ষোভে ফেটে পড়ে স্থানীয় জনতা। নিরাপদ সড়কের দাবিতে টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করেন তারা। এতে সড়কের দুই পাশে তৈরি হয় দীর্ঘ যানজট, ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ।
মস্তফাপুর হাইওয়ে থানার ওসি মস্তফাপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন রশিদ জানান, নিহত ও আহতদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলে পুনরায় যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
বেপরোয়া গতির এই অকাল মৃত্যু যেন থামছেই না। স্থানীয়দের দাবি, মহাসড়কের এই বিপজ্জনক মোড়গুলোতে গতিরোধক ও কঠোর নজরদারি বাড়ানো।