দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
আপডেট টাইম :
১২:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
১৫৬
বার পঠিত
মাগুরা শালিখায় বিক্রির উদ্দেশ্যে ঘোড়া জবাই কসাইকে গণধোলাই
রনি আহমেদ রাজুঃ মাগুরার শালিখা উপজেলার শতপাড়া গ্রামে রাতে ঘোড়া জবাইয়ের একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটের দিকে শতপাড়া গ্রামের শ্মশানঘাটের পেছনে হিরন মীর (৩৫) নামে এক ব্যক্তি একটি ঘোড়া জবাই করেন। তিনি পেশায় একজন কসাই এবং দীর্ঘদিন ধরে শালিখা বাজারে গরুর মাংস বিক্রি করে আসছেন। স্থানীয়দের দাবি, হিরন মীর ঘোড়ার মাংস গরুর মাংস হিসেবে বিক্রির উদ্দেশ্যে জবাই করেছিলেন। তবে ঘটনাটি টের পেয়ে আশপাশের লোকজন তাকে আটক করে গণধোলাই দেয়। একপর্যায়ে হিরন ও তার সহযোগীরা জবাই করা ঘোড়ার মরদেহ ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে খবর পেয়ে শালিখা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনার পর এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে কেউ কেউ আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, এটি কেবল একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় বরং সম্ভবত ভোরবেলায় চোরাই, রোগা বা মরা গরু জবাই করে প্রতারণার মাধ্যমে বিক্রির একটি ধারাবাহিক প্রচেষ্টা হতে পারে। এ বিষয়ে সচেতন মহল বলছে, জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের তৎপরতা বাড়ানো জরুরি। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও এ ধরনের কার্যকলাপে সতর্ক ও সচেতন থাকতে হবে।
রনি আহমেদ রাজুঃ
মাগুরার শালিখা উপজেলার শতপাড়া গ্রামে রাতে ঘোড়া জবাইয়ের একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটের দিকে শতপাড়া গ্রামের শ্মশানঘাটের পেছনে হিরন মীর (৩৫) নামে এক ব্যক্তি একটি ঘোড়া জবাই করেন। তিনি পেশায় একজন কসাই এবং দীর্ঘদিন ধরে শালিখা বাজারে গরুর মাংস বিক্রি করে আসছেন।
স্থানীয়দের দাবি, হিরন মীর ঘোড়ার মাংস গরুর মাংস হিসেবে বিক্রির উদ্দেশ্যে জবাই করেছিলেন। তবে ঘটনাটি টের পেয়ে আশপাশের লোকজন তাকে আটক করে গণধোলাই দেয়। একপর্যায়ে হিরন ও তার সহযোগীরা জবাই করা ঘোড়ার মরদেহ ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে খবর পেয়ে শালিখা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এই ঘটনার পর এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে কেউ কেউ আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, এটি কেবল একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় বরং সম্ভবত ভোরবেলায় চোরাই, রোগা বা মরা গরু জবাই করে প্রতারণার মাধ্যমে বিক্রির একটি ধারাবাহিক প্রচেষ্টা হতে পারে।
এ বিষয়ে সচেতন মহল বলছে, জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের তৎপরতা বাড়ানো জরুরি। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও এ ধরনের কার্যকলাপে সতর্ক ও সচেতন থাকতে হবে।